জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) চলমান অধিবেশনে ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ভাষণ দেওয়ার জন্য মঞ্চে আরোহণ করেন। তিনি মঞ্চে উঠতেই বিভিন্ন দেশের কয়েক ডজন প্রতিনিধি প্রতিবাদস্বরূপ অধিবেশন কক্ষ থেকে বেরিয়ে যান। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে নেতানিয়াহু তাদের ‘নৈতিক কাপুরুষ’ বলে অভিহিত করেছেন।

ভাষণের শুরুতে ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী গোলান মালভূমি, ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধ এবং হিজবুল্লাহ প্রসঙ্গ নিয়ে কথা বলেন। এরপর তিনি ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে নিজের অবস্থান তুলে ধরেন। নেতানিয়াহু দাবি করেন, ইরান যেন পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে না পারে, তা ঠেকানোর প্রতিশ্রুতি তিনি দিয়েছিলেন। তিনি আরও বলেন, ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় হামলা চালানো কঠিন হলেও প্রধানমন্ত্রী হিসেবে এটি ছিল তার নেওয়া ‘সবচেয়ে সহজ সিদ্ধান্তগুলোর একটি’। তিনি মন্তব্য করেন, যদি তারা এই পদক্ষেপ না নিতেন, তবে সবাই মারা যেতেন।

তবে ইরান বরাবরই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে। আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থাও (আইএইএ) ইরান পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করেছে এমন কোনো প্রমাণ পাওয়ার কথা জানায়নি।

এদিকে, জাতিসংঘে নেতানিয়াহুর ভাষণের সময় ওয়াকআউটের পাশাপাশি বাইরে তার সফরের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ হয়েছে। এই বিক্ষোভ থেকে নিউইয়র্ক পুলিশ বিভাগ (এনওয়াইপিডি) কয়েক ডজন ব্যক্তিকে আটক করেছে। আটককৃতদের মধ্যে মার্কিন অভিনেত্রী সুসান সারান্ডনও রয়েছেন। দ্য টেলিগ্রাফের তথ্য অনুযায়ী, সারান্ডন সে সময় ‘ফান্ড পিপল, নট বম্বস’ লেখা একটি টি-শার্ট পরিহিত ছিলেন।