লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০৪:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিশ্বকাপ ফাইনালে কোনো নির্দিষ্ট দলকে সমর্থন করছেন না বাংলাদেশ অধিনায়ক

বিশ্বকাপ ফাইনাল নিয়ে কোনো নির্দিষ্ট দলকে ফেবারিট মানতে নারাজ বাংলাদেশ ফুটবল দলের অধিনায়ক। তার মতে, আর্জেন্টিনা ও স্পেন দুই দলই দারুণ পারফরম্যান্স দেখিয়ে শিরোপার লড়াইয়ে জায়গা করে নিয়েছে। একজন নিরপেক্ষ দর্শক হিসেবে তিনি কোনো পক্ষ না নিয়ে বরং একটি উপভোগ্য এবং গোলবহুল ম্যাচ উপভোগ করতে চান। ২০২২ বিশ্বকাপে এমিলিয়ানো মার্তিনেজের সেই অবিস্মরণীয় সেভ যেমন চিরস্মরণীয় হয়ে আছে, এবারের ফাইনালেও তেমন রোমাঞ্চকর মুহূর্ত দেখার অপেক্ষায় আছেন তিনি।

ম্যাচটি নিয়ে বিশ্লেষণে তিনি বলেন, বিশ্ব র‍্যাঙ্কিংয়ের এক ও দুই নম্বর দলের এই লড়াইটি সমানে সমান বা ৫০-৫০ অবস্থায় আছে। বর্তমান বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হিসেবে আর্জেন্টিনার বড় ম্যাচ জেতার অভিজ্ঞতা রয়েছে, অন্যদিকে স্পেনও ইউরো জয়ী এবং ১৬ বছর আগে বিশ্বকাপ জেতার ইতিহাস আছে। তবে লিওনেল মেসির মতো অতিমানবীয় ফুটবলারের টানা চারটি বিশ্বকাপের মধ্যে তৃতীয় ফাইনাল খেলার বিষয়টি বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। ৩৯ বছর বয়সেও মেসির পারফরম্যান্স অবিশ্বাস্য, আট গোল ও চারটি অ্যাসিস্ট নিয়ে তিনি গোল্ডেন বল ও বুটের প্রধান দাবিদার। এটি তার শেষ আন্তর্জাতিক ম্যাচ হতে পারে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন যে মেসি অন্তত একটি গোল করবেন।

স্পেনের তরুণ তুর্কি লামিনে ইয়ামালের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, মেসি ও ইয়ামালের লড়াই দেখার অপেক্ষায় আছেন তিনি। ১৭-১৮ বছর আগের মেসির কোলে থাকা সেই শিশু আজ ফাইনালে তার মুখোমুখি হচ্ছে, যা রূপকথার মতো। এছাড়া এনজো ফার্নান্দেজের দূরপাল্লার শট স্পেনের জন্য হুমকি হতে পারে বলেও তিনি মনে করেন। স্পেনের খেলার ধরণ নিয়ে তিনি উল্লেখ করেন, কেপ ভার্দের বিপক্ষে ড্রয়ের পর থেকে স্পেন সব ম্যাচে আগে গোল করেছে। তাই গোল খাওয়ার পর তারা কীভাবে ঘুরে দাঁড়ায়, সেটি দেখার অপেক্ষায় আছেন তিনি।

ব্রাজিল শেষ ষোলো থেকে বিদায় নিলেও তিনি বিশ্বকাপ উপভোগ করছেন। তার দেখা সেরা ম্যাচ ছিল শেষ ষোলোতে আর্জেন্টিনা ও মিসরের লড়াই। এবারের বিশ্বকাপ ৪৮ দল নিয়ে দীর্ঘ প্রায় ৪০ দিন ধরে অনুষ্ঠিত হওয়ায় সমর্থকরা অনেক বেশি ম্যাচ দেখার সুযোগ পেয়েছেন। তিনি ব্যক্তিগতভাবে যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে গ্যালারিতে বসে খেলা দেখার সৌভাগ্য পেয়েছেন বলেও জানান। যে দলই জিতুক, ফাইনাল ম্যাচটি তীব্র লড়াইপূর্ণ হলে ফুটবলপ্রেমীদের রাত জেগে খেলা দেখা সার্থক হবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

