০৪:৫২ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬, ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কুড়িগ্রামে মানববন্ধন: নারী ও শিশু নির্যাতন-হত্যার দ্রুত বিচার এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার দাবি

কুড়িগ্রামে মানববন্ধন: নারী ও শিশু নির্যাতন-হত্যার দ্রুত বিচার এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার দাবি

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি | অনলাইন ডেস্ক

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

দেশে ক্রমবর্ধমান নারী ও শিশু ধর্ষণ, হত্যা ও নির্যাতনের বিরুদ্ধে সরকারের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বাস্তবায়ন এবং সকল মামলার দ্রুত নিষ্পত্তি ও সুষ্ঠু বিচার নিশ্চিতকরণের দাবিতে কুড়িগ্রামে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ রবিবার (২৪ মে) সকাল ১১টায় বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ‘অ্যাসোসিয়েশন ফর অল্টারনেটিভ ডেভেলপমেন্ট’ (AFAD)-এর আয়োজনে কুড়িগ্রাম প্রেসক্লাবের সামনে এই ঘণ্টাব্যাপী মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

অভিভাবকদের চরম উদ্বেগ ও ক্ষোভ

মানববন্ধনে বক্তারা দেশে একের পর এক শিশু ধর্ষণের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন,

“বর্তমানে আমরা অভিভাবকরা আমাদের কন্যা সন্তানদের নিয়ে অত্যন্ত ভীতিকর ও লজ্জাজনক পরিস্থিতির মধ্যে রয়েছি। রামিশা কোনো একক ব্যক্তি বা পরিবারের সন্তান নয়, সে আপনার, আমার—আমাদের সবার সন্তান। রামিশার ধর্ষণকারীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা এখন আমাদের সকলের নৈতিক দায়িত্ব।”

ট্রাইব্যুনাল থাকা সত্ত্বেও পার পেয়ে যাচ্ছে অপরাধীরা

আইন প্রয়োগের সীমাবদ্ধতার কথা উল্লেখ করে বক্তারা আরও বলেন, আমাদের দেশে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন রয়েছে এবং এই সংক্রান্ত বিশেষ ট্রাইব্যুনালও সচল। কিন্তু তা সত্ত্বেও আইনের ফাঁকফোকর বা দীর্ঘসূত্রতার কারণে অপরাধীরা পার পেয়ে যাচ্ছে। ফলে দিন দিন ধর্ষণের মতো জঘন্য অপরাধের সংখ্যা আরও জ্যামিতিক হারে বাড়ছে।

বক্তাদের মূল দাবি

মানববন্ধন থেকে বক্তারা অতি দ্রুত রামিশাসহ সকল নারী ও শিশু নির্যাতনের ঘটনার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে নিষ্পত্তি, অপরাধীদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিতকরণ এবং দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার জন্য সরকারের প্রতি জোর দাবি জানান।

উপস্থিত ব্যক্তিবর্গ

এএফএডি (AFAD) কুড়িগ্রামের উদ্যোগে আয়োজিত এই মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন সংস্থাটির নির্বাহী প্রধান সাইদা ইয়াসমিন, সমন্বয়কারী রেশমা সুলতানা, প্রজেক্ট ম্যানেজার ফারজানা ফৌজিয়া, কার্তিক চন্দ্র সেন, কাজল কুমার রায়সহ স্থানীয় সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, গণমাধ্যমকর্মী ও সাধারণ ও সচেতন নাগরিকবৃন্দ।

জনপ্রিয় সংবাদ

কুড়িগ্রামে শতাধিক গরুকে এলএসডি ভ্যাকসিন প্রদান, খামারিদের নিয়ে উঠান বৈঠক

কুড়িগ্রামে মানববন্ধন: নারী ও শিশু নির্যাতন-হত্যার দ্রুত বিচার এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার দাবি

প্রকাশিত হয়েছে: ০৯:৫৭:০০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৪ মে ২০২৬

কুড়িগ্রামে মানববন্ধন: নারী ও শিশু নির্যাতন-হত্যার দ্রুত বিচার এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার দাবি

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি | অনলাইন ডেস্ক

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

দেশে ক্রমবর্ধমান নারী ও শিশু ধর্ষণ, হত্যা ও নির্যাতনের বিরুদ্ধে সরকারের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বাস্তবায়ন এবং সকল মামলার দ্রুত নিষ্পত্তি ও সুষ্ঠু বিচার নিশ্চিতকরণের দাবিতে কুড়িগ্রামে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ রবিবার (২৪ মে) সকাল ১১টায় বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ‘অ্যাসোসিয়েশন ফর অল্টারনেটিভ ডেভেলপমেন্ট’ (AFAD)-এর আয়োজনে কুড়িগ্রাম প্রেসক্লাবের সামনে এই ঘণ্টাব্যাপী মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

অভিভাবকদের চরম উদ্বেগ ও ক্ষোভ

মানববন্ধনে বক্তারা দেশে একের পর এক শিশু ধর্ষণের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন,

“বর্তমানে আমরা অভিভাবকরা আমাদের কন্যা সন্তানদের নিয়ে অত্যন্ত ভীতিকর ও লজ্জাজনক পরিস্থিতির মধ্যে রয়েছি। রামিশা কোনো একক ব্যক্তি বা পরিবারের সন্তান নয়, সে আপনার, আমার—আমাদের সবার সন্তান। রামিশার ধর্ষণকারীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা এখন আমাদের সকলের নৈতিক দায়িত্ব।”

ট্রাইব্যুনাল থাকা সত্ত্বেও পার পেয়ে যাচ্ছে অপরাধীরা

আইন প্রয়োগের সীমাবদ্ধতার কথা উল্লেখ করে বক্তারা আরও বলেন, আমাদের দেশে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন রয়েছে এবং এই সংক্রান্ত বিশেষ ট্রাইব্যুনালও সচল। কিন্তু তা সত্ত্বেও আইনের ফাঁকফোকর বা দীর্ঘসূত্রতার কারণে অপরাধীরা পার পেয়ে যাচ্ছে। ফলে দিন দিন ধর্ষণের মতো জঘন্য অপরাধের সংখ্যা আরও জ্যামিতিক হারে বাড়ছে।

বক্তাদের মূল দাবি

মানববন্ধন থেকে বক্তারা অতি দ্রুত রামিশাসহ সকল নারী ও শিশু নির্যাতনের ঘটনার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে নিষ্পত্তি, অপরাধীদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিতকরণ এবং দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার জন্য সরকারের প্রতি জোর দাবি জানান।

উপস্থিত ব্যক্তিবর্গ

এএফএডি (AFAD) কুড়িগ্রামের উদ্যোগে আয়োজিত এই মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন সংস্থাটির নির্বাহী প্রধান সাইদা ইয়াসমিন, সমন্বয়কারী রেশমা সুলতানা, প্রজেক্ট ম্যানেজার ফারজানা ফৌজিয়া, কার্তিক চন্দ্র সেন, কাজল কুমার রায়সহ স্থানীয় সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, গণমাধ্যমকর্মী ও সাধারণ ও সচেতন নাগরিকবৃন্দ।