দেশের বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে থাকা লুণ্ঠিত ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে সাধারণ মানুষের প্রতি বিশেষ আহ্বান জানিয়েছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)। শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে এসআরবির মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বাহিনীর লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক উইং কমান্ডার এম জেড এম ইন্তেখাব চৌধুরী এ তথ্য জানান। তিনি জানান, তথ্যদাতাকে কোনো আইনি জটিলতায় না ফেলে সরকারি নিয়মে পুরস্কৃত করা হবে।

উইং কমান্ডার এম জেড এম ইন্তেখাব চৌধুরী বলেন, সরকার ও এসআরবির পক্ষ থেকে লুণ্ঠিত অস্ত্র উদ্ধারে বিশেষ ক্যাম্পেইন চালানো হচ্ছে। ইতোমধ্যে সেনাবাহিনী, পুলিশ ও এসআরবির যৌথ অভিযানে প্রচুর অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। তবে খুলনা, রাজশাহী ও চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন এলাকায় এখনও কিছু অবৈধ অস্ত্রের অবস্থান সম্পর্কে তথ্য থাকলেও পর্যাপ্ত তথ্যের অভাবে সেগুলো শনাক্ত করা কঠিন হচ্ছে। তিনি সাধারণ মানুষকে নির্ভয়ে এসব তথ্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জানানোর আহ্বান জানান।

তিনি আরও বলেন, এমনও হতে পারে যে, কেউ পরিস্থিতির কারণে বা তাৎক্ষণিকভাবে কোনো ঘটনার সময় অস্ত্র নিয়ে গেছেন, কিন্তু তার কোনো দুরভিসন্ধি নেই। এখন আইনি ভয়ে তারা অস্ত্রগুলো জমা দিতে পারছেন না। এসআরবি এই সমস্যার সমাধানে উদ্যোগী হয়েছে। তিনি বলেন, আপনারা অস্ত্রগুলো কোনো একটি জায়গায় রেখে আমাদের তথ্য দিন। দুটি পিস্তল, একটি রাইফেল বা ১০টি ম্যাগাজিন—এতটুকু তথ্যই আমাদের জন্য যথেষ্ট। আমরা গিয়ে সেগুলো সংগ্রহ করব এবং তথ্যদাতাকে কোনো আইনি ঝামেলায় পড়তে হবে না।

মোহাম্মদপুরের অপরাধ পরিস্থিতি নিয়ে ইন্তেখাব চৌধুরী বলেন, অপরাধপ্রবণতা কমিয়ে আনা একটি চলমান প্রক্রিয়া। এক রাতের মধ্যে পুরো পরিস্থিতির পরিবর্তন সম্ভব নয়। তবে অপরাধপ্রবণ এলাকায় এসআরবির সদস্য সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে, গোয়েন্দা তৎপরতা ও সাইবার মনিটরিং জোরদার করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে সম্ভাব্য সব পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে জানিয়ে তিনি মোহাম্মদপুর থেকে অপরাধ নির্মূলে সবার সহযোগিতা চেয়েছেন এবং আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন যে খুব দ্রুতই সেখানে অপরাধ নির্মূল করা সম্ভব হবে।

শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বিকেলে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে এসআরবির মিডিয়া সেন্টারে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানান বাহিনীর লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক উইং কমান্ডার এম জেড এম ইন্তেখাব চৌধুরী।