লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০৯:১৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

যেকোনো ষড়যন্ত্রের দাঁতভাঙা জবাব দেয়া হবে: প্রধানমন্ত্রী

দেশের সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্রকে ঘিরে চলমান যেকোনো ষড়যন্ত্রের দাঁতভাঙা জবাব দেয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শনিবার বিকালে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে আয়োজিত এক বিশাল র‌্যালিপূর্ব সংক্ষিপ্ত সমাবেশে তিনি এই কঠোর বার্তা দেন। বিকাল ৩টার দিকে অস্থায়ী মঞ্চে উপস্থিত হয়ে তিনি দলের নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য রাখেন। এ সময় মঞ্চে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সালাহউদ্দিন আহমদ এবং এজেডএম জাহিদ হোসেনসহ কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে বেলা ১২টা থেকেই নয়াপল্টন অভিমুখে নেতাকর্মীদের ঢল নামে। কাকরাইল থেকে ফকিরাপুল মোড় পর্যন্ত পুরো এলাকা জনসমুদ্রে পরিণত হয়। নেতাকর্মীদের হাতে ছিল লাল-সবুজ পতাকা এবং জিয়াউর রহমান, বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের প্রতিকৃতি সম্বলিত প্ল্যাকার্ড। বর্ণাঢ্য এই র‌্যালিতে অংশ নেয়া হাজার হাজার নেতাকর্মী বিভিন্ন রঙের ক্যাপ ও গেঞ্জি পরিধান করেন।

প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে বর্তমান পরিস্থিতিকে ১৯৭৫ সালের ৭ই নভেম্বরের প্রেক্ষাপটের সাথে তুলনা করে বলেন, 'অতীতের মতো আজও ষড়যন্ত্রকারীরা বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বকে দাবিয়ে রাখতে চায়। তারা আবারও 'আমি-ডামি' নির্বাচনের মতো অগণতান্ত্রিক ব্যবস্থা চাপিয়ে দেয়ার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। একাত্তর, নব্বই এবং ১৯৭৫ সালের ৭ই নভেম্বরের মতোই আমরা এসব ষড়যন্ত্রের দাঁতভাঙা জবাব দিতে প্রস্তুত।' তিনি আজকের এই দিনটিকে স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব এবং ২০২৪ সালের ৫ই আগস্ট অর্জিত গণতন্ত্র রক্ষার দিন হিসেবে অভিহিত করেন।

নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রী প্রশ্ন রাখেন, 'আপনারা কী আমাদের সঙ্গে আছেন?' এ সময় উপস্থিত জনতা মুহুর্মুহু করতালির মাধ্যমে তাকে সমর্থন জানান। তিনি দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, 'আসুন, সকল গণতন্ত্রকামী মানুষকে নিয়ে দেশের ভেতরে ও বাইরের সকল ষড়যন্ত্রের জবাব আমরা এক এক করে দেব।'

তারেক রহমান আরও বলেন, '৭ই নভেম্বর জাতীয় ঐক্যের দিন, বাংলাদেশের মানুষের বাক স্বাধীনতার দিন। দিল্লী নয়, পিণ্ডি নয়, নয় অন্য কোনো দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ, সবার জন্য বাংলাদেশ।' তিনি উল্লেখ করেন যে, ছাত্র-জনতা কেবল স্বাধীনতা ছিনিয়ে আনেনি, বরং স্বৈরাচার ও ষড়যন্ত্রকারীদের দেশ থেকে বিতাড়িত করেছে। ১৯৭৫ সালের ৭ই নভেম্বরের মতো ২০২৪ সালের ৫ই আগস্টও অপশক্তি পরাজিত হয়েছে। বক্তব্য শেষে প্রধানমন্ত্রী পায়ে হেঁটে র‌্যালিতে যোগ দেন এবং বিকাল সাড়ে ৪টায় মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে গিয়ে সমাপনী বক্তব্য রাখেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

পারেদেসের ১০ ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা বহাল, কমলো মোলিনার শাস্তি

