লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
১২:৩৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬, ৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মন্ত্রিসভার আকার ৫১: দপ্তর বণ্টনে ভারসাম্য নিয়ে রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন

নতুন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীদের শপথ গ্রহণের মধ্য দিয়ে মন্ত্রিসভার আকার বেড়ে এখন ৫১ জনে দাঁড়িয়েছে। প্রধানমন্ত্রী ছাড়া বর্তমানে পূর্ণ মন্ত্রীর সংখ্যা ২৬ এবং প্রতিমন্ত্রীর সংখ্যা ২৪ জন। এর আগে মন্ত্রিসভার সদস্যসংখ্যা ছিল ৪৮ জন, যেখানে প্রধানমন্ত্রী বাদে মন্ত্রী ছিলেন ২৪ জন এবং প্রতিমন্ত্রী ছিলেন ২৩ জন। মন্ত্রিসভার এই সম্প্রসারণ এবং দপ্তর বণ্টনের বর্তমান চিত্র নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে ভারসাম্যের প্রশ্ন উঠেছে।

মন্ত্রিসভার এই নতুন বিন্যাসে দেখা যাচ্ছে, কিছু মন্ত্রণালয়ে মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা দায়িত্ব পালন করছেন। আবার অনেক ক্ষেত্রে একজন মন্ত্রী একাধিক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব সামলাচ্ছেন। কোথাও কোথাও একজন মন্ত্রী তিনটি পর্যন্ত মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করছেন। এর বিপরীতে এমন অনেক মন্ত্রণালয় রয়েছে যেখানে মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী থাকলেও উপদেষ্টা নেই, আবার কোথাও কোথাও মন্ত্রী একাই দায়িত্ব পালন করছেন।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দপ্তর বণ্টন নিয়ে বর্তমানে সবচেয়ে বেশি আলোচনা চলছে। এই মন্ত্রণালয়ে এখন দুজন প্রতিমন্ত্রী দায়িত্ব পালন করছেন। সাধারণত কোনো মন্ত্রণালয়ে মন্ত্রী বা প্রতিমন্ত্রীর উপস্থিতি থাকলেও একই মন্ত্রণালয়ে দুজন প্রতিমন্ত্রী থাকার বিষয়টি বেশ বিরল। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী খলিলুর রহমান। সম্প্রতি হুমায়ুন কবিরকে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে এবং শামা ওবায়েদ ইসলামও প্রতিমন্ত্রী হিসেবে বহাল আছেন। এর ফলে এই মন্ত্রণালয়ে এখন আর কোনো উপদেষ্টা নেই।

এ ছাড়াও মন্ত্রিসভার সদস্য হিসেবে ১০ জন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা এবং প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদায় তিনজন বিশেষ সহকারী রয়েছেন। পাশাপাশি বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধিও প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদায় দায়িত্ব পালন করছেন। পাঁচটি মন্ত্রণালয়ে একাধারে মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপদেষ্টা রয়েছেন এবং দুটি মন্ত্রণালয়ে মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে বিশেষ সহকারী রয়েছেন।

অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে আছেন আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তবে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্বে আছেন মো. জোনায়েদ আবদুর রহিম সাকি। অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টার দায়িত্ব পালন করছেন অধ্যাপক রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর। সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ে মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী, প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়াম এবং উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান রয়েছেন। জাহেদ উর রহমান একই সঙ্গে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা এবং পলিসি ও স্ট্র্যাটেজিবিষয়ক উপদেষ্টার দায়িত্বেও আছেন। তথ্যমন্ত্রী হিসেবে আছেন আন্দালিভ রহমান পার্থ এবং প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী।

প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ে মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী, প্রতিমন্ত্রী মো. নুরুল হক এবং উপদেষ্টা মাহদী আমিন দায়িত্ব পালন করছেন। মাহদী আমিন শিক্ষা, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়েরও উপদেষ্টা। শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বেও আছেন মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী। শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষার প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ।

আবদুল আউয়াল মিন্টু পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী এবং শেখ ফরিদুল ইসলাম প্রতিমন্ত্রী হিসেবে আছেন। স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন এবং প্রতিমন্ত্রী এম এ মুহিত, সঙ্গে বিশেষ সহকারী এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার। স্থানীয় সরকারের মন্ত্রী আবদুল মঈন খান এবং প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় একাই সামলাচ্ছেন সালাহউদ্দিন আহমদ।

