লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০১:০০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ১৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মেসির বিশ্বকাপ জয়ের শেষ স্বপ্ন পূরণ হলো না স্পেনের কাছে

ম্যারাডোনার রেকর্ড ছাড়িয়ে যাওয়ার স্বপ্ন নিয়ে মাঠে নেমেছিলেন লিওনেল মেসি, কিন্তু শেষ পর্যন্ত তার সেই ইচ্ছে পূরণ হলো না। স্পেনের অপ্রতিরোধ্য পারফরম্যান্সের কাছে আর্জেন্টিনা কোণঠাসা হয়ে পড়েছিল। ম্যাচের ১০০ মিনিট পর্যন্ত মেসি নিজের স্বাভাবিক ছন্দে ছিলেন না এবং মাঠে তাকে খুঁজে পাওয়া ছিল দুষ্কর। মেসি সম্ভবত ম্যাচের ফলাফল আগেই আঁচ করতে পেরেছিলেন, কারণ তার দল পুরোটা সময় কেবল স্পেনের আক্রমণ প্রতিহত করতেই ব্যস্ত ছিল, পাল্টা আক্রমণের কোনো সুযোগই তৈরি করতে পারেনি।

বিরতিহীন আক্রমণের মুখে শেষ পর্যন্ত এমিলিয়ানো মার্টিনেজ হার মানতে বাধ্য হন। ম্যাচের ১০৬ মিনিটে বদলি খেলোয়াড় ফেরান তোরেস নিকো উইলিয়ামসের হেড থেকে আসা বলে দুর্দান্ত গোল করে জয় নিশ্চিত করেন। এর আগে মার্টিনেজ লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়লে আর্জেন্টিনা ১০ জনের দলে পরিণত হয়, যা শক্তিশালী স্পেনের বিপক্ষে জয় পাওয়া অসম্ভব করে তোলে। মেসি দূর থেকে দাঁড়িয়ে এই দৃশ্য দেখছিলেন এবং তার চোখে জল ছিল, কারণ তিনি বুঝতে পেরেছিলেন খেলায় ফেরা কঠিন।

মেটলাইফের ৮০ হাজার ৬৬৩ জন দর্শক এই শ্বাসরুদ্ধকর লড়াইয়ের সাক্ষী ছিলেন। স্পেনের শুরুটা এই আসরে ভালো না হলেও, তারা শেষ পর্যন্ত সুসংগঠিত ফুটবল উপহার দিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে। এর আগে মেসি নিজের ক্যারিয়ারের বিভিন্ন সময়ে আবেগী মুহূর্তের মুখোমুখি হয়েছেন, যার মধ্যে বার্সেলোনা ছাড়ার সময় তার কান্না ছিল অন্যতম।

বিশ্বকাপের ২৩তম আসর শেষে দেখা গেল, ইউরোপের ছয়টি দেশ এবং লাতিন আমেরিকার তিনটি দেশ শিরোপা জিতেছে। এমবাপ্পের ১০ গোল এবং মেসির ৮ গোল করার পরিসংখ্যানও আলোচনায় এসেছে। সব মিলিয়ে, খেলাটি ছিল উত্তেজনাপূর্ণ এবং স্পেনের দাপট ছিল স্পষ্ট। যদিও মেসি শিরোপা জিততে পারেননি, তবুও ফুটবলে তার অবদান এবং ইতিহাস চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।

উল্লেখ্য যে , ব্রাজিল ৫ বার, জার্মানি ৪ বার, ইতালি ৪ বার, আর্জেন্টিনা ৩ বার, ফ্রান্স ২ বার, উরুগুয়ে ২ বার আর স্পেন ২ বার।

জনপ্রিয় সংবাদ

ঢামেকের ৮ তলা থেকে লাফিয়ে চিকিৎসাধীন তরুণীর মৃত্যু

মেসির বিশ্বকাপ জয়ের শেষ স্বপ্ন পূরণ হলো না স্পেনের কাছে

প্রকাশিত হয়েছে: ১২:১৫:৫০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬

ম্যারাডোনার রেকর্ড ছাড়িয়ে যাওয়ার স্বপ্ন নিয়ে মাঠে নেমেছিলেন লিওনেল মেসি, কিন্তু শেষ পর্যন্ত তার সেই ইচ্ছে পূরণ হলো না। স্পেনের অপ্রতিরোধ্য পারফরম্যান্সের কাছে আর্জেন্টিনা কোণঠাসা হয়ে পড়েছিল। ম্যাচের ১০০ মিনিট পর্যন্ত মেসি নিজের স্বাভাবিক ছন্দে ছিলেন না এবং মাঠে তাকে খুঁজে পাওয়া ছিল দুষ্কর। মেসি সম্ভবত ম্যাচের ফলাফল আগেই আঁচ করতে পেরেছিলেন, কারণ তার দল পুরোটা সময় কেবল স্পেনের আক্রমণ প্রতিহত করতেই ব্যস্ত ছিল, পাল্টা আক্রমণের কোনো সুযোগই তৈরি করতে পারেনি।

বিরতিহীন আক্রমণের মুখে শেষ পর্যন্ত এমিলিয়ানো মার্টিনেজ হার মানতে বাধ্য হন। ম্যাচের ১০৬ মিনিটে বদলি খেলোয়াড় ফেরান তোরেস নিকো উইলিয়ামসের হেড থেকে আসা বলে দুর্দান্ত গোল করে জয় নিশ্চিত করেন। এর আগে মার্টিনেজ লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়লে আর্জেন্টিনা ১০ জনের দলে পরিণত হয়, যা শক্তিশালী স্পেনের বিপক্ষে জয় পাওয়া অসম্ভব করে তোলে। মেসি দূর থেকে দাঁড়িয়ে এই দৃশ্য দেখছিলেন এবং তার চোখে জল ছিল, কারণ তিনি বুঝতে পেরেছিলেন খেলায় ফেরা কঠিন।

মেটলাইফের ৮০ হাজার ৬৬৩ জন দর্শক এই শ্বাসরুদ্ধকর লড়াইয়ের সাক্ষী ছিলেন। স্পেনের শুরুটা এই আসরে ভালো না হলেও, তারা শেষ পর্যন্ত সুসংগঠিত ফুটবল উপহার দিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে। এর আগে মেসি নিজের ক্যারিয়ারের বিভিন্ন সময়ে আবেগী মুহূর্তের মুখোমুখি হয়েছেন, যার মধ্যে বার্সেলোনা ছাড়ার সময় তার কান্না ছিল অন্যতম।

বিশ্বকাপের ২৩তম আসর শেষে দেখা গেল, ইউরোপের ছয়টি দেশ এবং লাতিন আমেরিকার তিনটি দেশ শিরোপা জিতেছে। এমবাপ্পের ১০ গোল এবং মেসির ৮ গোল করার পরিসংখ্যানও আলোচনায় এসেছে। সব মিলিয়ে, খেলাটি ছিল উত্তেজনাপূর্ণ এবং স্পেনের দাপট ছিল স্পষ্ট। যদিও মেসি শিরোপা জিততে পারেননি, তবুও ফুটবলে তার অবদান এবং ইতিহাস চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।

উল্লেখ্য যে , ব্রাজিল ৫ বার, জার্মানি ৪ বার, ইতালি ৪ বার, আর্জেন্টিনা ৩ বার, ফ্রান্স ২ বার, উরুগুয়ে ২ বার আর স্পেন ২ বার।