১২:৫৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সাহসী সাংবাদিকতায় হামলা: গোবিন্দগঞ্জে রক্তাক্ত ঘটনা, গ্রেফতার নূর আলম!

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে সাংবাদিকদের উপর ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় ইতোমধ্যে অন্যতম আসামী নূর আলমকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ, তবে মূল হোতা এখনো পলাতক রয়েছে।
গত ৩০ মার্চ দুপুর আনুমানিক আড়াইটার দিকে রাজাহার ইউনিয়নের নওগাঁ (প্রভুরামপুর) এলাকায় একটি সংঘর্ষের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যান গোবিন্দগঞ্জ সাংবাদিক অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ও এশিয়ান টেলিভিশনের প্রতিনিধি মাহমুদ খানসহ তিনজন সাংবাদিক। তারা ভিডিও ধারণ শুরু করলে হঠাৎ করেই তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালানো হয়।
অভিযোগ অনুযায়ী, রাজাহার ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক নুরুন্নবী, তার ভাই নূর আলম এবং অজ্ঞাত আরও ৪-৫ জন লাঠিসোঁটা ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়। এসময় সাংবাদিকদের মারধর করা হয় এবং তাদের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নিয়ে ভেঙে ফেলা হয়।
হামলায় গুরুতর আহত হন সাংবাদিক মাহমুদ খান এবং আওয়ার নিউজের প্রতিনিধি জোবাইদুর রহমান সাগর। পরে খবর পেয়ে স্থানীয় সাংবাদিক ও পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে।
এ ঘটনায় আহত সাংবাদিক মাহমুদ খান বাদী হয়ে গোবিন্দগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেন। জেলা পুলিশ সুপার জসিম উদ্দিনের নির্দেশনায় এবং সি-সার্কেল সহকারী পুলিশ সুপার রশীদুল বারীর তত্ত্বাবধানে গোবিন্দগঞ্জ থানার ওসি মোজাম্মেল হকের নেতৃত্বে পুলিশের একটি বিশেষ দল অভিযান চালিয়ে ভোর রাতে নূর আলমকে গ্রেফতার করে।
পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেফতারকৃত আসামীকে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হবে। অন্যদিকে, হামলার মূল পরিকল্পনাকারী নুরুন্নবী এখনো পলাতক রয়েছে।
এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন গাইবান্ধার প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা এবং সচেতন মহল। তারা দ্রুত নুরুন্নবীসহ সকল জড়িতদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!
জনপ্রিয় সংবাদ

জনপ্রিয় অভিনেত্রী বন্যা মির্জার বাবা মির্জা ফারুকের ইন্তেকাল

সাহসী সাংবাদিকতায় হামলা: গোবিন্দগঞ্জে রক্তাক্ত ঘটনা, গ্রেফতার নূর আলম!

প্রকাশিত হয়েছে: ০৯:০২:৫৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল ২০২৬

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে সাংবাদিকদের উপর ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় ইতোমধ্যে অন্যতম আসামী নূর আলমকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ, তবে মূল হোতা এখনো পলাতক রয়েছে।
গত ৩০ মার্চ দুপুর আনুমানিক আড়াইটার দিকে রাজাহার ইউনিয়নের নওগাঁ (প্রভুরামপুর) এলাকায় একটি সংঘর্ষের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যান গোবিন্দগঞ্জ সাংবাদিক অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ও এশিয়ান টেলিভিশনের প্রতিনিধি মাহমুদ খানসহ তিনজন সাংবাদিক। তারা ভিডিও ধারণ শুরু করলে হঠাৎ করেই তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালানো হয়।
অভিযোগ অনুযায়ী, রাজাহার ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক নুরুন্নবী, তার ভাই নূর আলম এবং অজ্ঞাত আরও ৪-৫ জন লাঠিসোঁটা ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়। এসময় সাংবাদিকদের মারধর করা হয় এবং তাদের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নিয়ে ভেঙে ফেলা হয়।
হামলায় গুরুতর আহত হন সাংবাদিক মাহমুদ খান এবং আওয়ার নিউজের প্রতিনিধি জোবাইদুর রহমান সাগর। পরে খবর পেয়ে স্থানীয় সাংবাদিক ও পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে।
এ ঘটনায় আহত সাংবাদিক মাহমুদ খান বাদী হয়ে গোবিন্দগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেন। জেলা পুলিশ সুপার জসিম উদ্দিনের নির্দেশনায় এবং সি-সার্কেল সহকারী পুলিশ সুপার রশীদুল বারীর তত্ত্বাবধানে গোবিন্দগঞ্জ থানার ওসি মোজাম্মেল হকের নেতৃত্বে পুলিশের একটি বিশেষ দল অভিযান চালিয়ে ভোর রাতে নূর আলমকে গ্রেফতার করে।
পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেফতারকৃত আসামীকে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হবে। অন্যদিকে, হামলার মূল পরিকল্পনাকারী নুরুন্নবী এখনো পলাতক রয়েছে।
এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন গাইবান্ধার প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা এবং সচেতন মহল। তারা দ্রুত নুরুন্নবীসহ সকল জড়িতদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!