গাজীপুরে মহাসড়ক অবরোধ করে শ্রমিক আন্দোলনের জেরে ব্যাপক উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে। সোমবার সকাল থেকে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের সফিপুর পল্লী বিদ্যুৎ ও চন্দ্রা এলাকায় অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন শ্রমিকরা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ও বিজিবির সঙ্গে আন্দোলনকারীদের ধাওয়া-পালটা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। উত্তপ্ত পরিস্থিতিতে গাজীপুরের দেড় শতাধিক কারখানায় ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।

বিক্ষোভের একপর্যায়ে বেলা ১১টার দিকে সফিপুর ও চন্দ্রা এলাকায় মহাসড়ক থেকে শ্রমিকদের ছত্রভঙ্গ করতে চেষ্টা চালায় বিজিবি ও পুলিশ। ওই সময় আন্দোলনকারীদের ছোঁড়া ইটের আঘাতে এক বিজিবি সদস্য আহত হন। পরবর্তীতে দুপুর ১২টার দিকে গাজীপুর মহানগরীর নাওজোর এলাকায় পুলিশের একাধিক গাড়িতে ভাঙচুর চালিয়ে অগ্নিসংযোগ করেন বিক্ষুব্ধ শ্রমিকরা। হামলায় পুলিশের মোট 3টি গাড়ি ভাঙচুর ও আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

উত্তপ্ত পরিস্থিতির খবর সংগ্রহ করতে গিয়ে আহত হয়েছেন সাংবাদিকরাও। নাওজোর এলাকায় অবস্থানকালে সময় টিভির রিপোর্টার ও ক্যামেরা পারসনের ওপর হামলা চালিয়ে তাদের ক্যামেরা ভেঙে ফেলা হয়। একই ঘটনায় এসএ টিভির ক্যামেরা পারসন পায়ে আঘাত পান।

পরিস্থিতি বিষয়ে 02 নভেম্বর 2026 তারিখে (01:54 PM) গাজীপুর শিল্প পুলিশের পুলিশ সুপার আমজাদ হোসেন বলেন, "আজও শ্রমিকরা বিক্ষোভ করছেন৷ শ্রমিক আন্দোলনের কারণে দেড় শতাধিক কারখানা ছুটি দেওয়া হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ রাখতে বিজিবি, জেলা ও মহানগর পুলিশের সঙ্গে শিল্প পুলিশ কাজ করছেন।"