সাভারের ভাকুর্তা ও তেঁতুলঝোড়ায় গ্রাম আদালতসহ বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প পরিদর্শন করলেন উপপরিচালক
মোঃ রনি হাবিব
সাভার (ঢাকা) বিশেষ প্রতিনিধি
ঢাকার সাভার উপজেলার ভাকুর্তা ও তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়ন পরিষদে গ্রাম আদালতের কার্যক্রম এবং বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের অগ্রগতি সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক (উপসচিব) জনাব মো. নাজমুস সাকিব। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর ২০২৬) সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত তিনি ইউনিয়ন দুটিতে পরিদর্শন কার্যক্রম পরিচালনা করেন।
পরিদর্শনকালে গ্রাম আদালতের সার্বিক কার্যক্রম, মামলা গ্রহণ ও নিষ্পত্তি, প্রয়োজনীয় নথিপত্র সংরক্ষণ এবং ইউনিয়ন পরিষদের বিভিন্ন প্রশাসনিক ও উন্নয়নমূলক কার্যক্রমের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করা হয়। পাশাপাশি গ্রাম আদালতের কার্যক্রম আরও গতিশীল করা, সেবার মান বৃদ্ধি এবং সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় সহজে ও স্বল্প খরচে ন্যায়বিচার পৌঁছে দেওয়ার বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়।
ভাকুর্তা ইউনিয়ন পরিষদ পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান মো. জাকির হোসেন, প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. মতিউল আলম, হিসাব সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর মো. মোতাহারুল ইসলাম, ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যবৃন্দ, গ্রাম পুলিশ এবং ইউনিয়ন উদ্যোক্তা মো. নাজমুল ইসলাম।
অন্যদিকে, তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়ন পরিষদ পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ও ইউনিয়ন পরিষদের আর্থিক ও প্রশাসনিক ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আল-মামুন, ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. নোমান খান, হিসাব সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর রিপা দাশ, ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যবৃন্দ এবং গ্রাম পুলিশ।
এ সময় ‘বাংলাদেশে গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ (৩য় পর্যায়)’ প্রকল্পের সাভার উপজেলা কো-অর্ডিনেটর ঠাকুর প্রসাদ রায় উপস্থিত ছিলেন।
গ্রাম আদালত গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর ছোটখাটো বিরোধ স্থানীয় পর্যায়ে নিষ্পত্তির একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যবস্থা। এর মাধ্যমে সাধারণ মানুষ তুলনামূলক কম সময়ে ও স্বল্প খরচে ন্যায়বিচার পাওয়ার সুযোগ পান। মাঠপর্যায়ে এ ধরনের পরিদর্শন গ্রাম আদালতের কার্যক্রমের অগ্রগতি পর্যালোচনা, সেবার মানোন্নয়ন এবং ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক ও উন্নয়নমূলক কার্যক্রমের বাস্তব চিত্র মূল্যায়নে সহায়ক ভূমিকা রাখে।
সংশ্লিষ্টদের মতে, নিয়মিত তদারকি, কার্যকর সমন্বয় এবং দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের আন্তরিক প্রচেষ্টার মাধ্যমে গ্রাম আদালতের কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করা সম্ভব। এর ফলে স্থানীয় পর্যায়ে বিরোধ নিষ্পত্তির সুযোগ বাড়ার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের ন্যায়বিচারপ্রাপ্তি সহজ হবে বলে আশা করা হচ্ছে।