জ্বালানি তেল, সিলিন্ডার গ্যাস এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের অস্বাভাবিক ঊর্ধ্বগতিতে তীব্র ক্ষোভ ও উদ্বেগ প্রকাশ করেছে খেলাফত মজলিস। রাজধানীর পল্টনে অবস্থিত দলটির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে বুধবার সন্ধ্যায় অনুষ্ঠিত কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সভায় নেতারা এই পরিস্থিতির তীব্র সমালোচনা করেন। বৃহস্পতিবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে সভার বিস্তারিত তথ্য জানানো হয়।

সভায় নেতারা অভিযোগ করেন যে, সরকার দফায় দফায় জ্বালানি তেল, গ্যাস ও বিদ্যুতের দাম বাড়িয়ে জনজীবনকে বিপর্যস্ত করে তুলেছে। এর ফলে বাস ভাড়াসহ নিত্যপণ্যের দাম আরেক দফা বৃদ্ধি পেয়েছে এবং মূল্যস্ফীতি সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে গেছে। এই পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষের পক্ষে টিকে থাকা অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়েছে বলে তারা মন্তব্য করেন।

খেলাফত মজলিসের নেতারা অবিলম্বে জ্বালানি তেল ও বিদ্যুৎসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে নিয়ে আসার এবং বর্ধিত জ্বালানি মূল্য প্রত্যাহারের জোর দাবি জানান। একইসঙ্গে তারা দেশে শিশু-কিশোর হত্যা, ধর্ষণ ও নির্যাতনের ক্রমবর্ধমান হারের বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে কিশোর গ্যাং, মাদক সরবরাহকারী ও সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণের আহ্বান জানান।

সংবিধান সংস্কারের বিষয়ে সভায় নেতারা বলেন, সরকার জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের চেতনা ও জনগণের রায়কে উপেক্ষা করে একতরফা ‘সংবিধান সংশোধন কমিটি’র মাধ্যমে বিতর্কিত সংবিধান রক্ষার পাঁয়তারা করছে। তারা সরকারকে উদ্দেশ্য করে বলেন, জনগণ একবার রায় দিয়েছে, তা বাস্তবায়ন করুন। এসব নাটক বন্ধ করে সংসদে প্রতিনিধিত্বকারী সকল রাজনৈতিক দলের সমন্বয়ে ‘সংবিধান সংস্কার পরিষদ’ গঠন করে গণরায় অনুযায়ী সংবিধানের পূর্ণাঙ্গ রূপরেখা বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিতে হবে।

দলের নায়েবে আমির মাওলানা আহমদ আলী কাসেমীর সভাপতিত্বে এবং মহাসচিব ড. আহমদ আবদুল কাদেরের পরিচালনায় এই মাসিক কেন্দ্রীয় নির্বাহী বৈঠকে দলটির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

তারা বলেছেন, সরকার জ্বালানি তেল, সিলিন্ডার গ্যাসের দাম বাড়িয়ে জনজীবনকে বিপর্যস্তকর পরিস্থিতির দিকে ঠেলে দিয়েছে। ইতোমধ্যে বাস ভাড়া সহ দ্রব্যমূল্য আরেক দফা বৃদ্ধি পেয়েছে। মূল্যস্ফীতি আরেক দফা বেড়েছে। বিগত ৬ মাসে সরকার দফায় দফায় জ্বালানি তেল, গ্যাস ও বিদ্যুতের দাম বাড়িয়েছে। এই পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষের টিকে থাকা চরম কঠিন

বৈঠকে নেতারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, বিগত গণভোটে জনগণের সুস্পষ্ট রায় ও জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের চেতনাকে উপেক্ষা করে একতরফা ‘সংবিধান সংশোধন কমিটি’র মাধ্যমে সরকার ৭২এর বিতর্কিত সংবিধান রক্ষার পাঁয়তারা করছে। এখন নতুন করে গণভোট আয়োজনের কথা বলছে। আমরা সরকারকে বলবো, জনগণ একবার রায় দিয়েছে, তা বাস্তবায়ন করুন। এসব নাটক বন্ধ কর