লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০১:২৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পশ্চিমবঙ্গে ফের পশু কেনাবেচার হাট চালুর সরকারি অনুমতি

পশ্চিমবঙ্গে দীর্ঘ সময় ধরে বন্ধ থাকা পশু কেনাবেচার হাটগুলো পুনরায় চালু করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি রাজ্য মন্ত্রিসভার এক বৈঠকে এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এখন থেকে নির্দিষ্ট সরকারি বিধি ও নিয়ম মেনে এই হাটগুলো পরিচালনা করা যাবে।

বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর রাজ্যজুড়ে পশু কেনাবেচার ওপর কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছিল। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর কঠোর অবস্থানের কারণে তখন থেকেই পশু হাটগুলো বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। দীর্ঘ সময় ধরে এই হাটগুলো বন্ধ থাকায় গ্রামীণ অর্থনীতি বড় ধরনের আঘাতের সম্মুখীন হয়েছিল। বিশেষ করে পশুপালনের ওপর নির্ভরশীল সাধারণ মানুষ ও কৃষকরা চরম সংকটে পড়েছিলেন।

নতুন এই সিদ্ধান্তের বিষয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিস্তারিত জানিয়েছেন আদিবাসী উন্নয়ন ও সংখ্যালঘু কল্যাণবিষয়ক মন্ত্রী ক্ষুদিরাম টুডু। তিনি জানান, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে গ্রামীণ মানুষের স্বার্থ বিবেচনা করেই পশু কেনাবেচাকে একটি স্বচ্ছ ও সুশৃঙ্খল কাঠামোর মধ্যে আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

সরকারি আধিকারিকদের দাবি, আগে পশুহাটে যে বিশৃঙ্খলা ছিল, তা দূর করতে এখন সরকারি নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। এর ফলে অবৈধ কারবার অনেকটাই প্রতিরোধ করা সম্ভব হবে। নতুন এই ব্যবস্থার ফলে কৃষক এবং ক্রেতা উভয় পক্ষই নিরাপদ ও স্বস্তিদায়ক পরিবেশে গবাদিপশুর সঠিক মূল্য পাবেন বলে আশা করা হচ্ছে। এছাড়া রাজ্য থেকে বেআইনি পশু ও গরু পাচারের শিকড় উপড়ে ফেলতে এবং আইনশৃঙ্খলা কঠোর রাখতে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী যে কঠোর অবস্থান নিয়েছিলেন, তা বজায় থাকবে বলেও জানানো হয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

কল্কি-২: দীপিকার চরিত্রে অন্য কেউ নয়, জানালেন পরিচালক

পশ্চিমবঙ্গে ফের পশু কেনাবেচার হাট চালুর সরকারি অনুমতি

প্রকাশিত হয়েছে: ০৫:২৬:০৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পশ্চিমবঙ্গে দীর্ঘ সময় ধরে বন্ধ থাকা পশু কেনাবেচার হাটগুলো পুনরায় চালু করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি রাজ্য মন্ত্রিসভার এক বৈঠকে এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এখন থেকে নির্দিষ্ট সরকারি বিধি ও নিয়ম মেনে এই হাটগুলো পরিচালনা করা যাবে।

বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর রাজ্যজুড়ে পশু কেনাবেচার ওপর কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছিল। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর কঠোর অবস্থানের কারণে তখন থেকেই পশু হাটগুলো বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। দীর্ঘ সময় ধরে এই হাটগুলো বন্ধ থাকায় গ্রামীণ অর্থনীতি বড় ধরনের আঘাতের সম্মুখীন হয়েছিল। বিশেষ করে পশুপালনের ওপর নির্ভরশীল সাধারণ মানুষ ও কৃষকরা চরম সংকটে পড়েছিলেন।

নতুন এই সিদ্ধান্তের বিষয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিস্তারিত জানিয়েছেন আদিবাসী উন্নয়ন ও সংখ্যালঘু কল্যাণবিষয়ক মন্ত্রী ক্ষুদিরাম টুডু। তিনি জানান, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে গ্রামীণ মানুষের স্বার্থ বিবেচনা করেই পশু কেনাবেচাকে একটি স্বচ্ছ ও সুশৃঙ্খল কাঠামোর মধ্যে আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

সরকারি আধিকারিকদের দাবি, আগে পশুহাটে যে বিশৃঙ্খলা ছিল, তা দূর করতে এখন সরকারি নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। এর ফলে অবৈধ কারবার অনেকটাই প্রতিরোধ করা সম্ভব হবে। নতুন এই ব্যবস্থার ফলে কৃষক এবং ক্রেতা উভয় পক্ষই নিরাপদ ও স্বস্তিদায়ক পরিবেশে গবাদিপশুর সঠিক মূল্য পাবেন বলে আশা করা হচ্ছে। এছাড়া রাজ্য থেকে বেআইনি পশু ও গরু পাচারের শিকড় উপড়ে ফেলতে এবং আইনশৃঙ্খলা কঠোর রাখতে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী যে কঠোর অবস্থান নিয়েছিলেন, তা বজায় থাকবে বলেও জানানো হয়েছে।