মাদারীপুরের কালকিনিতে পাঁচ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে অভিযুক্ত ব্যক্তির বসতবাড়িতে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করেছে বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী। সোমবার সন্ধ্যায় উপজেলার সাহেবরামপুর এলাকার মধ্যেরচর সাহেবরামপুর গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। এ সময় অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারের দাবিতে প্রায় পাঁচ শতাধিক মানুষ এক ঝাড়ু মিছিল বের করেন।

ভুক্তভোগী পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি সাহেবরামপুর এলাকার ওই শিশুকে বাড়িতে একা পেয়ে একই গ্রামের ৫৭ বছর বয়সী হাবুল শিকদার ধর্ষণের চেষ্টা চালায়। ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর থেকে হাবুল শিকদার এলাকা ছেড়ে আত্মগোপনে চলে যান। পরবর্তীতে তিনি স্থানীয় বিভিন্ন লোকজনের মাধ্যমে ভুক্তভোগী পরিবারকে থানায় মামলা না করার এবং বিষয়টি আপস-মীমাংসা করে নেওয়ার জন্য চাপ দিতে থাকেন।

এতে ক্ষুব্ধ হয়ে সোমবার সন্ধ্যায় ভুক্তভোগী পরিবারকে সঙ্গে নিয়ে গ্রামের প্রায় ৫০০ বাসিন্দা হাবুল শিকদারের বিচারের দাবিতে ঝাড়ু মিছিল বের করেন। মিছিল শেষে একপর্যায়ে উত্তেজিত জনতা অভিযুক্ত হাবুল শিকদারের বসতবাড়িতে চড়াও হয়ে ভাঙচুর চালায় এবং সেখানে আগুন ধরিয়ে দেয়। খবর পেয়ে কালকিনি থানা-পুলিশ ও উপজেলা ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন এবং পরিস্থিতি শান্ত করেন।

ভুক্তভোগী শিশুর বাবা অভিযোগ করে বলেন, "হাবুল শিকদার আমার শিশুকন্যাকে ধর্ষণের চেষ্টা করেছে। আমি এর সঠিক বিচার চেয়েও পাইনি। তাই এলাকাবাসী ক্ষিপ্ত হয়ে হাবুলের বাড়িতে আগুন দিয়েছে। এ ঘটনায় আমি থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছি।"

ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত হাবুল শিকদার ও তার পরিবারের সদস্যরা পলাতক থাকায় এ বিষয়ে তাদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

কালকিনি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জহিরুল আলম জানান, খবর পাওয়ার পরপরই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। বর্তমানে এলাকার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ও শান্ত রয়েছে।

মাদারীপুরের কালকিনিতে ৫ বছর বয়সের এক শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ এনে অভিযুক্তের বসতবাড়ি ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করেছে বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী। এ সময় বিক্ষুব্ধ জনতা ওই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তারের দাবিতে ঝাড়ু মিছিল করেছে।

ভুক্তভোগী ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার সাহেবরামপুর এলাকার মধ্যেরচর সাহেবরামপুর গ্রামের ৫ বছরের এক শিশুকে সম্প্রতি বাড়িতে একা পেয়ে ধর্ষণচেষ্টা চালায় একই গ্রামের হাবুল শিকদার (৫৭)। এ বিষয়টি এলাকায় জানাজানি হলে হাবুল শিকদার গা ঢাকা দিয়ে থাকেন। পরে হাবুল শিকদার ওই বিষয়টি নিয়ে আপস-মীমাংসা করার জন্য এবং থানায় মামলা না ক