ফ্লাইদুবাইয়ের একটি ফ্লাইটে থাকা ইসরাইলি যাত্রীদের ফিরিয়ে নেওয়ার লক্ষ্যে সামরিক বিমান অবতরণের জন্য তেল আবিব যে অনুরোধ করেছিল, তা সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছে রিয়াদ। বুধবার নিরাপত্তা সূত্রের বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ তথ্য জানিয়েছে।
ঘটনার সূত্রপাত হয় দুবাই থেকে তেল আবিবগামী একটি ফ্লাইটে। উড়োজাহাজটি আকাশে থাকা অবস্থায় এক কো-পাইলট মূল ক্যাপ্টেনকে ছুরিকাঘাত করে বিমানটি বিধ্বস্ত করার চেষ্টা চালান। তবে যাত্রীদের প্রতিরোধ এবং অপর পাইলটদের হস্তক্ষেপে বড় ধরনের দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয়। পরবর্তীতে বিমানটি সৌদি আরবের তাবুক বিমানবন্দরে নিরাপদে অবতরণ করে।
নিরাপত্তা সূত্রটি জানায়, সৌদি ভূখণ্ডে আটকে পড়া নিজেদের নাগরিকদের উদ্ধার করতে ইসরাইলি বিমানবাহিনী ‘সুপার হারকিউলিস’ সামরিক উড়োজাহাজ পাঠানোর প্রস্তুতি নিয়েছিল। তবে সৌদি সরকারের সম্মতি না পাওয়ায় সেই পরিকল্পনা ব্যর্থ হয়। সৌদি আরব ও ইসরাইলের মধ্যে কোনো আনুষ্ঠানিক কূটনৈতিক সম্পর্ক না থাকায় এই অনুরোধ নাকচ করা হয়েছে।
ফ্লাইদুবাই কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তারা বিকল্প বেসামরিক বিমানের মাধ্যমে যাত্রীদের গন্তব্যে পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করেছে।
দীর্ঘদিন ধরেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প আব্রাহাম চুক্তির আওতায় সৌদি আরবকে ইসরাইলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার আহ্বান জানিয়ে আসছেন। তবে ফিলিস্তিনকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া ছাড়া এমন কোনো চুক্তিতে না জড়ানোর বিষয়ে সৌদি আরব তার অবস্থানে অনড় রয়েছে। এছাড়া ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাম্প্রতিক কোনো বৈঠকের দাবিকেও রিয়াদ ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছে।