মধ্যপ্রাচ্যে নিজেদের সামরিক উপস্থিতি আরও শক্তিশালী করতে রণতরী ‘ইউএসএস থিওডর রুজভেল্ট’ পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। স্যান ডিয়েগো ঘাঁটি থেকে স্ট্রাইক গ্রুপসহ রওয়ানা হওয়া এই যুদ্ধজাহাজটি ইরানের কাছাকাছি এলাকায় মোতায়েন করা হবে। এর ফলে চলতি বছরের শেষ নাগাদ ইরানি সীমান্তে মোতায়েন করা মার্কিন বিমানবাহী রণতরীর সংখ্যা দাঁড়াবে তিনে।
একই সাথে অঞ্চলটিতে অতিরিক্ত শক্তি বাড়াতে স্যান ডিয়েগো ঘাঁটি থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাকিন আইল্যান্ড মেরিন এক্সপেডিশনারি ফোর্সের সদস্যরাও যাত্রা করেছেন। স্থলবাহিনীর অংশ হিসেবে এই দলে রয়েছেন দুই হাজারেরও বেশি মার্কিন মেরিন সেনা। একজন মার্কিন সামরিক কর্মকর্তার তথ্য অনুযায়ী, নভেম্বরের শেষ নাগাদ ওই অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের তিনটি বিমানবাহী রণতরী এবং দুটি ল্যান্ডিং গ্রুপ মোতায়েন থাকবে। তিনি জানিয়েছেন, ইরানের সঙ্গে আলোচনার ক্ষেত্রে মার্কিন নেতাদের হাতে বিকল্পের অভাব নেই।
এদিকে, ওয়াশিংটনের সঙ্গে তেহরান দ্রুত কোনো চুক্তিতে পৌঁছাতে ব্যর্থ হলে ভয়াবহ পরিণতির হুমকি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। টেক্সাসে এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, ইরানকে হয় যথাযথ ও বুদ্ধিদীপ্ত পদক্ষেপ নিতে হবে, নতুবা তারা বেশিদিন টিকে থাকতে পারবে না। ট্রাম্প আরও অভিযোগ করেন যে, ইরান কোনো চুক্তির প্রতি যথাযথ সম্মান প্রদর্শন করে না।
বিশ্বব্যাপী জ্বালানি সংকটের বিষয়েও কথা বলেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। বৃহস্পতিবার এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, ওয়াশিংটন ইউরোপের দেশগুলোকে তাদের জরুরি জ্বালানি মজুত থেকে ডিজেল ছাড়ার আহ্বান জানাতে পারে।