আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচে খর্বশক্তির বুর্কিনা ফাসোকে ৭-০ গোলের বিশাল ব্যবধানে হারিয়েছে আর্জেন্টিনা। তবে বুয়েনস আইরেসের মনুমেন্তাল স্টেডিয়ামে রবিবারের এই একপেশে ম্যাচের মূল আলোচনার বিষয় ছিল সফরকারী আফ্রিকান দেশটির দল গঠন প্রক্রিয়া। চার্টার বিমান সংক্রান্ত জটিলতায় জাতীয় দলের অধিকাংশ ফুটবলার ম্যাচটিতে অংশ নিতে অস্বীকৃতি জানান। ফলে ম্যাচ শুরুর মাত্র পাঁচ ঘণ্টা ১৫ মিনিট আগে কাসাব্লাঙ্কা থেকে পৌঁছানো অনূর্ধ্ব-২৩ দলের তরুণদের নিয়েই স্কোয়াড সাজাতে বাধ্য হন বুর্কিনা ফাসোর কোচ আমির আব্দোউ। যদিও মূল দলের মিডফিল্ডার চেক বেবেল দৌউম্বিয়া দলে থাকায় দলটিকে পুরোপুরি অনূর্ধ্ব-২৩ বলা সম্ভব নয়।
দীর্ঘ ভ্রমণের ক্লান্তি ও অনভিজ্ঞ ডিফেন্স নিয়ে মাঠে নামা বুর্কিনা ফাসোর তরুণদের বিপক্ষে শুরু থেকেই আক্রমণের ঝড় তোলে বিশ্বকাপ রানার্স-আপ আর্জেন্টিনা। ম্যাচের ৪র্থ মিনিটে লাওতারো মার্টিনেজ পেনাল্টি থেকে গোল করে দলের হয়ে গোলের খাতা খোলেন। ৯ মিনিটে বুর্কিনা ফাসোর ডিফেন্ডার মাউমানি দিয়ালোর আত্মঘাতী গোলে ব্যবধান দ্বিগুণ হয়। এরপর ১৩ মিনিটে প্রেস্তিয়ান্নি, ৩৫ মিনিটে নিকো পাজ এবং ৩৬ মিনিটে হুলিয়ান আলভারেস গোল করলে প্রথমার্ধেই ৫-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় লিওনেল স্কালোনির শিষ্যরা।
দ্বিতীয়ার্ধে আর্জেন্টিনা কিছুটা রক্ষণাত্মক হয়ে মূল একাদশের খেলোয়াড়দের তুলে নিয়ে তরুণদের বাজিয়ে দেখে। বদলি নামা ফ্রাঙ্কো মাস্তানতুয়োনো ৫৭ মিনিটে এবং যোগ করা সময়ের তৃতীয় মিনিটে জুলিয়ানো সিমিওনে গোল করে ৭-০ ব্যবধানের জয় নিশ্চিত করেন। স্কালোনি যুগে এটি আর্জেন্টিনার যৌথভাবে সর্বোচ্চ ব্যবধানের জয়; এর আগে ২০২৩ সালে কুরাসাওয়ের বিপক্ষেও তারা একই ব্যবধানে জিতেছিল। আগামী বুধবার বেনিনের বিপক্ষে আর্জেন্টিনার পরবর্তী প্রীতি ম্যাচটি লিওনেল মেসির বিদায়ী ম্যাচ হিসেবে মাঠে গড়াবে।