পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উদযাপনকে সামনে রেখে সারাদেশে অপ্রীতিকর পরিস্থিতি মোকাবিলায় ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)। আগামী ১২ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি (২৬ আগস্ট) দিবসটি উদযাপিত হবে। এই ধর্মীয় অনুষ্ঠানটি সুষ্ঠু ও নির্বিঘ্ন করতে র‍্যাব প্রশাসন, গোয়েন্দা সংস্থা এবং অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে সার্বক্ষণিক কাজ করছে।

র‍্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দিবসটি পালনের লক্ষ্যে র‍্যাবের প্রতিটি ব্যাটালিয়ন নিরাপত্তা হুমকি পর্যালোচনা করে সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা প্রণয়ন করেছে। এর অংশ হিসেবে দেশের বিভিন্ন স্থানে নিয়মিত টহল জোরদার করা হয়েছে এবং সাদা পোশাকে গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করা হয়েছে। এছাড়া অনুষ্ঠানের স্থানগুলোতে পর্যাপ্ত সংখ্যক ফোর্স মোতায়েন থাকবে। নিরাপত্তা ঝুঁকি বিবেচনায় অনুষ্ঠানের নিরাপত্তায় আগে থেকেই স্কেলিটন ফোর্স মোতায়েন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে র‍্যাব স্থানীয় মসজিদের ইমাম, গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, সামাজিক নেতা এবং নাগরিক নিরাপত্তা কমিটির সদস্যদের কার্যক্রমের সঙ্গে সম্পৃক্ত করেছে। স্বার্থান্বেষী মহল বা কোনো গোষ্ঠীর মাধ্যমে নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড বা অপতৎপরতা রোধে গোয়েন্দা তৎপরতা বাড়ানো হয়েছে। বিতর্কিত ও উসকানিমূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি রোধে র‍্যাব সতর্ক দৃষ্টি রাখছে।

জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় র‍্যাবের বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট ও ডগ স্কোয়াডকে সার্বক্ষণিক প্রস্তুত রাখা হয়েছে। পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টকারী গুজব, বিভ্রান্তিকর তথ্য বা উসকানিমূলক পোস্ট ও ছবি আপলোড চিহ্নিত করতে সাইবার পেট্রোলিং জোরদার করা হয়েছে। র‍্যাব দেশবাসীকে শান্তিপূর্ণ ও নিরাপদ পরিবেশে ঈদে মিলাদুন্নবী পালনের আহ্বান জানিয়েছে এবং যেকোনো সন্দেহজনক ব্যক্তি বা কার্যক্রম সম্পর্কে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে অবহিত করার অনুরোধ করেছে।