০৫:৫৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

লালমনিরহাটে শিশু অপহরন করে বলৎকার, অভিযুক্ত ব্যাক্তি ডোমার থেকে গ্রেফতার

লালমনিরহাটে শিশু অপহরন করে বলৎকার, অভিযুক্ত ব্যাক্তি ডোমার থেকে গ্রেফতার

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

অনলাইন নিউজ ডেস্ক: 
লালমনিরহাটের বুড়িমারি এলাকার ১১বছরের এক শিশুকে অপহরন করে নিয়ে গিয়ে রাত ভর বলাৎ কার করার অভিযোগে উঠেছে মাদ্রাসার বড় হুজুর পরিচয় দানকারী এক ব্যাক্তির বিরুদ্ধে, অভিযুক্ত ব্যাক্তিকে ডিমলা থানা থেকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে।

পুলিশ জানায়,৪-৫দিন আগে পাটগ্রাম উপজেলার বুড়িমারি খেলার মাঠ থেকে অভিযুক্ত ব্যাক্তি শিশুটিকে ফুসলিয়ে লালমনিরহাট নিয়ে আসেন, রেল ষ্টেশন সংলগ্ন তার ভাড়া বাড়ীতে শিশুটিকে আটকে রেখে রাতভর তার উপর বলৎকার করেন,
পরদিন শিশুটিকে লালমনিরহাট থেকে ঢাকাগামী ট্রেনে জোর করে উঠিয়ে দিয়ে পালিয়ে যান,শিশুটি ঢাকায় গিয়ে পরিবারের সাথে যোগাযোগ করলে তার বাবা ঢাকা থেকে শিশুটিকে নিয়ে আসেন,বাড়ী এসে শিশুটি তার উপর বর্বরোচিত ঘটনার বর্ননা দিলে যে কোন বিবেকবান মানুষ কে নাড়া দিবে।তবে অভিযুক্ত ব্যাক্তিটির পরিচয় সম্পর্কে শিশুটি বিস্তারিত তথ্য দিতে পারেনি।

এই ঘটনায় ভুক্তভোগী শিশুটির পরিবার থানায় মামলা করলে পাটগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এস আই চয়ন কে তদন্ত কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ দেন,সহকারী পুলিশ সার্কেল চৌকস টিম গঠন করে মামলাটি তদন্ত শুরু করে।বিভিন্ন স্থানের সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষন করে তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় অভিযুক্ত ব্যাক্তিকে সনাক্ত করে পুলিশ,নীলফামারি জেলার ডোমার থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত ব্যাক্তিকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসসবাদে পুলিশ জানতে পারে অভিযুক্ত ব্যাক্তি একজন সাইকোপ্যাথিক বলাৎকারী, সে লালমনিরহাট রেল ওয়ে ষ্টেশন এলাকায় বাড়ী ভাড়া নিয়ে থাকতো,নিজেকে মাদ্রাসার একজন বড় হুজুর হিসেবে পরিচয় দিয়ে সাধারন মানুষের কাছে সহানুভূতি নিয়ে চলতেন।এই পরিচয়ের আড়ালে বিভিন্ন জায়গা থেকে শিশু দের ফুসলিয়ে এনে তার বাড়ীতে বলাৎকার করতেন।আদতে কোন মাদ্রাসার সাথে তার সম্পৃক্ততা পায়নি পুলিশ।বিভিন্ন সুত্রে জানা যায় সে মুলত বড়খাতা এলাকায় একটি রেষ্টুরেন্টে হেল্পার হিসেবে কাজ করত।চেহারা সুরতে মাওলানার বেশে থাকায় সে নিজেকে মাদ্রাসার হুজুর পরিচয় দিত।

পাটগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নাজমুল হক
জানান, অভিযুক্ত ব্যাক্তিকে আমরা গ্রেফতার করেছি,জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নিয়ে আসা হয়,প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সে জানায় একাধিক শিশুকে সে বলাৎকার করেছে,তবে তাদের নাম ঠিকানা সে অবগত নয়,মুলত অভিযুক্ত ব্যাক্তি একজন মানসিক বিকারগ্রস্থ।জিজ্ঞাসাবাদ শেষে
আদালতে সোপর্দ করা হয়।তার বিরুদ্ধে শিশু নির্যাতন আইনে মামলা রুজু করা হয়েছে।

