লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
১১:২৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬, ৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসীদের ধরতে ব্যর্থ হলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা

চিহ্নিত চাঁদাবাজ, সন্ত্রাসী এবং মাদক ব্যবসায়ীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার জন্য কঠোর নির্দেশনা দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। শনিবার বিকেলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সন্ত্রাসী হামলায় আহত নাক, কান ও গলা বিভাগের প্রধান অধ্যাপক আসাদুর রহমানকে দেখতে গিয়ে তিনি এ কথা জানান। মন্ত্রী স্পষ্ট করে বলেন, ডিএমপিসহ অন্যান্য মেট্রোপলিটন এলাকায় যারা চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত, তাদের অতি দ্রুত হেফাজতে নিতে হবে। দায়িত্ব পালনে কোনো আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য ব্যর্থ হলে তাদের বিরুদ্ধেও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন।

গত ১৭ আগস্ট রাতে রাজধানীর শান্তিনগরে পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টারের চেম্বার থেকে বের হওয়ার পর অধ্যাপক আসাদুর রহমানের ওপর হামলা হয়। তিনি জানান, হামলার আগে চট্টগ্রামের শীর্ষ সন্ত্রাসী ডেভিড ইমনের নামে তাঁর কাছে ১৫ হাজার ডলার চাঁদা দাবি করা হয়েছিল এবং হামলার পরও তাঁকে হুমকি দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত পুলিশ ও ডিবি অভিযান চালিয়ে লক্ষ্মীপুর থেকে একজন এবং ঢাকা থেকে দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে। ঘটনাস্থল থেকেও একজনকে আটক করা হয়েছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, একটি সংঘবদ্ধ চক্র ধনাঢ্য ব্যক্তি, পেশাজীবী, ডাক্তার ও প্রকৌশলীদের টার্গেট করে ভয়ভীতি প্রদর্শন ও চাঁদাবাজি করে আসছে। হামলার মূল হোতা জিজ্ঞাসাবাদে জানিয়েছে যে, ব্যবসায়িক ক্ষতির সম্মুখীন হওয়ার পর সে কিছু সন্ত্রাসীকে নিয়ে এই চাঁদাবাজি চক্র গড়ে তোলে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও জানান, চাঁদাবাজদের পাশাপাশি যদি কোনো পুলিশ সদস্য এই অপকর্মের সঙ্গে জড়িত থাকে, তবে তাদের তালিকাও তৈরি করা হচ্ছে। চিকিৎসকদের নিরাপত্তার বিষয়ে তিনি জানান, দেশের ৫০০টি হাসপাতালে ১০ জন করে আনসার সদস্য মোতায়েন করা হচ্ছে। এছাড়া কোনো চিকিৎসক ব্যক্তিগত নিরাপত্তার প্রয়োজন মনে করলে শটগান বা পিস্তলের লাইসেন্সের জন্য আবেদন করতে পারেন, যা নিয়ম অনুযায়ী গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হবে। ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পুলিশের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান বন্ধের বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সেখানকার স্থানীয় পরিস্থিতি ও পরিবেশ বিবেচনায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। পরিদর্শনের সময় সমাজকল্যাণমন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, আইজিপি মো. আলী হোসেন ফকির, ডিএমপি কমিশনার মোসলেহ্ উদ্দিন আহমদসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। পরে মন্ত্রী ধানমন্ডির আনোয়ার খান মডার্ন হাসপাতালে একই চক্রের হুমকির শিকার ডা. এ কে এম আমিনুল হককেও দেখতে যান।

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরানের ওপর আরও কঠোর অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আসছে

চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসীদের ধরতে ব্যর্থ হলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা

প্রকাশিত হয়েছে: ০২:৩১:৫১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬

চিহ্নিত চাঁদাবাজ, সন্ত্রাসী এবং মাদক ব্যবসায়ীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার জন্য কঠোর নির্দেশনা দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। শনিবার বিকেলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সন্ত্রাসী হামলায় আহত নাক, কান ও গলা বিভাগের প্রধান অধ্যাপক আসাদুর রহমানকে দেখতে গিয়ে তিনি এ কথা জানান। মন্ত্রী স্পষ্ট করে বলেন, ডিএমপিসহ অন্যান্য মেট্রোপলিটন এলাকায় যারা চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত, তাদের অতি দ্রুত হেফাজতে নিতে হবে। দায়িত্ব পালনে কোনো আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য ব্যর্থ হলে তাদের বিরুদ্ধেও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন।

গত ১৭ আগস্ট রাতে রাজধানীর শান্তিনগরে পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টারের চেম্বার থেকে বের হওয়ার পর অধ্যাপক আসাদুর রহমানের ওপর হামলা হয়। তিনি জানান, হামলার আগে চট্টগ্রামের শীর্ষ সন্ত্রাসী ডেভিড ইমনের নামে তাঁর কাছে ১৫ হাজার ডলার চাঁদা দাবি করা হয়েছিল এবং হামলার পরও তাঁকে হুমকি দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত পুলিশ ও ডিবি অভিযান চালিয়ে লক্ষ্মীপুর থেকে একজন এবং ঢাকা থেকে দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে। ঘটনাস্থল থেকেও একজনকে আটক করা হয়েছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, একটি সংঘবদ্ধ চক্র ধনাঢ্য ব্যক্তি, পেশাজীবী, ডাক্তার ও প্রকৌশলীদের টার্গেট করে ভয়ভীতি প্রদর্শন ও চাঁদাবাজি করে আসছে। হামলার মূল হোতা জিজ্ঞাসাবাদে জানিয়েছে যে, ব্যবসায়িক ক্ষতির সম্মুখীন হওয়ার পর সে কিছু সন্ত্রাসীকে নিয়ে এই চাঁদাবাজি চক্র গড়ে তোলে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও জানান, চাঁদাবাজদের পাশাপাশি যদি কোনো পুলিশ সদস্য এই অপকর্মের সঙ্গে জড়িত থাকে, তবে তাদের তালিকাও তৈরি করা হচ্ছে। চিকিৎসকদের নিরাপত্তার বিষয়ে তিনি জানান, দেশের ৫০০টি হাসপাতালে ১০ জন করে আনসার সদস্য মোতায়েন করা হচ্ছে। এছাড়া কোনো চিকিৎসক ব্যক্তিগত নিরাপত্তার প্রয়োজন মনে করলে শটগান বা পিস্তলের লাইসেন্সের জন্য আবেদন করতে পারেন, যা নিয়ম অনুযায়ী গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হবে। ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পুলিশের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান বন্ধের বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সেখানকার স্থানীয় পরিস্থিতি ও পরিবেশ বিবেচনায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। পরিদর্শনের সময় সমাজকল্যাণমন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, আইজিপি মো. আলী হোসেন ফকির, ডিএমপি কমিশনার মোসলেহ্ উদ্দিন আহমদসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। পরে মন্ত্রী ধানমন্ডির আনোয়ার খান মডার্ন হাসপাতালে একই চক্রের হুমকির শিকার ডা. এ কে এম আমিনুল হককেও দেখতে যান।