দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে কক্সবাজার থেকে সেন্টমার্টিন দ্বীপে পর্যটকবাহী জাহাজ চলাচল পুনরায় শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) সকাল থেকে সরকারি অনুমতি পাওয়ার পরপরই পর্যটকদের নিয়ে দ্বীপের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করে জাহাজগুলো। প্রথম দিনে আট শতাধিক যাত্রী নিয়ে তিনটি জাহাজ কক্সবাজার শহরের বাঁকখালী নদীর নুনিয়ারছড়া ঘাট থেকে ছেড়ে গেছে।
জাহাজ চলাচল শুরুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জাহাজমালিকদের সংগঠন সি ক্রুজ অপারেটর ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (স্কোয়াব) সাধারণ সম্পাদক হোসাইন ইসলাম বাহাদুর। তিনি জানিয়েছেন, পর্যটকদের সংখ্যার ওপর ভিত্তি করে সিদ্ধান্ত না নিয়ে বরং প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেই বৃহস্পতিবার সকাল থেকে জাহাজগুলো পরিচালনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
সেন্টমার্টিনগামী তিনটি জাহাজের সম্মিলিত যাত্রী ধারণক্ষমতা দুই হাজার ২৯৮ জন। এর মধ্যে এমভি বার আউলিয়ার ধারণক্ষমতা ৮৫০ জন, এমভি কর্ণফুলীর ৭৩২ জন এবং এমভি টেকনাফের ৭১৬ জন। নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী, এমভি বার আউলিয়া সকাল ৭টায় যাত্রা শুরু করে সেন্টমার্টিন থেকে বেলা আড়াইটায় ফিরবে। এমভি কর্ণফুলী সকাল ৭টা ১৫ মিনিটে ছেড়ে দুপুর ২টা ১৫ মিনিটে ফিরবে এবং এমভি টেকনাফ সকাল ৮টা ১৫ মিনিটে যাত্রা শুরু করে বিকাল সাড়ে ৩টায় কক্সবাজারের উদ্দেশে রওনা দেবে।
সরকারের সংশোধিত নির্দেশনা অনুযায়ী, গত ১ নভেম্বর থেকে আগামী বছরের ১৫ মার্চ পর্যন্ত পর্যটকেরা সেন্টমার্টিনে যাতায়াত এবং রাতযাপন করতে পারবেন। তবে পরিবেশ রক্ষায় প্রতিদিন সর্বোচ্চ ৩ হাজার ৫০০ পর্যটক দ্বীপে যাওয়ার অনুমতি পাবেন। ভ্রমণের ক্ষেত্রে প্রতিটি পর্যটককে ১০০ টাকা পরিবেশ সংরক্ষণ ফি দিতে হবে এবং ট্রাভেল পাশসহ কিউআর কোডযুক্ত টিকিট থাকা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।