১২:৫৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

টঙ্গীর লাল মসজিদ এলাকায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড — লোহা পর্যন্ত গলেছে, আতঙ্কে রাত কাটাল বাসিন্দারা

টঙ্গীর লাল মসজিদ এলাকায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড — লোহা পর্যন্ত গলেছে, আতঙ্কে রাত কাটাল বাসিন্দারা

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

বিশেষ প্রতিনিধি:
রাজধানীর পার্শ্ববর্তী শিল্পাঞ্চল টঙ্গীর লাল মসজিদ এলাকায় সোমবার (৬ এপ্রিল ২০২৬) সন্ধ্যা রাতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। আগুনের তীব্রতা এতটাই ছিল যে, ঘটনাস্থলের বিভিন্ন স্থানে লোহা পর্যন্ত গলে যাওয়ার দৃশ্য দেখা যায়। মুহূর্তেই আগুন ছড়িয়ে পড়ে আশপাশের স্থাপনাগুলোতে, ফলে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা করা হচ্ছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, আগুন লাগার পরপরই পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয় বাসিন্দারা নিজেদের সামর্থ্য অনুযায়ী আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা চালান। তবে ফায়ার সার্ভিস পৌঁছাতে বিলম্ব হওয়ায় পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করে।
এসময় এলাকাবাসীর পাশাপাশি জামায়াতে ইসলামীর ৫৫ নং ওয়ার্ডের নেতাকর্মী এবং নিরাপদ সড়ক আন্দোলন (নিসআ)-এর স্বেচ্ছাসেবীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করেন। তারা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে উদ্ধার ও আগুন নেভানোর কাজে অংশ নেন।
পরবর্তীতে ফায়ার সার্ভিসের একাধিক ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে স্থানীয়দের সহযোগিতায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। সম্মিলিত এই প্রচেষ্টায় বড় ধরনের দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এ ঘটনায় এখনো পর্যন্ত হতাহতের সুনির্দিষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি। আগুন লাগার কারণ অনুসন্ধানে কাজ করছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

জনপ্রিয় সংবাদ

জনপ্রিয় অভিনেত্রী বন্যা মির্জার বাবা মির্জা ফারুকের ইন্তেকাল

টঙ্গীর লাল মসজিদ এলাকায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড — লোহা পর্যন্ত গলেছে, আতঙ্কে রাত কাটাল বাসিন্দারা

প্রকাশিত হয়েছে: ০৬:৩৮:৫০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল ২০২৬

টঙ্গীর লাল মসজিদ এলাকায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড — লোহা পর্যন্ত গলেছে, আতঙ্কে রাত কাটাল বাসিন্দারা

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

বিশেষ প্রতিনিধি:
রাজধানীর পার্শ্ববর্তী শিল্পাঞ্চল টঙ্গীর লাল মসজিদ এলাকায় সোমবার (৬ এপ্রিল ২০২৬) সন্ধ্যা রাতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। আগুনের তীব্রতা এতটাই ছিল যে, ঘটনাস্থলের বিভিন্ন স্থানে লোহা পর্যন্ত গলে যাওয়ার দৃশ্য দেখা যায়। মুহূর্তেই আগুন ছড়িয়ে পড়ে আশপাশের স্থাপনাগুলোতে, ফলে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা করা হচ্ছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, আগুন লাগার পরপরই পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয় বাসিন্দারা নিজেদের সামর্থ্য অনুযায়ী আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা চালান। তবে ফায়ার সার্ভিস পৌঁছাতে বিলম্ব হওয়ায় পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করে।
এসময় এলাকাবাসীর পাশাপাশি জামায়াতে ইসলামীর ৫৫ নং ওয়ার্ডের নেতাকর্মী এবং নিরাপদ সড়ক আন্দোলন (নিসআ)-এর স্বেচ্ছাসেবীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করেন। তারা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে উদ্ধার ও আগুন নেভানোর কাজে অংশ নেন।
পরবর্তীতে ফায়ার সার্ভিসের একাধিক ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে স্থানীয়দের সহযোগিতায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। সম্মিলিত এই প্রচেষ্টায় বড় ধরনের দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এ ঘটনায় এখনো পর্যন্ত হতাহতের সুনির্দিষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি। আগুন লাগার কারণ অনুসন্ধানে কাজ করছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।