প্রকাশ: ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:৪০ এএম। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জানিয়েছেন, দীর্ঘ দেড় দশকের শাসন ও শোষণের ফলে ক্ষতবিক্ষত বাংলাদেশকে পুনর্গঠনের লক্ষ্যে সরকার ‘থ্রি-আর’ কৌশল অনুসরণ করছে। এই কৌশলের আওতায় রিকভারি, রেস্টোরেশন ও রিকনস্ট্রাকশন—অর্থাৎ পুনরুদ্ধার, পুনর্স্থাপন ও পুনর্গঠনের ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে। বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে বাংলায় ভাষণ দেওয়ার সময় তিনি এ কথা বলেন।
তারেক রহমান বলেন, ২০২৪ সালে বাংলাদেশ ফ্যাসিবাদ মুক্ত হয়েছে এবং দীর্ঘ দেড় দশকের ফ্যাসিবাদী শাসনের অবসান ঘটেছে। তিনি উল্লেখ করেন, ফ্যাসিবাদী শাসনামলে গুম, খুন, অপহরণ, দুর্নীতি, লুটপাট এবং অর্থ পাচারের মতো বিষয়গুলো স্বাভাবিক নিয়মে পরিণত হয়েছিল। সেই অভিশাপ থেকে বেরিয়ে এসে বাংলাদেশ এখন পুনরায় গণতন্ত্রের পথে যাত্রা শুরু করেছে।
প্রধানমন্ত্রী জানান, বাংলাদেশের সামনে বর্তমানে অপার সম্ভাবনার দ্বার উন্মুক্ত হয়েছে। ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ডের সুযোগ কাজে লাগিয়ে কর্মক্ষম জনশক্তিকে দক্ষ মানব সম্পদে রূপান্তরের জন্য সরকার ব্যাপক কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। এছাড়া বাংলাদেশকে একটি ‘ম্যানুফ্যাকচারিং হাব’ হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে বিস্তারিত পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে এবং এই কর্মযজ্ঞে উন্নয়ন সহযোগীদের পাশে চায় বাংলাদেশ।
তরুণ উদ্যোক্তা, গবেষক ও উদ্ভাবকদের উৎসাহিত করতে সরকারের উদ্যোগের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী জানান, স্টার্ট আপ উদ্যোগ বাস্তবায়নের জন্য চলতি অর্থ বছরে ৫০ মিলিয়ন ডলার বরাদ্দ রাখা হয়েছে।