চ্যাম্পিয়নস লীগের ম্যাচে ইস্তাম্বুলের মাঠে গ্যালাতাসারাইয়ের বিপক্ষে পিছিয়ে পড়েও ৪-১ গোলের বড় জয় পেয়েছে বার্সেলোনা। হান্সি ফ্লিকের আক্রমণাত্মক কৌশলের সামনে তুর্কি চ্যাম্পিয়নরা এদিন কোণঠাসা ছিল।

ম্যাচের শুরুর দিকে বল দখলে বার্সেলোনা মনোযোগ দিলেও খেলার ধারার বিপরীতে ২৮ মিনিটে গোল খেয়ে পিছিয়ে পড়ে তারা। রাফায়েল লিয়াওর পাস থেকে আলেক্সি বাত্রাকভের শট জোয়াও কানসেলোর গায়ে লেগে জালে জড়ায়। এর কিছুক্ষণ পর গ্যালাতাসারাইয়ের বারিশ আলপের ইলমাজ গোল করে ব্যবধান বাড়ানোর ইঙ্গিত দিলেও ভিএআর প্রযুক্তিতে অফসাইডের কারণে তা বাতিল করা হয়।

এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে বার্সেলোনা ম্যাচে ফিরে আসে। প্রথমার্ধের শেষ দিকে দানি ওলমোর সহায়তায় চমৎকার এক কার্লিং শটে দলকে সমতায় ফেরান কানসেলো। দ্বিতীয়ার্ধের ৫০ মিনিটে লামিন ইয়ামালের ক্রস থেকে হেডে গোল করে বার্সাকে এগিয়ে নেন ফেরমিন লোপেস। এর তিন মিনিট পরেই ইয়ামালের দুর্দান্ত পাস থেকে নিখুঁত শটে চ্যাম্পিয়নস লীগে বার্সার জার্সিতে নিজের প্রথম গোলটি করেন অ্যান্থনি গর্ডন। ম্যাচের শেষ দিকে গর্ডনের বদলি হিসেবে নামা কারিম আদিয়েমিও গোল করে ব্যবধান ৪-১ করেন।

হান্সি ফ্লিকের অধীনে চ্যাম্পিয়নস লীগে বার্সেলোনার গোল সংখ্যা এখন ২৮ ম্যাচে ৮৪, যা ম্যাচপ্রতি গড়ে ৩টি। ১৯৯২-৯৩ মৌসুমে নতুন আঙ্গিকে চ্যাম্পিয়নস লীগ শুরুর পর নির্দিষ্ট কোনো কোচের অধীনে এটি সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ড। প্রথম দুই ম্যাচে পূর্ণ ৬ পয়েন্ট নিয়ে আগামী ২০শে অক্টোবর প্যারিস সেইন্ট-জার্মেইর (পিএসজি) মুখোমুখি হবে বার্সেলোনা।