লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
১০:৫৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কিশোরগঞ্জের নিকলী থানা হাজতে আসামির ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

কিশোরগঞ্জের নিকলী থানা হাজতে থাকা রুবেল (২২) নামে এক আসামির ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে ঘটনাটি ঘটে। নিহত রুবেল নিকলী উপজেলার কারপাশা ইউনিয়নের শহরমূল গ্রামের রাজা হাওলাদারের ছেলে।

থানা ও নিহতের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, রুবেল তার বাবার দায়ের করা একটি সিআর মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ছিলেন। তিনি বাড়িতে অবস্থান করছেন এমন তথ্যের ভিত্তিতে এএসআই আমজাদ হোসেন সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে বৃহস্পতিবার সকালে তাকে গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে আসেন এবং হাজতে রাখেন। পরবর্তীতে ডিউটি অফিসার এএসআই শেফালী আক্তার যখন তাকে আদালতে পাঠানোর জন্য কাগজপত্র প্রস্তুত করছিলেন, তখন বেলা ১১টার দিকে হাজতখানায় রুবেলকে তার পরিহিত শার্ট খুলে গ্রিলের সঙ্গে ফাঁস দেওয়া অবস্থায় দেখতে পান।

ঘটনার বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে নিকলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুবুল আলমকে অবহিত করা হয়। ওসি মাহবুবুল আলম জানান, রুবেল নিয়মিত মাদকসেবী ছিলেন এবং তার উচ্ছৃঙ্খল আচরণের কারণে তার বাবা মামলাটি দায়ের করেছিলেন। ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের অবহিত করার পর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. শহীদুল্লাহ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করেন। তিনি জানিয়েছেন, মরদেহে প্রাথমিকভাবে কোনো ধরনের আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি।

পুলিশ জানিয়েছে, এই ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা রুজু করা হয়েছে এবং ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ কিশোরগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

ট্রাম্প-কিম সম্ভাব্য চুক্তি: এশিয়া ও বৈশ্বিক নিরাপত্তায় বড় বিপদের শঙ্কা

কিশোরগঞ্জের নিকলী থানা হাজতে আসামির ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

প্রকাশিত হয়েছে: ০২:০১:০২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬

কিশোরগঞ্জের নিকলী থানা হাজতে থাকা রুবেল (২২) নামে এক আসামির ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে ঘটনাটি ঘটে। নিহত রুবেল নিকলী উপজেলার কারপাশা ইউনিয়নের শহরমূল গ্রামের রাজা হাওলাদারের ছেলে।

থানা ও নিহতের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, রুবেল তার বাবার দায়ের করা একটি সিআর মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ছিলেন। তিনি বাড়িতে অবস্থান করছেন এমন তথ্যের ভিত্তিতে এএসআই আমজাদ হোসেন সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে বৃহস্পতিবার সকালে তাকে গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে আসেন এবং হাজতে রাখেন। পরবর্তীতে ডিউটি অফিসার এএসআই শেফালী আক্তার যখন তাকে আদালতে পাঠানোর জন্য কাগজপত্র প্রস্তুত করছিলেন, তখন বেলা ১১টার দিকে হাজতখানায় রুবেলকে তার পরিহিত শার্ট খুলে গ্রিলের সঙ্গে ফাঁস দেওয়া অবস্থায় দেখতে পান।

ঘটনার বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে নিকলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুবুল আলমকে অবহিত করা হয়। ওসি মাহবুবুল আলম জানান, রুবেল নিয়মিত মাদকসেবী ছিলেন এবং তার উচ্ছৃঙ্খল আচরণের কারণে তার বাবা মামলাটি দায়ের করেছিলেন। ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের অবহিত করার পর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. শহীদুল্লাহ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করেন। তিনি জানিয়েছেন, মরদেহে প্রাথমিকভাবে কোনো ধরনের আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি।

পুলিশ জানিয়েছে, এই ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা রুজু করা হয়েছে এবং ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ কিশোরগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে।