০৫:০৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬, ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গ্রামীণ অর্থনীতির নীরব শক্তি নারী কৃষক

নারী কৃষকের অবদান: গ্রামীণ অর্থনীতিতে নতুন দিগন্ত
বাংলাদেশের গ্রামীণ অর্থনীতিতে নীরব বিপ্লব ঘটাচ্ছেন নারী কৃষকেরা। মাঠে-ঘাটে পুরুষের পাশাপাশি সমানতালে কাজ করে তারা আজ শুধু পরিবারের খাদ্য নিরাপত্তাই নিশ্চিত করছেন না, বরং দেশের সামগ্রিক কৃষি উৎপাদন ও অর্থনীতিতে রাখছেন গুরুত্বপূর্ণ অবদান।
ধান রোপণ, সবজি চাষ, বীজ সংরক্ষণ, হাঁস-মুরগি পালন থেকে শুরু করে গবাদিপশুর যত্ন—প্রতিটি ক্ষেত্রেই নারী কৃষকের সক্রিয় অংশগ্রহণ দিন দিন বাড়ছে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্যমতে, গ্রামীণ কৃষি শ্রমশক্তির একটি বড় অংশ এখন নারী, যা আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় বেশি।
বিশেষ করে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষিতে নারীদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অনেক নারী নিজ উদ্যোগে বাড়ির আঙিনায় সবজি বাগান, ছাদ কৃষি ও জৈব চাষ শুরু করে পরিবারে পুষ্টি চাহিদা পূরণ করছেন। পাশাপাশি উদ্বৃত্ত পণ্য বিক্রি করে অর্জন করছেন আর্থিক স্বচ্ছলতা।
সরকারি ও বেসরকারি বিভিন্ন প্রশিক্ষণ, সহজ ঋণ সুবিধা এবং কৃষিভিত্তিক প্রকল্পে নারীদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধি পাওয়ায় তাদের আত্মবিশ্বাস ও দক্ষতাও বেড়েছে। এর ফলে গ্রামীণ নারীরা এখন শুধু শ্রমিক নন, বরং সফল উদ্যোক্তা হিসেবেও পরিচিত হচ্ছেন।
বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, নারী কৃষকের অবদানকে আরও সুসংগঠিত ও স্বীকৃত করা গেলে গ্রামীণ অর্থনীতিতে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে এবং টেকসই উন্নয়ন আরও গতিশীল হবে। নারী কৃষকের ক্ষমতায়ন মানেই শক্তিশালী কৃষি, শক্তিশালী বাংলাদেশ।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!
জনপ্রিয় সংবাদ

কুড়িগ্রামে শতাধিক গরুকে এলএসডি ভ্যাকসিন প্রদান, খামারিদের নিয়ে উঠান বৈঠক

গ্রামীণ অর্থনীতির নীরব শক্তি নারী কৃষক

প্রকাশিত হয়েছে: ০১:৪৪:০৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২ জানুয়ারী ২০২৬

নারী কৃষকের অবদান: গ্রামীণ অর্থনীতিতে নতুন দিগন্ত
বাংলাদেশের গ্রামীণ অর্থনীতিতে নীরব বিপ্লব ঘটাচ্ছেন নারী কৃষকেরা। মাঠে-ঘাটে পুরুষের পাশাপাশি সমানতালে কাজ করে তারা আজ শুধু পরিবারের খাদ্য নিরাপত্তাই নিশ্চিত করছেন না, বরং দেশের সামগ্রিক কৃষি উৎপাদন ও অর্থনীতিতে রাখছেন গুরুত্বপূর্ণ অবদান।
ধান রোপণ, সবজি চাষ, বীজ সংরক্ষণ, হাঁস-মুরগি পালন থেকে শুরু করে গবাদিপশুর যত্ন—প্রতিটি ক্ষেত্রেই নারী কৃষকের সক্রিয় অংশগ্রহণ দিন দিন বাড়ছে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্যমতে, গ্রামীণ কৃষি শ্রমশক্তির একটি বড় অংশ এখন নারী, যা আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় বেশি।
বিশেষ করে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষিতে নারীদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অনেক নারী নিজ উদ্যোগে বাড়ির আঙিনায় সবজি বাগান, ছাদ কৃষি ও জৈব চাষ শুরু করে পরিবারে পুষ্টি চাহিদা পূরণ করছেন। পাশাপাশি উদ্বৃত্ত পণ্য বিক্রি করে অর্জন করছেন আর্থিক স্বচ্ছলতা।
সরকারি ও বেসরকারি বিভিন্ন প্রশিক্ষণ, সহজ ঋণ সুবিধা এবং কৃষিভিত্তিক প্রকল্পে নারীদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধি পাওয়ায় তাদের আত্মবিশ্বাস ও দক্ষতাও বেড়েছে। এর ফলে গ্রামীণ নারীরা এখন শুধু শ্রমিক নন, বরং সফল উদ্যোক্তা হিসেবেও পরিচিত হচ্ছেন।
বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, নারী কৃষকের অবদানকে আরও সুসংগঠিত ও স্বীকৃত করা গেলে গ্রামীণ অর্থনীতিতে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে এবং টেকসই উন্নয়ন আরও গতিশীল হবে। নারী কৃষকের ক্ষমতায়ন মানেই শক্তিশালী কৃষি, শক্তিশালী বাংলাদেশ।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!