দেশের বাজারে ডলারের সরবরাহ বৃদ্ধির ফলে দাম কমতে শুরু করেছে। গত দুই সপ্তাহে আন্তঃব্যাংক মুদ্রাবাজারে ডলারের মূল্য কমেছে ১ টাকা ২৪ পয়সা। সোমবার প্রতি ডলার ১২২ টাকা ৫৬ পয়সায় লেনদেন হয়েছে এবং ব্যাংকগুলোতে নগদ ডলার বিক্রি হচ্ছে ১২৪ টাকা দরে। এই পরিস্থিতির মধ্যেও আরও বেশি দামে ডলার কেনাবেচার অনুমতি দাবি করছেন মানিচেঞ্জার ব্যবসায়ীরা।
সোমবার আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে মানি চেঞ্জার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (এমসিএবি) ডলারের নতুন দর নির্ধারণের এই দাবি জানায়। সংগঠনটির পক্ষ থেকে প্রস্তাব করা হয়েছে, তারা প্রতি ডলার ১২৫ টাকা ৫০ পয়সায় কিনে ১২৬ টাকা ৫০ পয়সায় বিক্রি করতে চান।
সংবাদ সম্মেলনে এমসিএবির সভাপতি এমএস জামান বলেন, মানিচেঞ্জারগুলোর জন্য ডলারের অন্যতম প্রধান উৎস হলেন বিদেশফেরত প্রবাসী ও বিদেশ থেকে বৈদেশিক মুদ্রা নিয়ে আসা ব্যক্তিরা। কেন্দ্রীয় ব্যাংক বা কোনো বাণিজ্যিক ব্যাংক তাদের কোনো ধরনের বৈদেশিক মুদ্রা সরবরাহ করে না। তা সত্ত্বেও বাজারে ডলারের দাম বাড়লেই অস্থিরতার জন্য মানিচেঞ্জারদের অন্যায়ভাবে দায়ী করা হয়।
এমএস জামান ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, বৈদেশিক মুদ্রার বাজার নিয়ন্ত্রণ করার কোনো ক্ষমতা মানিচেঞ্জারদের নেই। অথচ বাংলাদেশ ব্যাংক তাদের সঙ্গে সবসময় বিমাতাসুলভ আচরণ করে আসছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, বর্তমান প্রযুক্তির যুগে প্রবাসীরা আন্তর্জাতিক বাজারে ডলারের দর সম্পর্কে সহজেই জানতে পারেন। তাই তারা তাদের কষ্টার্জিত বৈদেশিক মুদ্রা কম দামে বিক্রি করতে চাইবেন—এমনটা আশা করা কোনোভাবেই বাস্তবসম্মত নয়।