লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০৮:৫২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬, ৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

১১ বছরের শিশুকে ধর্ষ/ণের অভিযোগ, এজাহারের এক ঘণ্টার মধ্যে আসামি গ্রে/প্তার

১১ বছরের শিশুকে ধর্ষ/ণের অভিযোগ, এজাহারের এক ঘণ্টার মধ্যে আসামি গ্রে/প্তার

মোঃ মিলন হোসেন:  যশোর শার্শা উপজেলা প্রতিনিধি

যশোরের শার্শায় ১১ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে করা মামলার একমাত্র আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মামলা দায়েরের পর তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় অভিযান চালিয়ে রাতেই তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার ব্যক্তির নাম মো. মকছেদ আলী (৫৫)। তিনি শার্শা উপজেলার মহিষা মোল্লাপাড়া গ্রামের বাসিন্দা।

পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী শিশুটি স্থানীয় একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী। অভিযুক্ত ব্যক্তি তাঁদের প্রতিবেশী এবং শিশুটি তাঁকে চাচা বলে ডাকত।

এজাহারে বলা হয়েছে, গত ১২ আগস্ট বিকেলে স্কুল থেকে বাড়ি ফেরার পর শিশুটি খেলতে বের হয়। এ সময় অভিযুক্ত ব্যক্তি টাকা দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে তাকে গ্রামের একটি ঘেরের পাড়ে নিয়ে যান। সেখানে শিশুটিকে ধর্ষণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়। পরে শিশুটিকে ২০ টাকা দিয়ে বাড়িতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।

ভয়ে শিশুটি প্রথমে পরিবারের কাউকে বিষয়টি জানায়নি। এরপর শারীরিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়লে এক প্রতিবেশী নারীর কাছে ঘটনার কথা জানায়। পরে ওই নারীর কাছ থেকে বিষয়টি জানতে পেরে শিশুটির বাবা তার মেয়ের কাছে ঘটনার বিস্তারিত শোনেন।

ঘটনার প্রায় এক সপ্তাহ পর বুধবার (১৯ আগস্ট) শিশুটির বাবা শার্শা থানায় লিখিত অভিযোগ দেন। অভিযোগের ভিত্তিতে শার্শা থানায় ধর্ষণের মামলা করা হয়।

মামলা হওয়ার পর যশোরের পুলিশ সুপারের নির্দেশে আসামিকে গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু করে শার্শা থানা-পুলিশ। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই মো. মোস্তাক আহামেদের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় অভিযান চালায়। পরে বুধবার রাত ৩টা ৫ মিনিটের দিকে মহিষা এলাকা থেকে মামলার একমাত্র আসামি মকছেদ আলীকে গ্রেপ্তার করা হয়।

শার্শা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামিনুল হক বলেন, শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে বুধবার সকালে মামলা করা হয়েছে। মামলার আসামিকে দ্রুত গ্রেপ্তার করা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাঁকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। একই সঙ্গে ভুক্তভোগী শিশুর প্রয়োজনীয় আইনগত ও চিকিৎসাসংক্রান্ত সহায়তার বিষয়টিও প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।।

ট্যাগ
জনপ্রিয় সংবাদ

১১ বছরের শিশুকে ধর্ষ/ণের অভিযোগ, এজাহারের এক ঘণ্টার মধ্যে আসামি গ্রে/প্তার

প্রকাশিত হয়েছে: ০১:৩৯:২৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬

১১ বছরের শিশুকে ধর্ষ/ণের অভিযোগ, এজাহারের এক ঘণ্টার মধ্যে আসামি গ্রে/প্তার

মোঃ মিলন হোসেন:  যশোর শার্শা উপজেলা প্রতিনিধি

যশোরের শার্শায় ১১ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে করা মামলার একমাত্র আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মামলা দায়েরের পর তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় অভিযান চালিয়ে রাতেই তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার ব্যক্তির নাম মো. মকছেদ আলী (৫৫)। তিনি শার্শা উপজেলার মহিষা মোল্লাপাড়া গ্রামের বাসিন্দা।

পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী শিশুটি স্থানীয় একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী। অভিযুক্ত ব্যক্তি তাঁদের প্রতিবেশী এবং শিশুটি তাঁকে চাচা বলে ডাকত।

এজাহারে বলা হয়েছে, গত ১২ আগস্ট বিকেলে স্কুল থেকে বাড়ি ফেরার পর শিশুটি খেলতে বের হয়। এ সময় অভিযুক্ত ব্যক্তি টাকা দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে তাকে গ্রামের একটি ঘেরের পাড়ে নিয়ে যান। সেখানে শিশুটিকে ধর্ষণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়। পরে শিশুটিকে ২০ টাকা দিয়ে বাড়িতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।

ভয়ে শিশুটি প্রথমে পরিবারের কাউকে বিষয়টি জানায়নি। এরপর শারীরিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়লে এক প্রতিবেশী নারীর কাছে ঘটনার কথা জানায়। পরে ওই নারীর কাছ থেকে বিষয়টি জানতে পেরে শিশুটির বাবা তার মেয়ের কাছে ঘটনার বিস্তারিত শোনেন।

ঘটনার প্রায় এক সপ্তাহ পর বুধবার (১৯ আগস্ট) শিশুটির বাবা শার্শা থানায় লিখিত অভিযোগ দেন। অভিযোগের ভিত্তিতে শার্শা থানায় ধর্ষণের মামলা করা হয়।

মামলা হওয়ার পর যশোরের পুলিশ সুপারের নির্দেশে আসামিকে গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু করে শার্শা থানা-পুলিশ। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই মো. মোস্তাক আহামেদের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় অভিযান চালায়। পরে বুধবার রাত ৩টা ৫ মিনিটের দিকে মহিষা এলাকা থেকে মামলার একমাত্র আসামি মকছেদ আলীকে গ্রেপ্তার করা হয়।

শার্শা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামিনুল হক বলেন, শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে বুধবার সকালে মামলা করা হয়েছে। মামলার আসামিকে দ্রুত গ্রেপ্তার করা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাঁকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। একই সঙ্গে ভুক্তভোগী শিশুর প্রয়োজনীয় আইনগত ও চিকিৎসাসংক্রান্ত সহায়তার বিষয়টিও প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।।