লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
০৪:২৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬, ৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কক্সবাজারে আবাসিক হোটেলে পুলিশ সদস্যের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

কক্সবাজার শহরের পৌর বাসটার্মিনাল এলাকার একটি আবাসিক হোটেল থেকে আতাউল কবির (৪৪) নামে এক পুলিশ সদস্যের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। শুক্রবার বিকেল ৪টার দিকে কক্সবাজার পৌর বাসটার্মিনাল সংলগ্ন ঢাকা আবাসিক হোটেলের চতুর্থ তলার ৪০১ নম্বর কক্ষের দরজা ভেঙে পুলিশ তার মরদেহ উদ্ধার করে। নিহত আতাউল কবির পিরোজপুর জেলার নেছারাবাদ উপজেলার রাজবাড়ী এলাকার উরুবুনিয়া গ্রামের আব্দুল খালেক মজুমদারের ছেলে। তিনি টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং হাইওয়ে পুলিশে কর্মরত ছিলেন।

হোটেল কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, আতাউল কবির বৃহস্পতিবার রাত ৯টার দিকে একাই হোটেলটিতে এসে ৪০১ নম্বর কক্ষে ওঠেন। শুক্রবার সকাল ১১টার দিকে তার চেকআউট করার কথা ছিল। তবে নির্ধারিত সময় পার হওয়ার পরও তিনি কক্ষ থেকে বের না হওয়ায় হোটেল কর্মীরা দরজায় বেশ কয়েকবার ধাক্কা দেন। ভেতর থেকে কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে তারা বিষয়টি কক্সবাজার সদর থানায় অবহিত করেন।

পরে বিকেল ৪টার দিকে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে কক্ষের দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় ওই পুলিশ সদস্যের মরদেহ দেখতে পায়। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে আতাউল কবিরের জাতীয় পরিচয়পত্র, পুলিশ পরিচয়পত্র, মেডিকেল রিপোর্টসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও ব্যক্তিগত মালামাল জব্দ করেছে।

হোয়াইক্যং হাইওয়ে পুলিশের ইনচার্জ নুরুল আবছার আতাউল কবিরের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ওই পুলিশ সদস্য দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক কলহের মধ্যে ছিলেন। কক্সবাজার সদর মডেল থানার ওসি শেখ মোহাম্মদ আলী জানিয়েছেন, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

কক্সবাজারে আবাসিক হোটেলে পুলিশ সদস্যের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

প্রকাশিত হয়েছে: ০১:০৭:৪৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬

কক্সবাজার শহরের পৌর বাসটার্মিনাল এলাকার একটি আবাসিক হোটেল থেকে আতাউল কবির (৪৪) নামে এক পুলিশ সদস্যের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। শুক্রবার বিকেল ৪টার দিকে কক্সবাজার পৌর বাসটার্মিনাল সংলগ্ন ঢাকা আবাসিক হোটেলের চতুর্থ তলার ৪০১ নম্বর কক্ষের দরজা ভেঙে পুলিশ তার মরদেহ উদ্ধার করে। নিহত আতাউল কবির পিরোজপুর জেলার নেছারাবাদ উপজেলার রাজবাড়ী এলাকার উরুবুনিয়া গ্রামের আব্দুল খালেক মজুমদারের ছেলে। তিনি টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং হাইওয়ে পুলিশে কর্মরত ছিলেন।

হোটেল কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, আতাউল কবির বৃহস্পতিবার রাত ৯টার দিকে একাই হোটেলটিতে এসে ৪০১ নম্বর কক্ষে ওঠেন। শুক্রবার সকাল ১১টার দিকে তার চেকআউট করার কথা ছিল। তবে নির্ধারিত সময় পার হওয়ার পরও তিনি কক্ষ থেকে বের না হওয়ায় হোটেল কর্মীরা দরজায় বেশ কয়েকবার ধাক্কা দেন। ভেতর থেকে কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে তারা বিষয়টি কক্সবাজার সদর থানায় অবহিত করেন।

পরে বিকেল ৪টার দিকে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে কক্ষের দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় ওই পুলিশ সদস্যের মরদেহ দেখতে পায়। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে আতাউল কবিরের জাতীয় পরিচয়পত্র, পুলিশ পরিচয়পত্র, মেডিকেল রিপোর্টসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও ব্যক্তিগত মালামাল জব্দ করেছে।

হোয়াইক্যং হাইওয়ে পুলিশের ইনচার্জ নুরুল আবছার আতাউল কবিরের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ওই পুলিশ সদস্য দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক কলহের মধ্যে ছিলেন। কক্সবাজার সদর মডেল থানার ওসি শেখ মোহাম্মদ আলী জানিয়েছেন, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।