লাইভ টিভি ই-পেপার নিউজ পাঠান
১১:৫৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গফরগাঁওয়ে ছেলেকে জিম্মি করে মাকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ

ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে এক প্রবাসীর বাড়িতে ঢুকে ছেলেকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে মাকে (৩৮) সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার ১৭ সেপ্টেম্বর রাত আটটার দিকে এ নৃশংস ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে মো. রাজীব (২৩) নামের এক যুবককে রাতেই আটক করেছে গফরগাঁও থানার পুলিশ।

ভুক্তভোগী নারী, মামলা ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার সময় শরীফ মিয়া (২৩), আরিফ মিয়াসহ (২১) পাঁচজন যুবক প্রবাসীর বাড়িতে প্রবেশ করেন। প্রথমে তারা পানি ও কুড়াল চেয়ে প্রবাসীর ছেলেকে দরজার কাছে ডেকে আনে এবং অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ফেলে। এরপর যুবকেরা ঘরে ঢুকে ব্যাপক ভাঙচুর চালায়। আলমারিতে থাকা বাড়ি নির্মাণের জন্য রাখা পাঁচ লাখ টাকা, স্বর্ণালংকার ও অন্যান্য মূল্যবান জিনিসপত্র লুট করা হয়।

ভুক্তভোগী ওই নারী অভিযোগ করেছেন যে, অভিযুক্তরা ঘটনার সময় মুঠোফোনে ভিডিও ধারণ করেছে এবং তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়েছে। শুধু তাই নয়, ভিডিওটি না ছড়ানোর শর্তে তারা তিন দিনের মধ্যে আরও দুই লাখ টাকা দাবি করেছে। ওই নারীর নবম শ্রেণিপড়ুয়া ছেলে ঘটনার সময় বাড়িতে তার সঙ্গে ছিল।

ঘটনার পর ভুক্তভোগীদের চিৎকার শুনে প্রতিবেশীরা এগিয়ে আসেন এবং পুলিশকে খবর দেন। রাতেই পুলিশ অভিযানে নামে এবং রাত তিনটার দিকে ঘটনাস্থল থেকে প্রায় এক কিলোমিটার দূরে একটি নির্জন এলাকা থেকে রাজীবকে আটক করে। অভিযানের সময় অভিযুক্ত রাজীব ভিডিও ধারণে ব্যবহৃত মুঠোফোনটি পানিতে ফেলে দিয়েছিল, যা পরে পুলিশ উদ্ধার করে।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (গফরগাঁও সার্কেল) মনতোষ বিশ্বাস জানান, ওই নারী পাঁচজনের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ করেছেন। তার ভাষ্যমতে, তাদের মধ্যে দুজন ধর্ষণ করেছেন এবং বাকি তিনজন বাইরে অবস্থান করছিলেন। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে এবং পলাতক অন্য চারজনকে ধরতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

টিসিবির ডিজিটাল রূপান্তর উদ্বোধন করলেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির

গফরগাঁওয়ে ছেলেকে জিম্মি করে মাকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ

প্রকাশিত হয়েছে: ০৪:০২:১০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে এক প্রবাসীর বাড়িতে ঢুকে ছেলেকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে মাকে (৩৮) সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার ১৭ সেপ্টেম্বর রাত আটটার দিকে এ নৃশংস ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে মো. রাজীব (২৩) নামের এক যুবককে রাতেই আটক করেছে গফরগাঁও থানার পুলিশ।

ভুক্তভোগী নারী, মামলা ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার সময় শরীফ মিয়া (২৩), আরিফ মিয়াসহ (২১) পাঁচজন যুবক প্রবাসীর বাড়িতে প্রবেশ করেন। প্রথমে তারা পানি ও কুড়াল চেয়ে প্রবাসীর ছেলেকে দরজার কাছে ডেকে আনে এবং অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ফেলে। এরপর যুবকেরা ঘরে ঢুকে ব্যাপক ভাঙচুর চালায়। আলমারিতে থাকা বাড়ি নির্মাণের জন্য রাখা পাঁচ লাখ টাকা, স্বর্ণালংকার ও অন্যান্য মূল্যবান জিনিসপত্র লুট করা হয়।

ভুক্তভোগী ওই নারী অভিযোগ করেছেন যে, অভিযুক্তরা ঘটনার সময় মুঠোফোনে ভিডিও ধারণ করেছে এবং তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়েছে। শুধু তাই নয়, ভিডিওটি না ছড়ানোর শর্তে তারা তিন দিনের মধ্যে আরও দুই লাখ টাকা দাবি করেছে। ওই নারীর নবম শ্রেণিপড়ুয়া ছেলে ঘটনার সময় বাড়িতে তার সঙ্গে ছিল।

ঘটনার পর ভুক্তভোগীদের চিৎকার শুনে প্রতিবেশীরা এগিয়ে আসেন এবং পুলিশকে খবর দেন। রাতেই পুলিশ অভিযানে নামে এবং রাত তিনটার দিকে ঘটনাস্থল থেকে প্রায় এক কিলোমিটার দূরে একটি নির্জন এলাকা থেকে রাজীবকে আটক করে। অভিযানের সময় অভিযুক্ত রাজীব ভিডিও ধারণে ব্যবহৃত মুঠোফোনটি পানিতে ফেলে দিয়েছিল, যা পরে পুলিশ উদ্ধার করে।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (গফরগাঁও সার্কেল) মনতোষ বিশ্বাস জানান, ওই নারী পাঁচজনের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ করেছেন। তার ভাষ্যমতে, তাদের মধ্যে দুজন ধর্ষণ করেছেন এবং বাকি তিনজন বাইরে অবস্থান করছিলেন। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে এবং পলাতক অন্য চারজনকে ধরতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।