সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়ায় চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েও নিয়োগপত্র পাননি প্রায় দেড় হাজার চাকরিপ্রত্যাশী। দীর্ঘ আট মাস অপেক্ষার পর বিপুলসংখ্যক প্রার্থী ভেরিফিকেশনে বাদ পড়ায় দেশজুড়ে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনার প্রতিবাদে বিভিন্ন জেলায় বিক্ষোভ, মানববন্ধন ও ডিসি বরাবর স্মারকলিপি দিয়েছেন নিয়োগবঞ্চিতরা। বাদ পড়ার কারণ প্রকাশ, পুনঃযাচাই ও আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ চেয়ে তারা এসব কর্মসূচি পালন করে। এ বিষয়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও ছাত্র সংগঠনগুলো তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে।
পরিস্থিতি সামাল দিতে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনের উপস্থিতিতে গতকাল শনিবার সচিবালয়ে জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভা থেকে নিয়োগপত্র বিষয়ে গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভ্রান্তি না ছড়ানোর আহ্বান জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে বঞ্চিতদের পর্যায়ক্রমে নিয়োগপত্র দেওয়া হবে বলে সিদ্ধান্ত হয়। গতকাল মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।