লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০৬:২৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬, ২৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চকরিয়ায় বাস ও জিটু গাড়ির মুখোমুখি সংঘর্ষ, প্রাণ গেল ৪ জনের

কক্সবাজার-চট্টগ্রাম মহাসড়কের চকরিয়া এলাকায় যাত্রীবাহী বাস ও লোকাল জিটু গাড়ির মুখোমুখি সংঘর্ষে ৪ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও অন্তত ৫ জন। হতাহতদের সবাই জিটু গাড়ির যাত্রী ছিলেন। বৃহস্পতিবার সকালে চকরিয়া উপজেলার খুটাখালী ইউনিয়নের নয়াপাড়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

চকরিয়ার মালুমঘাট হাইওয়ে ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) মো. সামছুজ্জামান জানান, কক্সবাজারমুখী লাল-সবুজ পরিবহন সার্ভিসের একটি বাসের সঙ্গে বিপরীত দিক থেকে আসা যাত্রীবোঝাই একটি লোকাল জিটু গাড়ির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষের তীব্রতায় জিটু গাড়িটি দুমড়ে-মুচড়ে সড়কের পাশে ছিটকে পড়ে এবং এতে থাকা ৯ জন যাত্রী গুরুতর আহত হন। ঘটনার পরপরই বাসের চালক ও সহকারী ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। খবর পেয়ে হাইওয়ে ফাঁড়ির পুলিশ স্থানীয়দের সহায়তায় উদ্ধারকাজ শুরু করে।

আহতদের দ্রুত উদ্ধার করে প্রথমে মালুমঘাট খ্রিস্টিয়ান মেমোরিয়াল হাসপাতাল এবং পরে কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়। এসআই সামছুজ্জামান জানান, হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় জসিম উদ্দিন মালুমঘাট খ্রিস্টিয়ান মেমোরিয়াল হাসপাতালে মারা যান। অপর ৩ জন কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। বাকি ৫ জন বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

দুর্ঘটনায় নিহতরা হলেন— চকরিয়া উপজেলার খুটাখালী ইউনিয়নের সেগুনবাগিচা এলাকার মৃত মতিউর রহমানের ছেলে মো. জসিম উদ্দিন (২৫), ঈদগাঁও উপজেলার পশ্চিম গজারিয়া এলাকার মৃত আবুল কাসেমের ছেলে মো. রফিক (২৯), চকরিয়ার খুটাখালী ইউনিয়নের শিয়ালকাটা এলাকার মৃত মঞ্জুর আলমের ছেলে মো. শাহেদ (২৭) এবং ঈদগাঁও উপজেলার নতুন অফিস এলাকার আমিনুল হকের ছেলে জিয়াবুল হক (২৫)।

আহতরা হলেন— ঈদগাঁও উপজেলার নতুন অফিস এলাকার আব্দুস সামাদের ছেলে জিয়াবুল হক (৪০), নাপিতখালী এলাকার সৈয়দ আলমের ছেলে মো. সরোয়ার (১৯), একই এলাকার আলী মিয়ার ছেলে সৈয়দ আলম (৫০), চকরিয়ার খুটাখালী ইউনিয়নের মেধাকচ্ছপিয়া এলাকার বদরুদ্দোজার ছেলে দেলোয়ার হোসেন (৩৫) এবং টেকনাফের কেরুনতলী এলাকার রহমত করিমের ছেলে সৈয়দ করিম (৩০)।

হাইওয়ে পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাস্থল থেকে দুর্ঘটনাকবলিত বাস ও জিটু গাড়িটি জব্দ করা হয়েছে এবং এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। মুখোমুখি সংঘর্ষের সঠিক কারণ খতিয়ে দেখছে পুলিশ। দুর্ঘটনার পর মহাসড়কে কিছু সময় যানবাহন চলাচল ব্যাহত হলেও পরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।