ঢাকায় তিন দিনের সফরে মার্কিন বিশেষ দূত সার্জিও গর

বিশ্বকাপ ফাইনালে কোনো নির্দিষ্ট দলকে সমর্থন করছেন না বাংলাদেশ অধিনায়ক

প্রকাশিত হয়েছে: ০৮:৪৬:০৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬

বিশ্বকাপ ফাইনাল নিয়ে কোনো নির্দিষ্ট দলকে ফেবারিট মানতে নারাজ বাংলাদেশ ফুটবল দলের অধিনায়ক। তার মতে, আর্জেন্টিনা ও স্পেন দুই দলই দারুণ পারফরম্যান্স দেখিয়ে শিরোপার লড়াইয়ে জায়গা করে নিয়েছে। একজন নিরপেক্ষ দর্শক হিসেবে তিনি কোনো পক্ষ না নিয়ে বরং একটি উপভোগ্য এবং গোলবহুল ম্যাচ উপভোগ করতে চান। ২০২২ বিশ্বকাপে এমিলিয়ানো মার্তিনেজের সেই অবিস্মরণীয় সেভ যেমন চিরস্মরণীয় হয়ে আছে, এবারের ফাইনালেও তেমন রোমাঞ্চকর মুহূর্ত দেখার অপেক্ষায় আছেন তিনি।

ম্যাচটি নিয়ে বিশ্লেষণে তিনি বলেন, বিশ্ব র‍্যাঙ্কিংয়ের এক ও দুই নম্বর দলের এই লড়াইটি সমানে সমান বা ৫০-৫০ অবস্থায় আছে। বর্তমান বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হিসেবে আর্জেন্টিনার বড় ম্যাচ জেতার অভিজ্ঞতা রয়েছে, অন্যদিকে স্পেনও ইউরো জয়ী এবং ১৬ বছর আগে বিশ্বকাপ জেতার ইতিহাস আছে। তবে লিওনেল মেসির মতো অতিমানবীয় ফুটবলারের টানা চারটি বিশ্বকাপের মধ্যে তৃতীয় ফাইনাল খেলার বিষয়টি বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। ৩৯ বছর বয়সেও মেসির পারফরম্যান্স অবিশ্বাস্য, আট গোল ও চারটি অ্যাসিস্ট নিয়ে তিনি গোল্ডেন বল ও বুটের প্রধান দাবিদার। এটি তার শেষ আন্তর্জাতিক ম্যাচ হতে পারে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন যে মেসি অন্তত একটি গোল করবেন।

স্পেনের তরুণ তুর্কি লামিনে ইয়ামালের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, মেসি ও ইয়ামালের লড়াই দেখার অপেক্ষায় আছেন তিনি। ১৭-১৮ বছর আগের মেসির কোলে থাকা সেই শিশু আজ ফাইনালে তার মুখোমুখি হচ্ছে, যা রূপকথার মতো। এছাড়া এনজো ফার্নান্দেজের দূরপাল্লার শট স্পেনের জন্য হুমকি হতে পারে বলেও তিনি মনে করেন। স্পেনের খেলার ধরণ নিয়ে তিনি উল্লেখ করেন, কেপ ভার্দের বিপক্ষে ড্রয়ের পর থেকে স্পেন সব ম্যাচে আগে গোল করেছে। তাই গোল খাওয়ার পর তারা কীভাবে ঘুরে দাঁড়ায়, সেটি দেখার অপেক্ষায় আছেন তিনি।

ব্রাজিল শেষ ষোলো থেকে বিদায় নিলেও তিনি বিশ্বকাপ উপভোগ করছেন। তার দেখা সেরা ম্যাচ ছিল শেষ ষোলোতে আর্জেন্টিনা ও মিসরের লড়াই। এবারের বিশ্বকাপ ৪৮ দল নিয়ে দীর্ঘ প্রায় ৪০ দিন ধরে অনুষ্ঠিত হওয়ায় সমর্থকরা অনেক বেশি ম্যাচ দেখার সুযোগ পেয়েছেন। তিনি ব্যক্তিগতভাবে যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে গ্যালারিতে বসে খেলা দেখার সৌভাগ্য পেয়েছেন বলেও জানান। যে দলই জিতুক, ফাইনাল ম্যাচটি তীব্র লড়াইপূর্ণ হলে ফুটবলপ্রেমীদের রাত জেগে খেলা দেখা সার্থক হবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।