পরিবার সূত্রে জানা গেছে, কিসমত খন্দকার গত কয়েকদিন ধরেই শারীরিক অসুস্থতা বা পেটের সমস্যায় ভুগছিলেন। বুধবার সকালেও তিনি ডাক্তার দেখিয়েছিলেন এবং বিকালে রিপোর্ট নিয়ে পুনরায় চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার কথা ছিল। তবে সেই অ্যাপয়েন্টমেন্টের আগেই তার মৃত্যু হয়। তার ভাতিজা রিসাত বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
প্রয়াত এই সাংবাদিকের মরদেহ বাসা থেকে কাকরাইলের আঞ্জুমান মফিদুলে নিয়ে যাওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। এরপর তাকে তার নিজ বাড়ি টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে নিয়ে যাওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।
খন্দকার মোহাম্মদ আবুল হাসনাত ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ) এবং অর্থ-বাণিজ্য বিষয়ক সাংবাদিকদের সংগঠন ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরাম (ইআরএফ)-এর জ্যেষ্ঠ সদস্য ছিলেন। তার মৃত্যুতে ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরাম গভীর শোক প্রকাশ করেছে।