শনিবার দিবাগত রাতে বাংলাদেশ ও পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে মাত্র ৭৫ মিনিটের ব্যবধানে তিনটি ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। মিয়ানমার, ভারতের মিজোরাম ও ত্রিপুরায় এসব ভূমিকম্পের উৎপত্তি হলেও এর কম্পন চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, কুমিল্লা, ফেনী, নোয়াখালী, ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। পরপর এসব ভূমিকম্পে জনমনে উদ্বেগ তৈরি হলেও তাৎক্ষণিকভাবে কোনো হতাহত বা বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।
ইউরোপীয়-ভূমধ্যসাগরীয় সিসমোলজিক্যাল সেন্টারের (ইএমএসসি) তথ্য অনুযায়ী, রাত ১২টা ১২ মিনিটে মিয়ানমার-বাংলাদেশ সীমান্ত এলাকায় ৪ দশমিক ৯ মাত্রার প্রথম ভূমিকম্পটি আঘাত হানে। এর কম্পন কক্সবাজার-টেকনাফ সীমান্তবর্তী এলাকা ও চট্টগ্রামে অনুভূত হয়। এর মাত্র এক মিনিট পর, রাত ১২টা ১৩ মিনিটে ভারতের মিজোরামের লুংলেই এলাকায় ৫ মাত্রার আরেকটি ভূমিকম্প আঘাত হানে, যার প্রভাব চট্টগ্রাম, কুমিল্লা, ফেনী ও নোয়াখালীসহ বিভিন্ন এলাকায় অনুভূত হয়।
সিরিজ ভূমিকম্পের তৃতীয়টি রেকর্ড করা হয় রাত ১টা ২৭ মিনিটে ভারতের ত্রিপুরার ধলাই এলাকায়। ৩ দশমিক ৮ মাত্রার এই ভূমিকম্পের বিষয়টি ভারতের ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজিও নিশ্চিত করেছে। এর কম্পন রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে অনুভূত হয়েছে।
এদিকে, রোববার ভোরে বাংলাদেশে আরও একটি ভূমিকম্প রেকর্ড করা হয়েছে। বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্যমতে, ভোর ৪টার দিকে ঢাকার প্রায় ৪৪৩ কিলোমিটার দূরে ৪ দশমিক ৮ মাত্রার এই ভূকম্পনটি অনুভূত হয়। তবে এই শেষ ভূমিকম্পটির বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য বা ক্ষয়ক্ষতির কোনো খবর তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।