জনপ্রিয় সংবাদ

২১ দিনের নবজাতকের হাম জয়, সুস্থ হয়ে ফিরল বাড়িতে

চকরিয়ায় বাস ও জিটু গাড়ির মুখোমুখি সংঘর্ষ, প্রাণ গেল ৪ জনের

প্রকাশিত হয়েছে: ১১:১৪:৪৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬

কক্সবাজার-চট্টগ্রাম মহাসড়কের চকরিয়া এলাকায় যাত্রীবাহী বাস ও লোকাল জিটু গাড়ির মুখোমুখি সংঘর্ষে ৪ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও অন্তত ৫ জন। হতাহতদের সবাই জিটু গাড়ির যাত্রী ছিলেন। বৃহস্পতিবার সকালে চকরিয়া উপজেলার খুটাখালী ইউনিয়নের নয়াপাড়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

চকরিয়ার মালুমঘাট হাইওয়ে ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) মো. সামছুজ্জামান জানান, কক্সবাজারমুখী লাল-সবুজ পরিবহন সার্ভিসের একটি বাসের সঙ্গে বিপরীত দিক থেকে আসা যাত্রীবোঝাই একটি লোকাল জিটু গাড়ির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষের তীব্রতায় জিটু গাড়িটি দুমড়ে-মুচড়ে সড়কের পাশে ছিটকে পড়ে এবং এতে থাকা ৯ জন যাত্রী গুরুতর আহত হন। ঘটনার পরপরই বাসের চালক ও সহকারী ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। খবর পেয়ে হাইওয়ে ফাঁড়ির পুলিশ স্থানীয়দের সহায়তায় উদ্ধারকাজ শুরু করে।

আহতদের দ্রুত উদ্ধার করে প্রথমে মালুমঘাট খ্রিস্টিয়ান মেমোরিয়াল হাসপাতাল এবং পরে কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়। এসআই সামছুজ্জামান জানান, হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় জসিম উদ্দিন মালুমঘাট খ্রিস্টিয়ান মেমোরিয়াল হাসপাতালে মারা যান। অপর ৩ জন কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। বাকি ৫ জন বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

দুর্ঘটনায় নিহতরা হলেন— চকরিয়া উপজেলার খুটাখালী ইউনিয়নের সেগুনবাগিচা এলাকার মৃত মতিউর রহমানের ছেলে মো. জসিম উদ্দিন (২৫), ঈদগাঁও উপজেলার পশ্চিম গজারিয়া এলাকার মৃত আবুল কাসেমের ছেলে মো. রফিক (২৯), চকরিয়ার খুটাখালী ইউনিয়নের শিয়ালকাটা এলাকার মৃত মঞ্জুর আলমের ছেলে মো. শাহেদ (২৭) এবং ঈদগাঁও উপজেলার নতুন অফিস এলাকার আমিনুল হকের ছেলে জিয়াবুল হক (২৫)।

আহতরা হলেন— ঈদগাঁও উপজেলার নতুন অফিস এলাকার আব্দুস সামাদের ছেলে জিয়াবুল হক (৪০), নাপিতখালী এলাকার সৈয়দ আলমের ছেলে মো. সরোয়ার (১৯), একই এলাকার আলী মিয়ার ছেলে সৈয়দ আলম (৫০), চকরিয়ার খুটাখালী ইউনিয়নের মেধাকচ্ছপিয়া এলাকার বদরুদ্দোজার ছেলে দেলোয়ার হোসেন (৩৫) এবং টেকনাফের কেরুনতলী এলাকার রহমত করিমের ছেলে সৈয়দ করিম (৩০)।

হাইওয়ে পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাস্থল থেকে দুর্ঘটনাকবলিত বাস ও জিটু গাড়িটি জব্দ করা হয়েছে এবং এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। মুখোমুখি সংঘর্ষের সঠিক কারণ খতিয়ে দেখছে পুলিশ। দুর্ঘটনার পর মহাসড়কে কিছু সময় যানবাহন চলাচল ব্যাহত হলেও পরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।