লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
১২:০২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ফিফা আসিয়ান কাপে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ ও প্রস্তুতির নতুন সম্ভাবনা

আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর থেকে ৫ অক্টোবর পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ‘ফিফা আসিয়ান কাপ ২০২৬’। ১৯৯৬ সাল থেকে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার আসিয়ান গোষ্ঠীভুক্ত দেশগুলোর অংশগ্রহণে আসিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপ অনুষ্ঠিত হয়ে আসলেও, এবারই প্রথমবারের মতো ফিফার তত্ত্বাবধানে এই টুর্নামেন্টটি আয়োজিত হচ্ছে। নতুন নামকরণের পাশাপাশি এবার চীন, ভারত ও হংকংকে আমন্ত্রণ জানানো হলেও ব্যস্ততার কারণে ভারত ও চীন টুর্নামেন্টে অংশ নিতে পারছে না। তাদের পরিবর্তে বাংলাদেশ ও পাকিস্তান এই টুর্নামেন্টে খেলার সুযোগ পেয়েছে।

টুর্নামেন্টে মোট ১৪টি দল অংশ নিচ্ছে, যার মধ্যে আটটি দল প্রিমিয়ার ডিভিশনে এবং ছয়টি দল চ্যালেঞ্জ ডিভিশনে খেলবে। প্রিমিয়ার ডিভিশনের ‘এ’ গ্রুপে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ হিসেবে থাকছে স্বাগতিক ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া ও সিঙ্গাপুর। ‘বি’ গ্রুপে লড়বে থাইল্যান্ড, ভিয়েতনাম, ফিলিপাইনস ও পাকিস্তান। ২৫ সেপ্টেম্বর থেকে ৫ অক্টোবর ইন্দোনেশিয়ায় প্রিমিয়ার ডিভিশনের ম্যাচগুলো অনুষ্ঠিত হবে। দুই গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন দল ফাইনালে মুখোমুখি হবে এবং রানার্সআপ দল তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে অংশ নেবে।

চ্যালেঞ্জ ডিভিশনের খেলাগুলো অনুষ্ঠিত হবে হংকংয়ে। এই ডিভিশনের ‘এ’ গ্রুপে রয়েছে হংকং, লাওস ও ব্রুনাই এবং ‘বি’ গ্রুপে কম্বোডিয়া, মিয়ানমার ও তিমুর-লেস্তে লড়বে। চ্যালেঞ্জ ডিভিশনে তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ না থাকলেও উভয় ডিভিশনের জন্যই বড় অংকের অর্থ পুরস্কার ঘোষণা করা হয়েছে। প্রিমিয়ার ডিভিশনের চ্যাম্পিয়ন দল পাবে এক মিলিয়ন ডলার এবং চ্যালেঞ্জ ডিভিশনের চ্যাম্পিয়ন দল পাবে তিন লাখ ডলার। এছাড়া অংশগ্রহণকারী প্রতিটি দল ফি বাবদ এক লাখ ২৫ হাজার ডলার করে পাবে।

সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের প্রস্তুতির জন্য আসিয়ান কাপকে বাংলাদেশের জন্য একটি বড় সুযোগ হিসেবে দেখছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে)। আগামী নভেম্বরে ঘরের মাঠে অনুষ্ঠিতব্য সাফের শিরোপা পুনরুদ্ধারের লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে জাতীয় দল। আসিয়ান কাপের শক্তিশালী দলগুলোর বিপক্ষে খেলে কোচ থমাস ডুলি দলের বোঝাপড়া, ট্যাকটিক্যাল ভ্যারিয়েশন এবং মূল একাদশ গোছানোর সুযোগ পাবেন।

ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া ও সিঙ্গাপুরের মতো দ্রুতগতির ফুটবল খেলা দলগুলোর বিপক্ষে ৯০ মিনিট লড়াই করা বাংলাদেশের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। তবে হামজা-শমিতদের সাম্প্রতিক পারফরম্যান্স নিয়ে আশাবাদী ফুটবল সংশ্লিষ্টরা। এই টুর্নামেন্টের অভিজ্ঞতা ও ইতিবাচক ফলাফল সাফের জন্য দলের আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে তুলবে বলে আশা করা হচ্ছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

সৌদি-তুরস্ক-পাকিস্তান প্রতিরক্ষা চুক্তি আঞ্চলিক নিরাপত্তায় নতুন সমীকরণ তৈরি করবে

