কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলায় ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির জনবল নিয়োগ প্রক্রিয়ায় পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ তুলেছেন উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান মনির। তিনি এই নিয়োগ প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তানভির হোসেনের প্রত্যাহার দাবি করেছেন। বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে পোস্ট দেওয়ার পর স্থানীয় পর্যায়ে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

ফেসবুকে আসাদুজ্জামান মনিরের দেওয়া পোস্টের মন্তব্যের ঘরে অনেকেই সমর্থন জানিয়েছেন। জাকির হোসেন নামে একজন লিখেছেন, ১৫ দিন আগেই তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন যে, বর্তমান ইউএনও দায়িত্ব পালনকালে ফ্যামিলি কার্ডের কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করা সম্ভব নয়। যুবদলের সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ারও এই দাবির সঙ্গে একমত পোষণ করেছেন।

এদিকে বিএনপি নেতা আজাদ খান মন্তব্য করেছেন যে, ফ্যামিলি কার্ডের জন্য তদন্তকারী, মাঠ সুপারভাইজার ও মাঠকর্মী নিয়োগের ক্ষেত্রে দলীয় কর্মীদের অন্তর্ভুক্তির বিষয়টি বিবেচনা করা উচিত। তিনি কুমিল্লা-৫ (বুড়িচং-ব্রাহ্মণপাড়া) আসনের এমপি হাজী জসীমউদ্দীনের কাছে বিষয়টি যাচাই-বাছাই করে নিয়োগের আহ্বান জানিয়েছেন।

অভিযোগ উঠেছে যে, শুক্রবার প্রকাশিত নিয়োগের ফলাফলে বাকশিমুল ইউনিয়নের কালিকাপুর গ্রামের রেজাউল করিমের ছেলে মাহমুদুল হাসান নিলয়কে সুপারভাইজার পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে ষোলনল ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের আওয়ামী লীগ নেতা ওমর ফারুককে গণনাকারী হিসেবে নিয়োগের অভিযোগ উঠেছে। বিএনপি নেতা মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান মনির হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেছেন, অতি দ্রুত ইউএনও তানভির হোসেনকে প্রত্যাহার করা না হলে তারা অনশনে যেতে বাধ্য হবেন।

তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে বুড়িচং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তানভির হোসেন জানান, তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলো তিনি তদন্ত করে দেখবেন এবং সেই অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।