সাতক্ষীরা-৪ (শ্যামনগর) আসনের সংসদ সদস্য ও জামায়াতে ইসলামীর নেতা গাজী নজরুল ইসলাম তার ব্যক্তিগত ও ঘনিষ্ঠ মুহূর্তের ভাইরাল ভিডিও নিয়ে মুখ খুলেছেন। তিনি দাবি করেছেন, এটি কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, বরং একটি পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচার। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে নিরপেক্ষ তদন্ত ও আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন তিনি।
গণমাধ্যমে পাঠানো এক লিখিত বক্তব্যে এমপি গাজী নজরুল ইসলাম ঘটনার প্রেক্ষাপট তুলে ধরে বলেন, গত ১৩ জুলাই তিনি তার প্রথম স্ত্রী মোছা. মাকছুদা বেগম ও দ্বিতীয় স্ত্রী মোছা. মরিয়ম বেগমকে নিয়ে রাজধানীর মগবাজারে দ্বিতীয় স্ত্রীর পিতা মো. মাসুম বিল্লাহর ব্যবসায়িক অফিসে যান। সেখানে অবস্থানকালে তার দ্বিতীয় স্ত্রীর মামা ও গাড়িচালক ওবায়দুল্লাহ গাড়ি দেখার অজুহাতে বাইরে গিয়ে অপরিচিত কয়েক ব্যক্তিকে নিয়ে কক্ষে প্রবেশ করে। এরপর তারা এমপি ও তার পরিবারকে জিম্মি করে এক লাখ টাকা আদায় করে এবং ভাড়ায় ব্যবহৃত গাড়িটি আটকে রেখে আরও কয়েক লাখ টাকা দাবি করে। টাকা দিতে অস্বীকার করায় তারা বিভিন্ন ধরনের হুমকি প্রদান করে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
এমপি গাজী নজরুল ইসলামের দাবি, এই ঘটনার পেছনে দ্বিতীয় স্ত্রীর পিতা মাসুম বিল্লাহর সঙ্গে ওবায়দুল্লাহর পূর্বের পারিবারিক বিরোধ ও ব্যক্তিগত শত্রুতা কাজ করেছে। তিনি আরও বলেন, ওবায়দুল্লাহ তার ও তার স্ত্রীর ব্যক্তিগত ও ঘনিষ্ঠ মুহূর্তের ভিডিও ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দিয়েছে। একটি মহল রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলের জন্য এই ভিডিওকে বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের ঘটনা হিসেবে অপপ্রচার চালাচ্ছে, যা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও মিথ্যা।
লিখিত বক্তব্যে তিনি স্পষ্ট করেছেন যে, গত ১৭ জুন পারিবারিকভাবে এবং প্রথম স্ত্রীর সম্মতিতে মোছা. মরিয়ম বেগমের সঙ্গে তার বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে। ব্যক্তিগত গোপনীয়তা ও সামাজিক মর্যাদা ক্ষুণ্ন করার লক্ষ্যে যারা এই ষড়যন্ত্রে লিপ্ত, তাদের বিরুদ্ধে দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন তিনি।