লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
১২:৩০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ১৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মেসি নয়, রোনালদোই আমার অনুপ্রেরণা: মোস্তফা জিকো

বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নেওয়ার পর নিজের ব্যক্তিগত পছন্দ ও অভিজ্ঞতা নিয়ে মুখ খুলেছেন মিসরের ফরোয়ার্ড মোস্তফা জিকো। ২০২৬ বিশ্বকাপে ফারাওদের অন্যতম সেরা পারফরমার হিসেবে তিনি পাঁচ ম্যাচে দুই গোল করার পাশাপাশি একটি অ্যাসিস্টও করেছেন। টুর্নামেন্টের শিরোপাধারী আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ম্যাচেও গোল করেছিলেন ২৯ বছর বয়সী এই ফরোয়ার্ড। সেই ম্যাচে আর্জেন্টিনা ৩-২ গোলে জয়ী হলেও, মিসরের হয়ে জিকোর আরও একটি গোল বিল্ডআপে ফাউলের কারণে বাতিল করা হয়েছিল।

আর্জেন্টিনার বিপক্ষে সেই হাইভোল্টেজ ম্যাচ নিয়ে জিকো জানান, মাঠে লিওনেল মেসির উপস্থিতি তাকে মোটেও চাপে ফেলতে পারেনি। মেসিকে ফুটবল ইতিহাসের সেরা খেলোয়াড় হিসেবে স্বীকৃতি দিলেও, জিকো তার মূল অনুপ্রেরণা হিসেবে ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর নামই উচ্চারণ করেছেন। তিনি বলেন, মেসি ফুটবলের সেরা খেলোয়াড়, তবে তা ক্রিশ্চিয়ানোর পরে; কারণ তিনি ক্রিশ্চিয়ানোকে অনেক বেশি ভালোবাসেন। জিকো আরও যোগ করেন যে, মাঠে তিনি মেসির উপস্থিতির কথাই টের পাননি।

আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ম্যাচের রেফারিং নিয়ে এর আগে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন জিকো। তিনি অভিযোগ করেছিলেন যে, পুরো ম্যাচে তার দল স্পষ্ট ও প্রকাশ্য অন্যায়ের শিকার হয়েছে। সম্প্রচারকারীকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি দাবি করেছিলেন, রেফারি শুরু থেকেই তাদের বিপক্ষে ছিলেন এবং পুরো টুর্নামেন্টটিই সাজানো বা রিগড। জিকো বলেন, রেফারি একটি দেশের পরিশ্রম নষ্ট করে দিয়েছেন এবং ২-০ গোলে এগিয়ে থাকার পরও তাদের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়তে দেওয়া হয়নি। নিজের সমর্থকদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করে তিনি পুনরায় দাবি করেন যে, বিষয়টি তাদের হাতে ছিল না এবং এটি রেফারির কারসাজি।

জনপ্রিয় সংবাদ

ঢামেকের ৮ তলা থেকে লাফিয়ে চিকিৎসাধীন তরুণীর মৃত্যু

মেসি নয়, রোনালদোই আমার অনুপ্রেরণা: মোস্তফা জিকো

প্রকাশিত হয়েছে: ০৬:১৫:৫০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬

বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নেওয়ার পর নিজের ব্যক্তিগত পছন্দ ও অভিজ্ঞতা নিয়ে মুখ খুলেছেন মিসরের ফরোয়ার্ড মোস্তফা জিকো। ২০২৬ বিশ্বকাপে ফারাওদের অন্যতম সেরা পারফরমার হিসেবে তিনি পাঁচ ম্যাচে দুই গোল করার পাশাপাশি একটি অ্যাসিস্টও করেছেন। টুর্নামেন্টের শিরোপাধারী আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ম্যাচেও গোল করেছিলেন ২৯ বছর বয়সী এই ফরোয়ার্ড। সেই ম্যাচে আর্জেন্টিনা ৩-২ গোলে জয়ী হলেও, মিসরের হয়ে জিকোর আরও একটি গোল বিল্ডআপে ফাউলের কারণে বাতিল করা হয়েছিল।

আর্জেন্টিনার বিপক্ষে সেই হাইভোল্টেজ ম্যাচ নিয়ে জিকো জানান, মাঠে লিওনেল মেসির উপস্থিতি তাকে মোটেও চাপে ফেলতে পারেনি। মেসিকে ফুটবল ইতিহাসের সেরা খেলোয়াড় হিসেবে স্বীকৃতি দিলেও, জিকো তার মূল অনুপ্রেরণা হিসেবে ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর নামই উচ্চারণ করেছেন। তিনি বলেন, মেসি ফুটবলের সেরা খেলোয়াড়, তবে তা ক্রিশ্চিয়ানোর পরে; কারণ তিনি ক্রিশ্চিয়ানোকে অনেক বেশি ভালোবাসেন। জিকো আরও যোগ করেন যে, মাঠে তিনি মেসির উপস্থিতির কথাই টের পাননি।

আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ম্যাচের রেফারিং নিয়ে এর আগে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন জিকো। তিনি অভিযোগ করেছিলেন যে, পুরো ম্যাচে তার দল স্পষ্ট ও প্রকাশ্য অন্যায়ের শিকার হয়েছে। সম্প্রচারকারীকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি দাবি করেছিলেন, রেফারি শুরু থেকেই তাদের বিপক্ষে ছিলেন এবং পুরো টুর্নামেন্টটিই সাজানো বা রিগড। জিকো বলেন, রেফারি একটি দেশের পরিশ্রম নষ্ট করে দিয়েছেন এবং ২-০ গোলে এগিয়ে থাকার পরও তাদের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়তে দেওয়া হয়নি। নিজের সমর্থকদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করে তিনি পুনরায় দাবি করেন যে, বিষয়টি তাদের হাতে ছিল না এবং এটি রেফারির কারসাজি।