লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
১২:০২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নেপালের জলবিদ্যুৎ প্রকল্পে ৯০০ শ্রমিক নিখোঁজ, হাসপাতালে মরদেহের স্তূপ

নেপালের ত্রিশূলী নদী অববাহিকায় গড়ে ওঠা জলবিদ্যুৎ প্রকল্পগুলোতে কাজ করা অন্তত ৯০০ শ্রমিক এখনও নিখোঁজ রয়েছেন। নেপাল-তিব্বতের আকস্মিক বন্যায় তারা নিখোঁজ হন। নিখোঁজদের বড় অংশই স্বল্প আয়ের শ্রমিক, যার মধ্যে অন্তত ৬৩ জন ভারতীয় নাগরিক রয়েছেন।

নেপালি সেনাবাহিনী শুক্রবার ত্রিশূলী-১ জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের কাদার দেয়াল ভেঙে বেশ কয়েকজন শ্রমিককে জীবিত উদ্ধার করেছে। তবে এখনও প্রকল্পের বিভিন্ন সুড়ঙ্গে অন্তত ১০০ জন এবং ত্রিশূলী-৩ প্রকল্পের মাটির নিচে আরও কয়েক ডজন শ্রমিক আটকে আছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

নিখোঁজদের একজন ২৪ বছর বয়সী সুজন নেপালি, যিনি নাইট শিফট শেষে ঘুমাচ্ছিলেন। তার বোন সুশীশা মালুওয়ার প্রতিদিন হাসপাতালে এসে নিখোঁজের তালিকায় ভাইয়ের নাম খুঁজছেন। তিনি বলেন, আমরা এখনও আশা হারাইনি। হাসপাতালে তার নাম লেখাচ্ছি এবং সর্বত্র ছবি ঝুলিয়ে দিচ্ছি, যাতে কোথাও না কোথাও তার সন্ধান মেলে। হয়তো সে ইতোমধ্যে উদ্ধার হয়েছে বা কোথাও রয়েছে।

এদিকে হাসপাতালগুলোতে জমছে মরদেহের স্তূপ। নেপালের সীমিত সক্ষমতায় মরদেহ শনাক্তকরণের লোকবল ও সরঞ্জামে সংকট দেখা দিয়েছে। চিতওয়ান শহরে এত বেশি সংখ্যক মরদেহ আসছে যে সেখানকার মর্গগুলো উপচে পড়ছে এবং মরদেহ রাখার জন্য অস্থায়ী ভবন তৈরি করতে হয়েছে। পানির প্রবল স্রোতে কিছু মরদেহ ভেসে পার্শ্ববর্তী ভারতে গিয়ে পৌঁছেছে। নেপাল সরকার ও সেনাবাহিনী হেলিকপ্টার দিয়ে দুর্গম এলাকায় তল্লাশি চালাচ্ছে, তবে কাদার নিচে কত মানুষ চাপা পড়ে আছে তা নিরূপণ করা এখনও অত্যন্ত কঠিন।

জনপ্রিয় সংবাদ

সৌদি-তুরস্ক-পাকিস্তান প্রতিরক্ষা চুক্তি আঞ্চলিক নিরাপত্তায় নতুন সমীকরণ তৈরি করবে

নেপালের জলবিদ্যুৎ প্রকল্পে ৯০০ শ্রমিক নিখোঁজ, হাসপাতালে মরদেহের স্তূপ

প্রকাশিত হয়েছে: ০৫:০২:১৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬

নেপালের ত্রিশূলী নদী অববাহিকায় গড়ে ওঠা জলবিদ্যুৎ প্রকল্পগুলোতে কাজ করা অন্তত ৯০০ শ্রমিক এখনও নিখোঁজ রয়েছেন। নেপাল-তিব্বতের আকস্মিক বন্যায় তারা নিখোঁজ হন। নিখোঁজদের বড় অংশই স্বল্প আয়ের শ্রমিক, যার মধ্যে অন্তত ৬৩ জন ভারতীয় নাগরিক রয়েছেন।

নেপালি সেনাবাহিনী শুক্রবার ত্রিশূলী-১ জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের কাদার দেয়াল ভেঙে বেশ কয়েকজন শ্রমিককে জীবিত উদ্ধার করেছে। তবে এখনও প্রকল্পের বিভিন্ন সুড়ঙ্গে অন্তত ১০০ জন এবং ত্রিশূলী-৩ প্রকল্পের মাটির নিচে আরও কয়েক ডজন শ্রমিক আটকে আছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

নিখোঁজদের একজন ২৪ বছর বয়সী সুজন নেপালি, যিনি নাইট শিফট শেষে ঘুমাচ্ছিলেন। তার বোন সুশীশা মালুওয়ার প্রতিদিন হাসপাতালে এসে নিখোঁজের তালিকায় ভাইয়ের নাম খুঁজছেন। তিনি বলেন, আমরা এখনও আশা হারাইনি। হাসপাতালে তার নাম লেখাচ্ছি এবং সর্বত্র ছবি ঝুলিয়ে দিচ্ছি, যাতে কোথাও না কোথাও তার সন্ধান মেলে। হয়তো সে ইতোমধ্যে উদ্ধার হয়েছে বা কোথাও রয়েছে।

এদিকে হাসপাতালগুলোতে জমছে মরদেহের স্তূপ। নেপালের সীমিত সক্ষমতায় মরদেহ শনাক্তকরণের লোকবল ও সরঞ্জামে সংকট দেখা দিয়েছে। চিতওয়ান শহরে এত বেশি সংখ্যক মরদেহ আসছে যে সেখানকার মর্গগুলো উপচে পড়ছে এবং মরদেহ রাখার জন্য অস্থায়ী ভবন তৈরি করতে হয়েছে। পানির প্রবল স্রোতে কিছু মরদেহ ভেসে পার্শ্ববর্তী ভারতে গিয়ে পৌঁছেছে। নেপাল সরকার ও সেনাবাহিনী হেলিকপ্টার দিয়ে দুর্গম এলাকায় তল্লাশি চালাচ্ছে, তবে কাদার নিচে কত মানুষ চাপা পড়ে আছে তা নিরূপণ করা এখনও অত্যন্ত কঠিন।