শিল্প, বস্ত্র ও পাট এবং বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে আছেন খন্দকার আবদুল মুক্তাদির। শিল্প মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মো. রুহুল কবির রিজভী এবং বস্ত্র ও পাটের প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম। সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌ পরিবহনের দায়িত্বে আছেন শেখ রবিউল আলম। রেলপথ ও সড়ক পরিবহনের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশীদ এবং নৌ পরিবহন ও সেতুর প্রতিমন্ত্রী মো. রাজিব আহসান। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ইকবাল মাহমুদ টুকু এবং প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।

সমাজকল্যাণ ও মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রী আবু জাফর মো. জাহিদ হোসেন এবং সমাজকল্যাণের প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন। ধর্ম মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন (কায়কোবাদ) এবং প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ শামীম কায়সার। মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান ও প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন। ভূমি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী মো. মিজানুর রহমান মিনু এবং প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন। পার্বত্য চট্টগ্রাম মন্ত্রণালয়ের নতুন মন্ত্রী সাচিং প্রু জেরী এবং প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন। খাদ্য মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আফরোজা খানম, প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির। বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত। কৃষি এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ; কৃষির উপদেষ্টা নজরুল ইসলাম খান এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদের প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাহউদ্দিন টুকু। পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী মো. শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি ও প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ।

আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান একাই মন্ত্রণালয় সামলাচ্ছেন। গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের এবং প্রতিমন্ত্রী আহম্মদ সোহেল মনজুর। ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম এবং প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদায় উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ দায়িত্ব পালন করছেন।

এ ছাড়া দুটি মন্ত্রণালয়ে মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও বিশেষ সহকারী আছেন।.ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির নিরঙ্কুশ বিজয়ের পর গত ১৭ ফেব্রুয়ারি শপথ নেয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরকার।

তখন প্রধানমন্ত্রী ছাড়া ২৫ জন মন্ত্রী ও ২৪ জন প্রতিমন্ত্রী শপথ নেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

ইলিশশূন্য বরিশালের পোর্ট রোড আড়ত, হতাশায় মৎস্য ব্যবসায়ীরা

মন্ত্রিসভার আকার ৫১: দপ্তর বণ্টনে ভারসাম্য নিয়ে রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন

প্রকাশিত হয়েছে: ০৪:৩০:৫৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬

নতুন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীদের শপথ গ্রহণের মধ্য দিয়ে মন্ত্রিসভার আকার বেড়ে এখন ৫১ জনে দাঁড়িয়েছে। প্রধানমন্ত্রী ছাড়া বর্তমানে পূর্ণ মন্ত্রীর সংখ্যা ২৬ এবং প্রতিমন্ত্রীর সংখ্যা ২৪ জন। এর আগে মন্ত্রিসভার সদস্যসংখ্যা ছিল ৪৮ জন, যেখানে প্রধানমন্ত্রী বাদে মন্ত্রী ছিলেন ২৪ জন এবং প্রতিমন্ত্রী ছিলেন ২৩ জন। মন্ত্রিসভার এই সম্প্রসারণ এবং দপ্তর বণ্টনের বর্তমান চিত্র নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে ভারসাম্যের প্রশ্ন উঠেছে।

মন্ত্রিসভার এই নতুন বিন্যাসে দেখা যাচ্ছে, কিছু মন্ত্রণালয়ে মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা দায়িত্ব পালন করছেন। আবার অনেক ক্ষেত্রে একজন মন্ত্রী একাধিক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব সামলাচ্ছেন। কোথাও কোথাও একজন মন্ত্রী তিনটি পর্যন্ত মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করছেন। এর বিপরীতে এমন অনেক মন্ত্রণালয় রয়েছে যেখানে মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী থাকলেও উপদেষ্টা নেই, আবার কোথাও কোথাও মন্ত্রী একাই দায়িত্ব পালন করছেন।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দপ্তর বণ্টন নিয়ে বর্তমানে সবচেয়ে বেশি আলোচনা চলছে। এই মন্ত্রণালয়ে এখন দুজন প্রতিমন্ত্রী দায়িত্ব পালন করছেন। সাধারণত কোনো মন্ত্রণালয়ে মন্ত্রী বা প্রতিমন্ত্রীর উপস্থিতি থাকলেও একই মন্ত্রণালয়ে দুজন প্রতিমন্ত্রী থাকার বিষয়টি বেশ বিরল। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী খলিলুর রহমান। সম্প্রতি হুমায়ুন কবিরকে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে এবং শামা ওবায়েদ ইসলামও প্রতিমন্ত্রী হিসেবে বহাল আছেন। এর ফলে এই মন্ত্রণালয়ে এখন আর কোনো উপদেষ্টা নেই।

