নতুন রাজনৈতিক নেতৃত্বকে সতর্ক করে দিয়ে রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের সভাপতি হাসনাত কাইয়ূম বলেছেন, জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে কিংবা রাষ্ট্র সংস্কারের গুরুদায়িত্ব এড়িয়ে গেলে জনগণই তাদের উপযুক্ত জবাব দেবে। বৃহস্পতিবার রাজধানীর তোপখানা রোডে রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ‘শহীদ আবু সাঈদ দিবস: আত্মত্যাগ, অভ্যুত্থান, পরিণতি’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।

হাসনাত কাইয়ূম বলেন, সরকার ১৬ জুলাইকে ‘শহীদ দিবস’ হিসেবে পালনের ঘোষণা দিলেও রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন দিনটিকে সুনির্দিষ্টভাবে ‘শহীদ আবু সাঈদ দিবস’ হিসেবে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির দাবি জানাচ্ছে। তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশে বুলেটের অভাব হতে পারে, কিন্তু সেই বুলেটের সামনে বুক পেতে দাঁড়ানো মানুষের অভাব কখনো হবে না। আবু সাঈদের আত্মত্যাগ এই শিক্ষাই দিয়ে গেছে যে, এ দেশে আর কোনো দিন ফ্যাসিবাদের উত্থান হতে দেওয়া হবে না এবং কেউ এমন চেষ্টা করলে তার পরিণতি ভয়াবহ হবে।

আলোচনা সভায় রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক দিদারুল ভূঁইয়া বলেন, সরকার চায় না মানুষ আবু সাঈদকে মনে রাখুক। তাই শহীদ আবু সাঈদ ও জুলাই অভ্যুত্থানের চেতনাকে ধারণ করে সমাজ ও রাষ্ট্র সংস্কারের জন্য দেশবাসীকে ঐক্যবদ্ধ করাই এখন সবার দায়িত্ব।

সংগঠনটির সাংগঠনিক সম্পাদক সোহেল শিকদার অভিযোগ করেন, জুলাই আন্দোলনের সামনের সারিতে থাকা অনেকেই আজ ক্ষুদ্র ব্যক্তিগত স্বার্থের কাছে বিক্রি হয়ে যাচ্ছেন। এতে শহীদ আবু সাঈদের আত্মত্যাগ অসম্মানিত হচ্ছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।