লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
১১:৩০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পুরো ইরান ধ্বংসের হুঁশিয়ারি দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প

ইরানের বিরুদ্ধে চলমান সামরিক অভিযান আরও বিস্তৃত করা হবে কি না, সে বিষয়ে খুব শিগগিরই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) রাতে মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এই হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন। ট্রাম্প বলেন, প্রয়োজনে ইরানের ‘বাকি অংশও ধ্বংস করে দিতে হতে পারে’।

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটদের জয়লাভের পর ইরান যুদ্ধ নিয়ে নতুন করে রাজনৈতিক অস্থিরতা ও চাপ তৈরি হয়েছে। আগামী জানুয়ারিতে নতুন কংগ্রেসের অধিবেশন শুরুর আগে ট্রাম্প প্রশাসন কতটা স্বাধীনভাবে সামরিক পদক্ষেপ নিতে পারবে, তা নিয়ে এখন বড় ধরনের প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। ইরান ইন্টারন্যাশনালের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কংগ্রেসের নতুন সদস্যরা দায়িত্ব নিলে ট্রাম্পের যুদ্ধ পরিচালনার ওপর নজরদারি বাড়তে পারে। তবে অনেক বিশ্লেষক আশঙ্কা করছেন যে, নতুন কংগ্রেস দায়িত্ব নেওয়ার আগের এই দুই মাসে ট্রাম্প সামরিক অভিযান আরও জোরদার করতে পারেন। ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের এক অতিথিও এমন আশঙ্কার কথা ব্যক্ত করেছেন। তবে অন্য বিশ্লেষকরা সতর্ক করে বলেছেন, কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণে পরিবর্তন এলেই যে যুদ্ধ বন্ধ হয়ে যাবে, এমন নিশ্চয়তা নেই।

ইরান যুদ্ধ নিয়ে ট্রাম্পের বক্তব্যে কিছুটা অসংগতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। একদিকে তিনি সামরিক অভিযান বিস্তৃত করার হুমকি দিচ্ছেন, আবার অন্যদিকে ফিন্যান্সিয়াল টাইমসকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, আপাতত বড় ধরনের নতুন কোনো হামলার পরিকল্পনা তার নেই। তবে তিনি জোর দিয়ে বলেছেন, প্রয়োজন হলে যুক্তরাষ্ট্র পুরোপুরি প্রস্তুত রয়েছে। তার ভাষায়, ‘প্রয়োজন হলে আমরা পুরোপুরি প্রস্তুত।’

নির্বাচনের ফলাফলের ওপর যুদ্ধের প্রভাব নিয়েও ট্রাম্প ভিন্ন ভিন্ন মন্তব্য করেছেন। পলিটিকোকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করার সিদ্ধান্তকে সঠিক বলে দাবি করেছেন। ওয়াল স্ট্রিট জার্নালকে তিনি বলেছেন, মধ্যবর্তী নির্বাচনের ফলাফলে যুদ্ধের ভূমিকা ছিল। তবে ফক্স নিউজের সাক্ষাৎকারে তিনি যুদ্ধের চেয়ে জ্বালানি তেলের দামকেই ডেমোক্র্যাটদের জয়ের প্রধান কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, ‘আমার মনে হয়, এর কারণ পেট্রলের দাম।’

জনপ্রিয় সংবাদ

অধ্যক্ষের পদত্যাগের দাবিতে উত্তাল গভর্নমেন্ট কলেজ অব অ্যাপ্লাইড হিউম্যান সায়েন্স

পুরো ইরান ধ্বংসের হুঁশিয়ারি দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প

প্রকাশিত হয়েছে: ০৪:৩০:৫৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৬ নভেম্বর ২০২৬

ইরানের বিরুদ্ধে চলমান সামরিক অভিযান আরও বিস্তৃত করা হবে কি না, সে বিষয়ে খুব শিগগিরই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) রাতে মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এই হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন। ট্রাম্প বলেন, প্রয়োজনে ইরানের ‘বাকি অংশও ধ্বংস করে দিতে হতে পারে’।

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটদের জয়লাভের পর ইরান যুদ্ধ নিয়ে নতুন করে রাজনৈতিক অস্থিরতা ও চাপ তৈরি হয়েছে। আগামী জানুয়ারিতে নতুন কংগ্রেসের অধিবেশন শুরুর আগে ট্রাম্প প্রশাসন কতটা স্বাধীনভাবে সামরিক পদক্ষেপ নিতে পারবে, তা নিয়ে এখন বড় ধরনের প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। ইরান ইন্টারন্যাশনালের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কংগ্রেসের নতুন সদস্যরা দায়িত্ব নিলে ট্রাম্পের যুদ্ধ পরিচালনার ওপর নজরদারি বাড়তে পারে। তবে অনেক বিশ্লেষক আশঙ্কা করছেন যে, নতুন কংগ্রেস দায়িত্ব নেওয়ার আগের এই দুই মাসে ট্রাম্প সামরিক অভিযান আরও জোরদার করতে পারেন। ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের এক অতিথিও এমন আশঙ্কার কথা ব্যক্ত করেছেন। তবে অন্য বিশ্লেষকরা সতর্ক করে বলেছেন, কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণে পরিবর্তন এলেই যে যুদ্ধ বন্ধ হয়ে যাবে, এমন নিশ্চয়তা নেই।

ইরান যুদ্ধ নিয়ে ট্রাম্পের বক্তব্যে কিছুটা অসংগতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। একদিকে তিনি সামরিক অভিযান বিস্তৃত করার হুমকি দিচ্ছেন, আবার অন্যদিকে ফিন্যান্সিয়াল টাইমসকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, আপাতত বড় ধরনের নতুন কোনো হামলার পরিকল্পনা তার নেই। তবে তিনি জোর দিয়ে বলেছেন, প্রয়োজন হলে যুক্তরাষ্ট্র পুরোপুরি প্রস্তুত রয়েছে। তার ভাষায়, ‘প্রয়োজন হলে আমরা পুরোপুরি প্রস্তুত।’

নির্বাচনের ফলাফলের ওপর যুদ্ধের প্রভাব নিয়েও ট্রাম্প ভিন্ন ভিন্ন মন্তব্য করেছেন। পলিটিকোকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করার সিদ্ধান্তকে সঠিক বলে দাবি করেছেন। ওয়াল স্ট্রিট জার্নালকে তিনি বলেছেন, মধ্যবর্তী নির্বাচনের ফলাফলে যুদ্ধের ভূমিকা ছিল। তবে ফক্স নিউজের সাক্ষাৎকারে তিনি যুদ্ধের চেয়ে জ্বালানি তেলের দামকেই ডেমোক্র্যাটদের জয়ের প্রধান কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, ‘আমার মনে হয়, এর কারণ পেট্রলের দাম।’