ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির মরদেহ ইরাকে এসে পৌঁছেছে। মঙ্গলবার রাতে মরদেহবাহী কফিনটি ইরাকের নাজাফ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করলে তাকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় গ্রহণ করা হয়। এ সময় ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান এবং ইরাকের প্রধানমন্ত্রী আলী আল-জাইদি সেখানে উপস্থিত ছিলেন।

প্রেস টিভির তথ্য অনুযায়ী, বুধবার নাজাফ এবং পবিত্র নগরী কারবালায় আয়োজিত জানাজায় অংশ নেবেন লাখো মানুষ। দেশটিতে খামেনির জানাজা উপলক্ষে বুধবার সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। ইরাকের শিয়া মুসলমানদের কাছে ধর্মীয় নেতা হিসেবে খামেনির বিশেষ গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে।

এর আগে রোববার তেহরানের গ্র্যান্ড স্কয়ারে খামেনির প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এতে আয়াতুল্লাহ জাফর সোবহানী শহীদ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি, তাঁর জামাতা ড. মেসবাহ-উল-হোদা বাঘেরি-কানি, মেয়ে জাহরা হাদ্দাদ-আদেল, ১৪ মাস বয়সী নাতনি জাহরা মোহাম্মদী-গোলপায়েগানি এবং সাইয়েদেহ বুশরা হোসেইনির জানাজার নামাজে ইমামতি করেন।

বুধবার ইরাকের নাজাফে ইমাম আলীর মাজার এবং কারবালায় ইমাম হুসাইন (রা.)-এর মাজার ও হজরত আব্বাসের মাজারে মরদেহ নিয়ে যাওয়া হবে। খামেনির অন্তিম ইচ্ছা অনুযায়ী, আগামী ৯ জুলাই মাশহাদে ইমাম রেজার পবিত্র মাজার প্রাঙ্গণে তাকে সমাহিত করা হবে।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম প্রেস টিভির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।