ফিফা আসিয়ান কাপে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ ও প্রস্তুতির নতুন সম্ভাবনা

প্রকাশিত হয়েছে: ০৪:০১:৫১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬

আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর থেকে ৫ অক্টোবর পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ‘ফিফা আসিয়ান কাপ ২০২৬’। ১৯৯৬ সাল থেকে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার আসিয়ান গোষ্ঠীভুক্ত দেশগুলোর অংশগ্রহণে আসিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপ অনুষ্ঠিত হয়ে আসলেও, এবারই প্রথমবারের মতো ফিফার তত্ত্বাবধানে এই টুর্নামেন্টটি আয়োজিত হচ্ছে। নতুন নামকরণের পাশাপাশি এবার চীন, ভারত ও হংকংকে আমন্ত্রণ জানানো হলেও ব্যস্ততার কারণে ভারত ও চীন টুর্নামেন্টে অংশ নিতে পারছে না। তাদের পরিবর্তে বাংলাদেশ ও পাকিস্তান এই টুর্নামেন্টে খেলার সুযোগ পেয়েছে।

টুর্নামেন্টে মোট ১৪টি দল অংশ নিচ্ছে, যার মধ্যে আটটি দল প্রিমিয়ার ডিভিশনে এবং ছয়টি দল চ্যালেঞ্জ ডিভিশনে খেলবে। প্রিমিয়ার ডিভিশনের ‘এ’ গ্রুপে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ হিসেবে থাকছে স্বাগতিক ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া ও সিঙ্গাপুর। ‘বি’ গ্রুপে লড়বে থাইল্যান্ড, ভিয়েতনাম, ফিলিপাইনস ও পাকিস্তান। ২৫ সেপ্টেম্বর থেকে ৫ অক্টোবর ইন্দোনেশিয়ায় প্রিমিয়ার ডিভিশনের ম্যাচগুলো অনুষ্ঠিত হবে। দুই গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন দল ফাইনালে মুখোমুখি হবে এবং রানার্সআপ দল তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে অংশ নেবে।

চ্যালেঞ্জ ডিভিশনের খেলাগুলো অনুষ্ঠিত হবে হংকংয়ে। এই ডিভিশনের ‘এ’ গ্রুপে রয়েছে হংকং, লাওস ও ব্রুনাই এবং ‘বি’ গ্রুপে কম্বোডিয়া, মিয়ানমার ও তিমুর-লেস্তে লড়বে। চ্যালেঞ্জ ডিভিশনে তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ না থাকলেও উভয় ডিভিশনের জন্যই বড় অংকের অর্থ পুরস্কার ঘোষণা করা হয়েছে। প্রিমিয়ার ডিভিশনের চ্যাম্পিয়ন দল পাবে এক মিলিয়ন ডলার এবং চ্যালেঞ্জ ডিভিশনের চ্যাম্পিয়ন দল পাবে তিন লাখ ডলার। এছাড়া অংশগ্রহণকারী প্রতিটি দল ফি বাবদ এক লাখ ২৫ হাজার ডলার করে পাবে।

সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের প্রস্তুতির জন্য আসিয়ান কাপকে বাংলাদেশের জন্য একটি বড় সুযোগ হিসেবে দেখছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে)। আগামী নভেম্বরে ঘরের মাঠে অনুষ্ঠিতব্য সাফের শিরোপা পুনরুদ্ধারের লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে জাতীয় দল। আসিয়ান কাপের শক্তিশালী দলগুলোর বিপক্ষে খেলে কোচ থমাস ডুলি দলের বোঝাপড়া, ট্যাকটিক্যাল ভ্যারিয়েশন এবং মূল একাদশ গোছানোর সুযোগ পাবেন।

ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া ও সিঙ্গাপুরের মতো দ্রুতগতির ফুটবল খেলা দলগুলোর বিপক্ষে ৯০ মিনিট লড়াই করা বাংলাদেশের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। তবে হামজা-শমিতদের সাম্প্রতিক পারফরম্যান্স নিয়ে আশাবাদী ফুটবল সংশ্লিষ্টরা। এই টুর্নামেন্টের অভিজ্ঞতা ও ইতিবাচক ফলাফল সাফের জন্য দলের আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে তুলবে বলে আশা করা হচ্ছে।