রাঙামাটির কাপ্তাই হ্রদের পানির উচ্চতা নিরাপদ পর্যায়ে নেমে আসায় টানা ১০৭ ঘণ্টা ৪০ মিনিট পর বাঁধের স্পিলওয়ের ১৬টি জলকপাট বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। বুধবার রাত ১১টার দিকে কর্ণফুলী পানি বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র কর্তৃপক্ষ এই সিদ্ধান্ত কার্যকর করে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কেন্দ্রটির ব্যবস্থাপক প্রকৌশলী মাহমুদ হাসান।
প্রকৌশলী মাহমুদ হাসান জানান, গত চার দিন ধরে স্পিলওয়ের ১৬টি জলকপাট দিয়ে পানি নিষ্কাশনের ফলে কাপ্তাই লেকের পানির উচ্চতা ক্রমান্বয়ে হ্রাস পায়। বুধবার রাত ১১টায় লেকের পানির উচ্চতা রেকর্ড করা হয় ১০৩ দশমিক ২৬ ফুট মিন সি লেভেল (এমএসএল)। এ সময় কেন্দ্রটির পাঁচটি উৎপাদন ইউনিট থেকে গড়ে ২২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদিত হচ্ছিল।
এর আগে, গত ১৮ জুলাই সকাল ১১টা ২০ মিনিটে কাপ্তাই লেকের পানির উচ্চতা ১০৪ দশমিক ০৮ ফুট এমএসএল-এ পৌঁছালে তা বিপৎসীমার কাছাকাছি চলে আসে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ওই দিনই স্পিলওয়ের ১৬টি জলকপাট একযোগে ৬ ইঞ্চি করে খুলে দেওয়া হয়েছিল। সেই সময় প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৯ হাজার কিউসেক পানি লেক থেকে কর্ণফুলী নদীতে প্রবাহিত হচ্ছিল। টানা ১০৭ ঘণ্টা ৪০ মিনিট পানি নিষ্কাশনের পর লেকের পানির উচ্চতা নিরাপদ সীমার মধ্যে আসায় কর্তৃপক্ষ সব জলকপাট বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নেয়।