প্রবাসী বাংলাদেশিদের ভোটার নিবন্ধন প্রক্রিয়া সহজ করার লক্ষ্যে নতুন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। বুধবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে ইসি সচিব আখতার আহমেদ এই তথ্য জানান।
ইসি সচিব জানান, বর্তমানে প্রবাসীদের ভোটার হওয়ার প্রক্রিয়াটি দুটি ধাপে সম্পন্ন হয়। এতদিন প্রবাসীরা আবেদন ফর্ম জমা দেওয়া এবং বায়োমেট্রিক প্রদানের পর তা তদন্তে আসত। তদন্ত শেষ হওয়ার পরেই আবেদনটি আপলোড করা হতো। নতুন ব্যবস্থায়, প্রবাসীরা নিজেরাই বায়োমেট্রিক তথ্য সরাসরি আপলোড করতে পারবেন। নির্বাচন কমিশন সেই তথ্যের যথার্থতা যাচাই করে এখান থেকেই অনুমোদন দিয়ে দেবে। এর ফলে নিবন্ধনের একটি ধাপ কমে আসবে।
এছাড়া ভোটার এলাকা পরিবর্তনের আবেদন এখন থেকে সম্পূর্ণ অনলাইনে গ্রহণ করা হবে এবং এই সেবার জন্য নির্ধারিত সংশোধন ফি প্রযোজ্য হবে।
জন্মতারিখ সংশোধনের বিষয়ে ইসি সচিব বলেন, এখন যাদের পাবলিক পরীক্ষার সনদে (জেএসসি, এসএসসি ও এইচএসসি) জন্মতারিখ উল্লেখ রয়েছে, তাদের সংশোধনের কাজ কেন্দ্রীয়ভাবে না করে মাঠপর্যায় থেকেই সম্পন্ন করা হবে। স্থানীয় পর্যায়ের কর্মকর্তারা পাবলিক পরীক্ষার সনদের তথ্যের ভিত্তিতে এই সংশোধনের ক্ষমতা পাবেন।
ভোটার তালিকাভুক্তির বিষয়ে তিনি আরও জানান, বর্তমানে ১৬ বছর ও তদুর্ধ্ব বয়সীদের জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) জন্য তথ্য সংগ্রহ করা হয়। ১৮ বছর পূর্ণ হলে তারা স্বয়ংক্রিয়ভাবে ভোটার তালিকাভুক্ত হন। এনআইডি তথ্য সংগ্রহের প্রক্রিয়াটি কোন পর্যায় পর্যন্ত নামানো যায়, তা নিয়ে পর্যালোচনা চলছে। এসএসসি, অষ্টম শ্রেণি নাকি প্রাথমিক পর্যায়—কোনটি থেকে এই তথ্য সংগ্রহ শুরু হবে, তা তুলনামূলক বিশ্লেষণের পর সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।
বুধবার (২২ জুলাই) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে এক ব্রিফিংয়ে ইসি সচিব আখতার আহমেদ জানান, ‘প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনের ব্যাপার ছিল টু স্টেপ। প্রবাসীরা ফর্ম জমা দেওয়া এবং বায়োমেট্রিক দেওয়ার পরে আমাদের কাছে তদন্তে আসতো। তদন্ত সম্পন্ন করার পরে সেটা আপলোড হতো। এখন আমরা বলছি, আপনারা আপলোড করে দিবেন বায়োমেট্রিকটা। আমরা এখা