০৫:৫৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিমানবন্দর রেলস্টেশন ঘিরে মাদকের অভয়ারণ্য—চোখের সামনে অপরাধ, নীরব প্রশাসন

স্টেশনজুড়ে মাদক লেনদেন ও সেবনের মহড়া, আতঙ্কে যাত্রী—কার ইশারায় চলছে এই চক্র?

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

বিশেষ প্রতিনিধি :
রাজধানীর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশদ্বার বিমানবন্দর রেলস্টেশন এখন যেন ধীরে ধীরে পরিণত হচ্ছে মাদক ব্যবসা ও সেবনের এক অভয়ারণ্যে। প্রতিদিন হাজারো মানুষের যাতায়াত থাকা এই স্টেশন এলাকা সন্ধ্যার পর থেকেই পাল্টে যায় এক ভিন্ন চেহারায়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সক্রিয় হয়ে ওঠে মাদক চক্রের সদস্যরা। স্টেশনের প্ল্যাটফর্ম, রেললাইন সংলগ্ন এলাকা এবং আশপাশের অন্ধকারাচ্ছন্ন স্থানে প্রকাশ্যেই চলে ইয়াবা, গাঁজা ও অন্যান্য মাদকের বেচাকেনা ও সেবন।
এতে করে সাধারণ যাত্রীদের মধ্যে তৈরি হচ্ছে চরম নিরাপত্তাহীনতা। বিশেষ করে নারী, শিশু ও দূর-দূরান্ত থেকে আগত যাত্রীরা পড়ছেন বিব্রতকর ও ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতিতে।
একজন নিয়মিত যাত্রী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “এখানে যা হচ্ছে, তা সবার চোখের সামনে। কিন্তু কার্যকর কোনো পদক্ষেপ চোখে পড়ে না। এতে মনে হয় কেউ না কেউ এই চক্রকে প্রশ্রয় দিচ্ছে।”
অভিযোগ উঠেছে, দীর্ঘদিন ধরে একই চিত্র চললেও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের দৃশ্যমান তৎপরতা নেই। ফলে প্রশ্ন উঠছে—কেন এই নীরবতা? কার স্বার্থে এই অব্যবস্থা?
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, দ্রুত সময়ের মধ্যে কঠোর নজরদারি ও নিয়মিত অভিযান পরিচালনা না হলে বিমানবন্দর রেলস্টেশন এলাকা বড় ধরনের অপরাধের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হতে পারে।
এলাকাবাসী ও সচেতন নাগরিকদের দাবি—মাদকমুক্ত নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে এখনই কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

 

জনপ্রিয় সংবাদ

জনপ্রিয় অভিনেত্রী বন্যা মির্জার বাবা মির্জা ফারুকের ইন্তেকাল

বিমানবন্দর রেলস্টেশন ঘিরে মাদকের অভয়ারণ্য—চোখের সামনে অপরাধ, নীরব প্রশাসন

প্রকাশিত হয়েছে: ০৪:৪৪:০৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩ এপ্রিল ২০২৬

স্টেশনজুড়ে মাদক লেনদেন ও সেবনের মহড়া, আতঙ্কে যাত্রী—কার ইশারায় চলছে এই চক্র?

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

বিশেষ প্রতিনিধি :
রাজধানীর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশদ্বার বিমানবন্দর রেলস্টেশন এখন যেন ধীরে ধীরে পরিণত হচ্ছে মাদক ব্যবসা ও সেবনের এক অভয়ারণ্যে। প্রতিদিন হাজারো মানুষের যাতায়াত থাকা এই স্টেশন এলাকা সন্ধ্যার পর থেকেই পাল্টে যায় এক ভিন্ন চেহারায়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সক্রিয় হয়ে ওঠে মাদক চক্রের সদস্যরা। স্টেশনের প্ল্যাটফর্ম, রেললাইন সংলগ্ন এলাকা এবং আশপাশের অন্ধকারাচ্ছন্ন স্থানে প্রকাশ্যেই চলে ইয়াবা, গাঁজা ও অন্যান্য মাদকের বেচাকেনা ও সেবন।
এতে করে সাধারণ যাত্রীদের মধ্যে তৈরি হচ্ছে চরম নিরাপত্তাহীনতা। বিশেষ করে নারী, শিশু ও দূর-দূরান্ত থেকে আগত যাত্রীরা পড়ছেন বিব্রতকর ও ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতিতে।
একজন নিয়মিত যাত্রী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “এখানে যা হচ্ছে, তা সবার চোখের সামনে। কিন্তু কার্যকর কোনো পদক্ষেপ চোখে পড়ে না। এতে মনে হয় কেউ না কেউ এই চক্রকে প্রশ্রয় দিচ্ছে।”
অভিযোগ উঠেছে, দীর্ঘদিন ধরে একই চিত্র চললেও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের দৃশ্যমান তৎপরতা নেই। ফলে প্রশ্ন উঠছে—কেন এই নীরবতা? কার স্বার্থে এই অব্যবস্থা?
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, দ্রুত সময়ের মধ্যে কঠোর নজরদারি ও নিয়মিত অভিযান পরিচালনা না হলে বিমানবন্দর রেলস্টেশন এলাকা বড় ধরনের অপরাধের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হতে পারে।
এলাকাবাসী ও সচেতন নাগরিকদের দাবি—মাদকমুক্ত নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে এখনই কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।