লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০৪:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ডাকসুর জিএস পদ ফিরে পেলেন রাশেদ খাঁন

দীর্ঘ সাত বছর অপেক্ষার পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদ ফিরে পেয়েছেন মো. রাশেদ খাঁন। ২০১৯ সালের ডাকসু নির্বাচনে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ভোট পাওয়া এই শিক্ষার্থীকে জিএস হিসেবে ঘোষণা করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সিন্ডিকেট। সোমবার (৩১ আগস্ট) অনুষ্ঠিত সিন্ডিকেট সভায় আনুষ্ঠানিকভাবে এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।

বিশ্ববিদ্যালয় সিন্ডিকেট সূত্রে জানা গেছে, নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানীর এমফিলের ছাত্রত্ব নিয়ে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছিল। কমিটির তদন্তে তার ছাত্রত্বকে ‘অবৈধ’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। এরপর বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তাকে শোকজ নোটিশ প্রদান করে। তবে নির্ধারিত সময়ে রাব্বানী সন্তোষজনক জবাব দিতে ব্যর্থ হওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তার ছাত্রত্ব বাতিলের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়। এর ফলে তার ডাকসুর জিএস পদটিও বাতিল হয়ে যায়।

এই পরিবর্তনের পর ২০১৯ সালের ডাকসু নির্বাচনে জিএস পদে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ভোট পাওয়া মো. রাশেদ খাঁনকে ওই পদে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়। নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে এক পোস্টে রাশেদ খাঁন এই সিদ্ধান্তের বিষয়টি নিশ্চিত করে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।

উল্লেখ্য যে, ২০১৯ সালের ১১ মার্চ অনুষ্ঠিত ৩৭তম ডাকসু নির্বাচনে জিএস পদে ১০ হাজার ৪৮৪ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছিলেন গোলাম রাব্বানী। সেই নির্বাচনে বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের প্যানেল থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা রাশেদ খাঁন ৬ হাজার ৬৩ ভোট পেয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে ছিলেন। ওই একই নির্বাচনে ভিপি পদে ১১ হাজার ৬২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছিলেন নুরুল হক নুর।

জনপ্রিয় সংবাদ

ভৈরবে অবৈধ চায়না দুয়ারি জাল ধ্বংস, ব্যবসায়ীকে জরিমানা

ডাকসুর জিএস পদ ফিরে পেলেন রাশেদ খাঁন

প্রকাশিত হয়েছে: ০৩:০০:৩৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

দীর্ঘ সাত বছর অপেক্ষার পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদ ফিরে পেয়েছেন মো. রাশেদ খাঁন। ২০১৯ সালের ডাকসু নির্বাচনে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ভোট পাওয়া এই শিক্ষার্থীকে জিএস হিসেবে ঘোষণা করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সিন্ডিকেট। সোমবার (৩১ আগস্ট) অনুষ্ঠিত সিন্ডিকেট সভায় আনুষ্ঠানিকভাবে এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।

বিশ্ববিদ্যালয় সিন্ডিকেট সূত্রে জানা গেছে, নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানীর এমফিলের ছাত্রত্ব নিয়ে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছিল। কমিটির তদন্তে তার ছাত্রত্বকে ‘অবৈধ’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। এরপর বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তাকে শোকজ নোটিশ প্রদান করে। তবে নির্ধারিত সময়ে রাব্বানী সন্তোষজনক জবাব দিতে ব্যর্থ হওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তার ছাত্রত্ব বাতিলের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়। এর ফলে তার ডাকসুর জিএস পদটিও বাতিল হয়ে যায়।

এই পরিবর্তনের পর ২০১৯ সালের ডাকসু নির্বাচনে জিএস পদে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ভোট পাওয়া মো. রাশেদ খাঁনকে ওই পদে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়। নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে এক পোস্টে রাশেদ খাঁন এই সিদ্ধান্তের বিষয়টি নিশ্চিত করে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।

উল্লেখ্য যে, ২০১৯ সালের ১১ মার্চ অনুষ্ঠিত ৩৭তম ডাকসু নির্বাচনে জিএস পদে ১০ হাজার ৪৮৪ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছিলেন গোলাম রাব্বানী। সেই নির্বাচনে বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের প্যানেল থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা রাশেদ খাঁন ৬ হাজার ৬৩ ভোট পেয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে ছিলেন। ওই একই নির্বাচনে ভিপি পদে ১১ হাজার ৬২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছিলেন নুরুল হক নুর।