ভোলার দৌলতখান উপজেলায় ফেসবুকে পোস্ট দেওয়াকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট সংঘর্ষে মমতাজ ওরফে রাসু বেগম (৪৫) নামে এক নারী নিহত হওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। শুক্রবার সকালে উপজেলার উত্তর জয়নগর ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের নজির ব্যাপারী বাড়ি থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে দৌলতখান থানা পুলিশ। নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ভোলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। নিহত রাসু বেগম ওই বাড়ির জাহাঙ্গীরের স্ত্রী ছিলেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার রাতে নিহতের দেবর বজলু ব্যাপারীর ছেলে মাইনুদ্দিন জমি সংক্রান্ত একটি বিষয় নিয়ে ফেসবুকে পোস্ট দেন। এই পোস্টকে কেন্দ্র করে পাশের বাড়ির কাশেম, তার ছেলে ইকবাল, স্ত্রী রাজিয়া বেগম এবং নিহতের দেবর বজলুর মধ্যে কথা-কাটাকাটি ও সংঘর্ষ শুরু হয়। এক পর্যায়ে রাসু বেগম সংঘর্ষ থামাতে গেলে তাকে এলোপাতাড়ি মারধর করা হয়। এতে তিনি গুরুতর আহত হন এবং পরবর্তীতে রাত ১টার দিকে তার মৃত্যু হয়।

ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত কাশেমের ছেলে ইকবাল পলাতক রয়েছেন। তবে এ ঘটনায় অভিযুক্ত কাশেম ও তার স্ত্রীকে পুলিশ হেফাজতে নিয়েছে। নিহতের মেয়ে রুবিনা বেগম অভিযোগ করে বলেন, তার মাকে কাশেম, ইকবাল ও রাজিয়া বেগম পিটিয়ে হত্যা করেছে এবং তিনি এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবি করেছেন।

দৌলতখান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফখরুল ইসলাম জানান, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পরই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।