ট্যাগ
জনপ্রিয় সংবাদ

যশোর প্রেসক্লাবে সদস্যপদ নিয়ে চরম ক্ষোভ: সাংবাদিক ইউনিয়নের ৭ দিনের আল্টিমেটাম

লালমনিরহাটে শিশু অপহরন করে বলৎকার, অভিযুক্ত ব্যাক্তি ডোমার থেকে গ্রেফতার

প্রকাশিত হয়েছে: ০১:৪৫:৫৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬

লালমনিরহাটে শিশু অপহরন করে বলৎকার, অভিযুক্ত ব্যাক্তি ডোমার থেকে গ্রেফতার

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

অনলাইন নিউজ ডেস্ক: 
লালমনিরহাটের বুড়িমারি এলাকার ১১বছরের এক শিশুকে অপহরন করে নিয়ে গিয়ে রাত ভর বলাৎ কার করার অভিযোগে উঠেছে মাদ্রাসার বড় হুজুর পরিচয় দানকারী এক ব্যাক্তির বিরুদ্ধে, অভিযুক্ত ব্যাক্তিকে ডিমলা থানা থেকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে।

পুলিশ জানায়,৪-৫দিন আগে পাটগ্রাম উপজেলার বুড়িমারি খেলার মাঠ থেকে অভিযুক্ত ব্যাক্তি শিশুটিকে ফুসলিয়ে লালমনিরহাট নিয়ে আসেন, রেল ষ্টেশন সংলগ্ন তার ভাড়া বাড়ীতে শিশুটিকে আটকে রেখে রাতভর তার উপর বলৎকার করেন,
পরদিন শিশুটিকে লালমনিরহাট থেকে ঢাকাগামী ট্রেনে জোর করে উঠিয়ে দিয়ে পালিয়ে যান,শিশুটি ঢাকায় গিয়ে পরিবারের সাথে যোগাযোগ করলে তার বাবা ঢাকা থেকে শিশুটিকে নিয়ে আসেন,বাড়ী এসে শিশুটি তার উপর বর্বরোচিত ঘটনার বর্ননা দিলে যে কোন বিবেকবান মানুষ কে নাড়া দিবে।তবে অভিযুক্ত ব্যাক্তিটির পরিচয় সম্পর্কে শিশুটি বিস্তারিত তথ্য দিতে পারেনি।

এই ঘটনায় ভুক্তভোগী শিশুটির পরিবার থানায় মামলা করলে পাটগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এস আই চয়ন কে তদন্ত কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ দেন,সহকারী পুলিশ সার্কেল চৌকস টিম গঠন করে মামলাটি তদন্ত শুরু করে।বিভিন্ন স্থানের সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষন করে তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় অভিযুক্ত ব্যাক্তিকে সনাক্ত করে পুলিশ,নীলফামারি জেলার ডোমার থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত ব্যাক্তিকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসসবাদে পুলিশ জানতে পারে অভিযুক্ত ব্যাক্তি একজন সাইকোপ্যাথিক বলাৎকারী, সে লালমনিরহাট রেল ওয়ে ষ্টেশন এলাকায় বাড়ী ভাড়া নিয়ে থাকতো,নিজেকে মাদ্রাসার একজন বড় হুজুর হিসেবে পরিচয় দিয়ে সাধারন মানুষের কাছে সহানুভূতি নিয়ে চলতেন।এই পরিচয়ের আড়ালে বিভিন্ন জায়গা থেকে শিশু দের ফুসলিয়ে এনে তার বাড়ীতে বলাৎকার করতেন।আদতে কোন মাদ্রাসার সাথে তার সম্পৃক্ততা পায়নি পুলিশ।বিভিন্ন সুত্রে জানা যায় সে মুলত বড়খাতা এলাকায় একটি রেষ্টুরেন্টে হেল্পার হিসেবে কাজ করত।চেহারা সুরতে মাওলানার বেশে থাকায় সে নিজেকে মাদ্রাসার হুজুর পরিচয় দিত।

পাটগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নাজমুল হক
জানান, অভিযুক্ত ব্যাক্তিকে আমরা গ্রেফতার করেছি,জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নিয়ে আসা হয়,প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সে জানায় একাধিক শিশুকে সে বলাৎকার করেছে,তবে তাদের নাম ঠিকানা সে অবগত নয়,মুলত অভিযুক্ত ব্যাক্তি একজন মানসিক বিকারগ্রস্থ।জিজ্ঞাসাবাদ শেষে
আদালতে সোপর্দ করা হয়।তার বিরুদ্ধে শিশু নির্যাতন আইনে মামলা রুজু করা হয়েছে।