ব্রাজিলের তরুণ ফরোয়ার্ড এন্দ্রিককে নিজেদের দলে ভেড়ানোর জন্য জোর প্রচেষ্টা চালাচ্ছে ইতালির ঐতিহ্যবাহী ক্লাব রোমা। এই সম্ভাব্য চুক্তির বাস্তবসম্মত দিকগুলো যাচাই করার জন্য রোমার ক্রীড়া পরিচালক টনি ডি'আমিকো ইতোমধ্যেই মাদ্রিদ সফর করেছেন।

গত মৌসুমে তৎকালীন কোচ জাবি আলোনসোর অধীনে পর্যাপ্ত সুযোগ না পাওয়ায় এন্দ্রিককে ধারে ফ্রান্সের ক্লাব অলিম্পিক লিঁওতে পাঠিয়েছিল রিয়াল মাদ্রিদ। সেখানে ছয় মাসের সফল সময় কাটানোর পাশাপাশি তিনি ব্রাজিলের হয়ে বিশ্বকাপেও অংশগ্রহণ করেন। এরপর তিনি পুনরায় রিয়ালে ফিরে আসেন, যেখানে বর্তমানে দলের দায়িত্ব পালন করছেন হোসে মরিনিও।

প্রাক্-মৌসুম প্রস্তুতি ম্যাচে ফিওরেন্তিনার বিপক্ষে গোল পেলেও, এন্দ্রিককে নিয়ে এখনো পুরোপুরি আশ্বস্ত হতে পারছেন না মরিনিও। বরং লেভান্তে থেকে ১ দশমিক ৯৪ মিটার উচ্চতার শক্তিশালী স্প্যানিশ স্ট্রাইকার কার্লোস এস্পিকে প্রায় আড়াই কোটি ইউরোতে দলে ভিড়িয়ে তিনি ভিন্ন ধাঁচের একজন ফরোয়ার্ডের প্রতি নিজের আগ্রহের ইঙ্গিত দিয়েছেন।

রোমা কর্তৃপক্ষ অবগত যে, এন্দ্রিককে স্থায়ীভাবে কিনে নেওয়া তাদের পক্ষে কঠিন হবে। তাই তারা নিকো পাজের চুক্তির আদলে একটি বিকল্প পরিকল্পনা করছে। ২০২৪ সালে নিকো পাজকে ৬০ লাখ ইউরোতে কোমোর কাছে ছেড়ে দিয়েছিল রিয়াল, তবে ৯০ লাখ ইউরোতে তাকে ফেরানোর শর্ত রাখা হয়েছিল। পরবর্তীতে পারফরম্যান্সের ভিত্তিতে রিয়াল তাকে ফিরিয়ে নিয়ে আবারও ৬ কোটি ইউরোতে কোমোর কাছে বিক্রি করে এবং আবারও তাকে ফেরানোর শর্ত যুক্ত করে। রোমা এবার এন্দ্রিকের ক্ষেত্রেও একই ধরনের শর্তযুক্ত চুক্তি করতে চায়।

রোমার প্রধান কোচ জিয়ান পিরো গাসপেরিনি শুরুতে মেসন গ্রিনউড কিংবা ক্রিসেনসিও সামারভিলকে দলে আনার পরিকল্পনা করেছিলেন। কিন্তু তারা অন্য ক্লাবে যোগ দেওয়ায় এখন গাসপেরিনির পুরো মনোযোগ এন্দ্রিককে ঘিরে। উল্লেখ্য, ২০৩০ সালের মাঝামাঝি পর্যন্ত এন্দ্রিকের সঙ্গে রিয়ালের চুক্তির মেয়াদ রয়েছে, তাই তাকে দলে টানতে হলে রোমাকে রিয়ালের সঙ্গে বিশেষ সমঝোতায় পৌঁছাতে হবে।