লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০১:৪০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬, ৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পেরুতে শক্তিশালী ভূমিকম্প, অ্যালার্ম বেজে উঠল একাধিক অঞ্চলে

পেরুতে শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) জানিয়েছে, ভূমিকম্পটির মাত্রা ছিল ৬ দশমিক ৭। তবে পেরুর জিওফিজিক্যাল ইনস্টিটিউট বলছে, এর মাত্রা ছিল ৭ দশমিক ২।

স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার দুপুর ১টায় এ ভূমিকম্প আঘাত হানে। এর উৎপত্তিস্থল ছিল ভূপৃষ্ঠের প্রায় ১০৮ কিলোমিটার গভীরে।

ভূমিকম্পের মাত্রা বেশি হলেও তাৎক্ষণিকভাবে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। দেশটির কর্তৃপক্ষ ও দুর্যোগ ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা সংস্থাগুলো বড় ধরনের অবকাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতির কথাও জানায়নি।

ভূকম্পবিদরা জানিয়েছেন, উৎপত্তিস্থল ১০৮ কিলোমিটার গভীরে হওয়ায় ভূপৃষ্ঠে পৌঁছানোর আগেই এর উল্লেখযোগ্য অংশের শক্তি শোষিত হয়েছে। ফলে উপকেন্দ্রের কাছাকাছি এলাকায় মেরকেলি স্কেলে কম্পনের তীব্রতা ছিল ৩ থেকে ৪, অর্থাৎ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের ঝাঁকুনি অনুভূত হয়েছে।

দক্ষিণ ও মধ্য পেরুর বিস্তীর্ণ এলাকায় ভূমিকম্পের কম্পন স্পষ্টভাবে অনুভূত হয়। দেশটির উত্তর ও দক্ষিণাঞ্চলে সাম্প্রতিক সময়ে একের পর এক ভূমিকম্পের ঘটনা ঘটছে।

‘প্যাসিফিক রিং অব ফায়ার’-এ অবস্থিত হওয়ায় পেরুতে প্রায়ই ভূমিকম্প হয়ে থাকে। দেশটির সাম্প্রতিক দশকগুলোর অন্যতম ভয়াবহ ভূমিকম্পটি আঘাত হানে ২০০৭ সালে। ওই বছর ইকা অঞ্চলে ৭ দশমিক ৯ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পে প্রায় ৬০০ মানুষ নিহত হন।

জনপ্রিয় সংবাদ

পেরুতে শক্তিশালী ভূমিকম্প, অ্যালার্ম বেজে উঠল একাধিক অঞ্চলে

প্রকাশিত হয়েছে: ০৩:৩০:৪৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬

পেরুতে শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) জানিয়েছে, ভূমিকম্পটির মাত্রা ছিল ৬ দশমিক ৭। তবে পেরুর জিওফিজিক্যাল ইনস্টিটিউট বলছে, এর মাত্রা ছিল ৭ দশমিক ২।

স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার দুপুর ১টায় এ ভূমিকম্প আঘাত হানে। এর উৎপত্তিস্থল ছিল ভূপৃষ্ঠের প্রায় ১০৮ কিলোমিটার গভীরে।

ভূমিকম্পের মাত্রা বেশি হলেও তাৎক্ষণিকভাবে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। দেশটির কর্তৃপক্ষ ও দুর্যোগ ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা সংস্থাগুলো বড় ধরনের অবকাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতির কথাও জানায়নি।

ভূকম্পবিদরা জানিয়েছেন, উৎপত্তিস্থল ১০৮ কিলোমিটার গভীরে হওয়ায় ভূপৃষ্ঠে পৌঁছানোর আগেই এর উল্লেখযোগ্য অংশের শক্তি শোষিত হয়েছে। ফলে উপকেন্দ্রের কাছাকাছি এলাকায় মেরকেলি স্কেলে কম্পনের তীব্রতা ছিল ৩ থেকে ৪, অর্থাৎ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের ঝাঁকুনি অনুভূত হয়েছে।

দক্ষিণ ও মধ্য পেরুর বিস্তীর্ণ এলাকায় ভূমিকম্পের কম্পন স্পষ্টভাবে অনুভূত হয়। দেশটির উত্তর ও দক্ষিণাঞ্চলে সাম্প্রতিক সময়ে একের পর এক ভূমিকম্পের ঘটনা ঘটছে।

‘প্যাসিফিক রিং অব ফায়ার’-এ অবস্থিত হওয়ায় পেরুতে প্রায়ই ভূমিকম্প হয়ে থাকে। দেশটির সাম্প্রতিক দশকগুলোর অন্যতম ভয়াবহ ভূমিকম্পটি আঘাত হানে ২০০৭ সালে। ওই বছর ইকা অঞ্চলে ৭ দশমিক ৯ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পে প্রায় ৬০০ মানুষ নিহত হন।