রাজধানীর মিরপুরে আজ মঙ্গলবারও ন্যূনতম মজুরি ৩০ হাজার টাকা করার দাবিতে রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ করেছেন তৈরি পোশাক কারখানার শ্রমিকেরা। সকাল সাড়ে ১০টার দিকে মিরপুর-১১ নম্বর মেট্রোস্টেশনের নিচে জড়ো হয়ে শ্রমিকেরা বিক্ষোভ শুরু করেন। একপর্যায়ে শ্রমিকেরা বিভিন্ন দিক থেকে পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করলে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি সামাল দিতে পুলিশ সাউন্ড গ্রেনেড ও কাঁদানে গ্যাসের শেল নিক্ষেপ করে এবং শ্রমিকদের ধাওয়া দিয়ে ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা চালায়। এ সময় পুলিশ কয়েকজনকে লাঠিপেটা করে বলেও জানা গেছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মিরপুর-১১ নম্বর মেট্রোস্টেশনের পশ্চিম পাশে পুলিশ অবস্থান নিলে মিরপুর-১০ নম্বর, নান্না মার্কেট এলাকার বিভিন্ন গলি এবং মিরপুর-১২ নম্বর দিক থেকে দলে দলে শ্রমিকেরা এসে বিক্ষোভে যোগ দেন। তিন দিক থেকে পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করা হয়। শ্রমিকেরা রাস্তায় বেঞ্চসহ কাঠের আসবাব জড়ো করে আগুন জ্বালিয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন, যা মিরপুর-১১ নম্বর ও আশপাশের এলাকায় উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি করে।
শ্রমিকদের এই আন্দোলন গত কয়েক দিন ধরেই চলছে। শনি ও রোববার মিরপুর-১০, ১১ ও ১২ নম্বরসহ বিভিন্ন এলাকায় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন শ্রমিকেরা। রোববার মিরপুর-১০ নম্বর এলাকায় পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ, পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে। ওইদিন মিরপুর-১১ নম্বর মেট্রোস্টেশনের নিচে পুলিশের একটি গাড়িতে আগুন দেওয়া হয়। এ ঘটনায় পুলিশ বিভিন্ন স্থান থেকে বেশ কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করেছে। এরপর সোমবারও শ্রমিকেরা বিচ্ছিন্নভাবে রাস্তায় নামার চেষ্টা করলে পুলিশ বাধা দেয় এবং কয়েকটি স্থানে কাঁদানে গ্যাসের শেল নিক্ষেপ করে। এই আন্দোলনের জেরে তৃতীয় দিনে প্রায় চার শতাধিক কারখানায় ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।
.বিক্ষোভ-ভাঙচুর, ৩য় দিনে ৪ শতাধিক কারখানায় ছুটি .পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ সাউন্ড গ্রেনেড ও কাঁদানে গ্যাসের শেল ছোড়ে।
এ ঘটনায় মিরপুর-১১ নম্বর ও আশপাশের এলাকায় উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।.মিরপুরে পুলিশের গাড়ি ভাঙচুরে ৫ মামলা, আজও বিচ্ছিন্নভাবে সড়কে নামার চেষ্টা.প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মিরপুর-১১ নম্বর মেট্রোস্টেশনের পশ্চিম পাশে পুলিশ সদস্যরা অবস্থান নিয়েছিলেন।