যেকোনো ষড়যন্ত্রের দাঁতভাঙা জবাব দেয়া হবে: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত হয়েছে: ০২:৩০:৫৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ নভেম্বর ২০২৬

দেশের সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্রকে ঘিরে চলমান যেকোনো ষড়যন্ত্রের দাঁতভাঙা জবাব দেয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শনিবার বিকালে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে আয়োজিত এক বিশাল র‌্যালিপূর্ব সংক্ষিপ্ত সমাবেশে তিনি এই কঠোর বার্তা দেন। বিকাল ৩টার দিকে অস্থায়ী মঞ্চে উপস্থিত হয়ে তিনি দলের নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য রাখেন। এ সময় মঞ্চে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সালাহউদ্দিন আহমদ এবং এজেডএম জাহিদ হোসেনসহ কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে বেলা ১২টা থেকেই নয়াপল্টন অভিমুখে নেতাকর্মীদের ঢল নামে। কাকরাইল থেকে ফকিরাপুল মোড় পর্যন্ত পুরো এলাকা জনসমুদ্রে পরিণত হয়। নেতাকর্মীদের হাতে ছিল লাল-সবুজ পতাকা এবং জিয়াউর রহমান, বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের প্রতিকৃতি সম্বলিত প্ল্যাকার্ড। বর্ণাঢ্য এই র‌্যালিতে অংশ নেয়া হাজার হাজার নেতাকর্মী বিভিন্ন রঙের ক্যাপ ও গেঞ্জি পরিধান করেন।

প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে বর্তমান পরিস্থিতিকে ১৯৭৫ সালের ৭ই নভেম্বরের প্রেক্ষাপটের সাথে তুলনা করে বলেন, 'অতীতের মতো আজও ষড়যন্ত্রকারীরা বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বকে দাবিয়ে রাখতে চায়। তারা আবারও 'আমি-ডামি' নির্বাচনের মতো অগণতান্ত্রিক ব্যবস্থা চাপিয়ে দেয়ার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। একাত্তর, নব্বই এবং ১৯৭৫ সালের ৭ই নভেম্বরের মতোই আমরা এসব ষড়যন্ত্রের দাঁতভাঙা জবাব দিতে প্রস্তুত।' তিনি আজকের এই দিনটিকে স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব এবং ২০২৪ সালের ৫ই আগস্ট অর্জিত গণতন্ত্র রক্ষার দিন হিসেবে অভিহিত করেন।

নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রী প্রশ্ন রাখেন, 'আপনারা কী আমাদের সঙ্গে আছেন?' এ সময় উপস্থিত জনতা মুহুর্মুহু করতালির মাধ্যমে তাকে সমর্থন জানান। তিনি দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, 'আসুন, সকল গণতন্ত্রকামী মানুষকে নিয়ে দেশের ভেতরে ও বাইরের সকল ষড়যন্ত্রের জবাব আমরা এক এক করে দেব।'

তারেক রহমান আরও বলেন, '৭ই নভেম্বর জাতীয় ঐক্যের দিন, বাংলাদেশের মানুষের বাক স্বাধীনতার দিন। দিল্লী নয়, পিণ্ডি নয়, নয় অন্য কোনো দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ, সবার জন্য বাংলাদেশ।' তিনি উল্লেখ করেন যে, ছাত্র-জনতা কেবল স্বাধীনতা ছিনিয়ে আনেনি, বরং স্বৈরাচার ও ষড়যন্ত্রকারীদের দেশ থেকে বিতাড়িত করেছে। ১৯৭৫ সালের ৭ই নভেম্বরের মতো ২০২৪ সালের ৫ই আগস্টও অপশক্তি পরাজিত হয়েছে। বক্তব্য শেষে প্রধানমন্ত্রী পায়ে হেঁটে র‌্যালিতে যোগ দেন এবং বিকাল সাড়ে ৪টায় মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে গিয়ে সমাপনী বক্তব্য রাখেন।