এ ছাড়াও মন্ত্রিসভার সদস্য হিসেবে ১০ জন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা এবং প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদায় তিনজন বিশেষ সহকারী রয়েছেন। পাশাপাশি বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধিও প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদায় দায়িত্ব পালন করছেন। পাঁচটি মন্ত্রণালয়ে একাধারে মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপদেষ্টা রয়েছেন এবং দুটি মন্ত্রণালয়ে মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে বিশেষ সহকারী রয়েছেন।

অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে আছেন আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তবে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্বে আছেন মো. জোনায়েদ আবদুর রহিম সাকি। অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টার দায়িত্ব পালন করছেন অধ্যাপক রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর। সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ে মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী, প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়াম এবং উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান রয়েছেন। জাহেদ উর রহমান একই সঙ্গে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা এবং পলিসি ও স্ট্র্যাটেজিবিষয়ক উপদেষ্টার দায়িত্বেও আছেন। তথ্যমন্ত্রী হিসেবে আছেন আন্দালিভ রহমান পার্থ এবং প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী।

প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ে মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী, প্রতিমন্ত্রী মো. নুরুল হক এবং উপদেষ্টা মাহদী আমিন দায়িত্ব পালন করছেন। মাহদী আমিন শিক্ষা, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়েরও উপদেষ্টা। শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বেও আছেন মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী। শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষার প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ।

আবদুল আউয়াল মিন্টু পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী এবং শেখ ফরিদুল ইসলাম প্রতিমন্ত্রী হিসেবে আছেন। স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন এবং প্রতিমন্ত্রী এম এ মুহিত, সঙ্গে বিশেষ সহকারী এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার। স্থানীয় সরকারের মন্ত্রী আবদুল মঈন খান এবং প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় একাই সামলাচ্ছেন সালাহউদ্দিন আহমদ।

শিল্প, বস্ত্র ও পাট এবং বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে আছেন খন্দকার আবদুল মুক্তাদির। শিল্প মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মো. রুহুল কবির রিজভী এবং বস্ত্র ও পাটের প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম। সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌ পরিবহনের দায়িত্বে আছেন শেখ রবিউল আলম। রেলপথ ও সড়ক পরিবহনের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশীদ এবং নৌ পরিবহন ও সেতুর প্রতিমন্ত্রী মো. রাজিব আহসান। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ইকবাল মাহমুদ টুকু এবং প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।

সমাজকল্যাণ ও মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রী আবু জাফর মো. জাহিদ হোসেন এবং সমাজকল্যাণের প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন। ধর্ম মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন (কায়কোবাদ) এবং প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ শামীম কায়সার। মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান ও প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন। ভূমি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী মো. মিজানুর রহমান মিনু এবং প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন। পার্বত্য চট্টগ্রাম মন্ত্রণালয়ের নতুন মন্ত্রী সাচিং প্রু জেরী এবং প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন। খাদ্য মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আফরোজা খানম, প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির। বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত। কৃষি এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ; কৃষির উপদেষ্টা নজরুল ইসলাম খান এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদের প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাহউদ্দিন টুকু। পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী মো. শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি ও প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ।

আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান একাই মন্ত্রণালয় সামলাচ্ছেন। গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের এবং প্রতিমন্ত্রী আহম্মদ সোহেল মনজুর। ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম এবং প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদায় উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ দায়িত্ব পালন করছেন।

এ ছাড়া দুটি মন্ত্রণালয়ে মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও বিশেষ সহকারী আছেন।.ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির নিরঙ্কুশ বিজয়ের পর গত ১৭ ফেব্রুয়ারি শপথ নেয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরকার।

তখন প্রধানমন্ত্রী ছাড়া ২৫ জন মন্ত্রী ও ২৪ জন প্রতিমন্ত্রী শপথ নেন।