অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ে আগের সব নিয়োগ বাতিল করে নতুন করে ৮৬ জন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এবং ১৭৯ জন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল নিয়োগ দেয়া হয়েছে। আইন ও বিচার বিভাগের সলিসিটর অনুবিভাগের পৃথক আদেশে গত ৩০ জুলাই বৃহস্পতিবার এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। পরবর্তী আদেশ না হওয়া পর্যন্ত নতুন এসব আইন কর্মকর্তাদের কার্যকাল বহাল থাকবে।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর থেকে অ্যাটর্নি কার্যালয়ের কর্মকর্তাদের ধারাবাহিক পদত্যাগের ঘটনা ঘটে। এর ধারাবাহিকতায় ৮ আগস্ট সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মো. আসাদুজ্জামানকে অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়, যিনি বর্তমানে আইনমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করছেন। এর আগে ১৩ আগস্ট সরকার আইনজীবী মুহাম্মদ আবদুল জব্বার ভুঞা, মোহাম্মদ আরশাদুর রউফ ও মোহাম্মদ অনীক রুশদ হককে অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে নিয়োগ দেয়। পরবর্তীতে ২৮ আগস্ট অন্তর্বর্তী সরকার ৬৬ জন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এবং ১৬১ জন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলকে নিয়োগ প্রদান করেছিল।
এর আগে ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের পর ২৩ জুন অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ের জামায়াতপন্থি হিসেবে পরিচিত ১৮ জন আইন কর্মকর্তা পদত্যাগ করেছিলেন। তাদের মধ্যে সাতজন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এবং ১১ জন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল ছিলেন। তারা জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না হওয়া, বিচার বিভাগের জন্য পৃথক সচিবালয় গঠনে রাষ্ট্রের বিরোধিতা এবং সুপ্রিম কোর্টে বিচারক নিয়োগ অধ্যাদেশ বাতিলের প্রতিবাদে পদত্যাগ করেন। অ্যাটর্নি জেনারেল দপ্তরের ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, এই নতুন নিয়োগের আগে সবমিলিয়ে ৯৩ জন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এবং ২১৩ জন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল দায়িত্বে ছিলেন।